ঢাকা ০৮:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মাদকমুক্ত জাতি গঠনে তরুণদের মাঠে ফেরার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo ঢালিউডের নতুন জুটি ওমর মালিক-চাঁদনী শেখ Logo বরিশালে ইয়াবাসহ চাকুরিচ্যুত সেনা সদস্য ও তার স্ত্রী আটক Logo রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হলেন মিয়া সাত্তার Logo কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ভারতের সঙ্গে ‘সমঝোতা’ করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদ ইসলাম Logo কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নিয়ে অতিরিক্ত মাতামাতি বুমেরাং হতে পারে: সাইফুল হক Logo সাজেক সড়কে অবরোধ অব্যাহত, বাতিল হচ্ছে রিসোর্টের কক্ষ বুকিং Logo লোহিত সাগরে নৌকা থেকে ১৪ ভারতীয়কে উদ্ধার দাবি হুতিদের Logo গাড়িতেও মিলবে জেমিনাইয়ের ‘পার্সোনাল ইন্টেলিজেন্স’ সুবিধা Logo নভেম্বরের শুরুতে আসছে শীতের ‘সুখবর’

‘কংস’ চরিত্রের মানুষেরা রাষ্ট্রে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করেছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে দল-মত, ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্ম ও সংস্কৃতি পালন করে আসছে। তবে সময়ে সময়ে ‘কংস’ চরিত্রের মানুষেরা রাষ্ট্র ও সমাজে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করেছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং পুরোহিত ও সেবাইতদের সম্মানি প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দল-মত ও ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে গণতন্ত্রকামী জনগণ হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ‘কংসরূপী’ ফ্যাসিস্টদের পতন ঘটিয়েছে। দেশে আবার গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছে। ভঙ্গুর অর্থনীতি, বিভাজিত প্রশাসন ও অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলার উন্নতি ঘটিয়ে এখন দেশ পুনর্গঠনের পালা।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজে বিভিন্ন ধর্ম ও মতের মানুষ থাকে। বিদেশে গেলে ‘সংখ্যালঘু’ বা ‘সংখ্যাগুরু’ পরিচয় বদলে যায়। মানুষের মধ্যে বিভেদ-বৈষম্য সৃষ্টি করে এমন কোনো পরিচয় কাম্য নয়। দেশের সব নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ রাখার লক্ষ্যেই স্বাধীনতার ঘোষকের রাজনৈতিক দর্শন ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’। সবার গর্বিত পরিচয়‘আমরা বাংলাদেশি’।

 

তারেক রহমান বলেন, রাষ্ট্র তার সামর্থ্য অনুযায়ী দল-মত ও ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। নাগরিকরাও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব পালন করবে। পারস্পরিক দায়িত্ব, আস্থা ও আলাপের মধ্য দিয়ে এমন একটি রাষ্ট্র গড়ে উঠবে, যেখানে কেউ পিছিয়ে থাকবে না।

তিনি বলেন, হিন্দু ধর্মীয় শাস্ত্রমতে কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে মথুরায় শ্রীকৃষ্ণের জন্ম। সে সময় মথুরার শাসক ছিলেন অত্যাচারী কংস। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের পর কংসের পতন ঘটে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন ছিল শ্রীকৃষ্ণের অন্যতম ব্রত।

হিন্দু সম্প্রদায়কে জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দেশ আপনার, আমার, আমাদের সকলের। নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার সমান এবং নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতি অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার। তার ভাষায়, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’ এবং ‘ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার’।

জনপ্রিয়

মাদকমুক্ত জাতি গঠনে তরুণদের মাঠে ফেরার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

‘কংস’ চরিত্রের মানুষেরা রাষ্ট্রে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করেছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত ০৮:২৮:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে দল-মত, ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্ম ও সংস্কৃতি পালন করে আসছে। তবে সময়ে সময়ে ‘কংস’ চরিত্রের মানুষেরা রাষ্ট্র ও সমাজে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করেছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং পুরোহিত ও সেবাইতদের সম্মানি প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দল-মত ও ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে গণতন্ত্রকামী জনগণ হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ‘কংসরূপী’ ফ্যাসিস্টদের পতন ঘটিয়েছে। দেশে আবার গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছে। ভঙ্গুর অর্থনীতি, বিভাজিত প্রশাসন ও অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলার উন্নতি ঘটিয়ে এখন দেশ পুনর্গঠনের পালা।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজে বিভিন্ন ধর্ম ও মতের মানুষ থাকে। বিদেশে গেলে ‘সংখ্যালঘু’ বা ‘সংখ্যাগুরু’ পরিচয় বদলে যায়। মানুষের মধ্যে বিভেদ-বৈষম্য সৃষ্টি করে এমন কোনো পরিচয় কাম্য নয়। দেশের সব নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ রাখার লক্ষ্যেই স্বাধীনতার ঘোষকের রাজনৈতিক দর্শন ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’। সবার গর্বিত পরিচয়‘আমরা বাংলাদেশি’।

 

তারেক রহমান বলেন, রাষ্ট্র তার সামর্থ্য অনুযায়ী দল-মত ও ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। নাগরিকরাও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব পালন করবে। পারস্পরিক দায়িত্ব, আস্থা ও আলাপের মধ্য দিয়ে এমন একটি রাষ্ট্র গড়ে উঠবে, যেখানে কেউ পিছিয়ে থাকবে না।

তিনি বলেন, হিন্দু ধর্মীয় শাস্ত্রমতে কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে মথুরায় শ্রীকৃষ্ণের জন্ম। সে সময় মথুরার শাসক ছিলেন অত্যাচারী কংস। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের পর কংসের পতন ঘটে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন ছিল শ্রীকৃষ্ণের অন্যতম ব্রত।

হিন্দু সম্প্রদায়কে জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দেশ আপনার, আমার, আমাদের সকলের। নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার সমান এবং নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতি অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার। তার ভাষায়, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’ এবং ‘ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার’।