ঢাকা ১০:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ভারতে ধেয়ে যাচ্ছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় অর্নব, উড়িষ্যায় রেড এলার্ট Logo পদত্যাগের আগে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় বসেছিলেন আসিফ মাহমুদ Logo লালমনিরহাটে লোকালয়ে বাঘের হানা, আহত ৩ Logo মিষ্টির শূন্য আসনে এমপি হচ্ছেন সাবেক ছাত্রদল নেত্রী ঊষা Logo ব্যবসায়ীকে অপহরণের অভিযোগে ডিজিএফআইয়ের ২ সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৬ Logo ল্যাঙ্কাশায়ারে অ্যান্ডারসনের ২৫ বছরের অধ্যায়ের সমাপ্তি Logo বিদেশি বিশেষজ্ঞদের ওপর নির্ভরতা কমানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo সম্পর্কে ভালোবাসার পাল্লা কি সমান হওয়া জরুরি? Logo স্টারশিল্ড সচল হলেও ইউক্রেইনের বিরুদ্ধে শর্ত ভঙ্গের দাবি মাস্কের Logo ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচনে প্রশাসন ‘নিরপেক্ষ নয়’, সেনা মোতায়েন করুন: ইসিকে জামায়াত

সিগারেটের দাম বাড়লো

দেশের বাজারে নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব সম্প্রতি অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। এর ফলে প্রতি ১০ শলাকা নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে এই মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের মতে, তামাকজাত পণ্যের বাজারে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং কর আদায় বাড়াতে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষ হওয়ার পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো একটি আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই দাম বাড়ানোর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করা হয়। মূলত ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২’-এর আওতাধীন বিভিন্ন বিধিমালা সংশোধনের মাধ্যমেই এই নতুন দাম কার্যকরের প্রক্রিয়া হাতে নেওয়া হয়েছে।

এই প্রস্তাব অনুমোদনের ফলে সিগারেটের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি এবং স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোল ব্যবহারের সঙ্গে জড়িত দুটি প্রজ্ঞাপনে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হয়েছে। সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী এখন থেকে নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের ক্ষেত্রে ‘৬২ টাকা ও তদূর্ধ্ব’-এর পরিবর্তে ‘৬৫ টাকা ও তদূর্ধ্ব’ কথাটি কার্যকর হবে। এর ফলে বাজারে তামাকজাত পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে একটি নতুন মূল্যস্তর তৈরি হলো যা খুচরা বিক্রেতা থেকে শুরু করে সব স্তরে মানা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের ধারণা, নিম্নস্তরের সিগারেটের এই নতুন মূল্য পুনর্নির্ধারণের ফলে বাজারে চলমান নানা ধরনের অবৈধ বাণিজ্য ও চোরাচালান উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাবে। একই সঙ্গে তামাক খাত থেকে সরকারের যে পরিমাণ রাজস্ব ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তাও অনেকটাই হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি সরকারি কোষাগারের আয় বাড়াতে এই পদক্ষেপ ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

জনপ্রিয়

ভারতে ধেয়ে যাচ্ছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় অর্নব, উড়িষ্যায় রেড এলার্ট

সিগারেটের দাম বাড়লো

প্রকাশিত ০৮:৫৫:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের বাজারে নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব সম্প্রতি অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। এর ফলে প্রতি ১০ শলাকা নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে এই মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের মতে, তামাকজাত পণ্যের বাজারে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং কর আদায় বাড়াতে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষ হওয়ার পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো একটি আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই দাম বাড়ানোর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করা হয়। মূলত ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২’-এর আওতাধীন বিভিন্ন বিধিমালা সংশোধনের মাধ্যমেই এই নতুন দাম কার্যকরের প্রক্রিয়া হাতে নেওয়া হয়েছে।

এই প্রস্তাব অনুমোদনের ফলে সিগারেটের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি এবং স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোল ব্যবহারের সঙ্গে জড়িত দুটি প্রজ্ঞাপনে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হয়েছে। সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী এখন থেকে নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের ক্ষেত্রে ‘৬২ টাকা ও তদূর্ধ্ব’-এর পরিবর্তে ‘৬৫ টাকা ও তদূর্ধ্ব’ কথাটি কার্যকর হবে। এর ফলে বাজারে তামাকজাত পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে একটি নতুন মূল্যস্তর তৈরি হলো যা খুচরা বিক্রেতা থেকে শুরু করে সব স্তরে মানা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের ধারণা, নিম্নস্তরের সিগারেটের এই নতুন মূল্য পুনর্নির্ধারণের ফলে বাজারে চলমান নানা ধরনের অবৈধ বাণিজ্য ও চোরাচালান উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাবে। একই সঙ্গে তামাক খাত থেকে সরকারের যে পরিমাণ রাজস্ব ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তাও অনেকটাই হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি সরকারি কোষাগারের আয় বাড়াতে এই পদক্ষেপ ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।