ঢাকা ১২:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

বিরামপুর সীমান্তে ৯ জনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা বিএসএফের, ৩ জনকে ফেরত পাঠাল বিজিবি

দিনাজপুরের বিরামপুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে বেশ কয়েকজন নারী ও পুরুষকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় সীমান্তে তীব্র উত্তেজনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। আন্তর্জাতিক নিয়ম ও সীমান্ত প্রটোকল লঙ্ঘন করে এই ধরনের পুশ ইনের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ভারত থেকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর এই প্রক্রিয়ায় মোট নয়জন নাগরিককে নিশানা করা হয়েছিল। তবে সীমান্তে দায়িত্বরত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি সদস্যদের তৎপরতার কারণে তাদের বড় একটি অংশকে সফলভাবে প্রতিহত করা সম্ভব হয়। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি বুঝতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর অবস্থান নেন সীমান্তরক্ষীরা।

বিজিবি সদস্যদের সময়োপযোগী ও দৃঢ় পদক্ষেপে শেষ পর্যন্ত ওই নয়জনের মধ্যে তিনজনকে ভারতীয় সীমানায় ফেরত পাঠাতে বাধ্য করা হয়। বাকিদের বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং তারা বর্তমানে কোন পরিস্থিতিতে রয়েছেন, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবির পক্ষ থেকে টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

এ ধরনের অননুমোদিত পুশ ইন চেষ্টা দুই দেশের মধ্যকার সীমান্ত সুরক্ষায় নিয়োজিত চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর আগেও সীমান্তজুড়ে এমন নানা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে উভয় দেশের সীমান্ত বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠকসহ বিভিন্ন কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমান ঘটনার প্রেক্ষাপটে সীমান্তে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে কড়া সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

ইসরাইলে পুলিশে পদত্যাগের হিড়িক, জনবলের ব্যাপক সংকট

বিরামপুর সীমান্তে ৯ জনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা বিএসএফের, ৩ জনকে ফেরত পাঠাল বিজিবি

প্রকাশিত ১২:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দিনাজপুরের বিরামপুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে বেশ কয়েকজন নারী ও পুরুষকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় সীমান্তে তীব্র উত্তেজনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। আন্তর্জাতিক নিয়ম ও সীমান্ত প্রটোকল লঙ্ঘন করে এই ধরনের পুশ ইনের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ভারত থেকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর এই প্রক্রিয়ায় মোট নয়জন নাগরিককে নিশানা করা হয়েছিল। তবে সীমান্তে দায়িত্বরত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি সদস্যদের তৎপরতার কারণে তাদের বড় একটি অংশকে সফলভাবে প্রতিহত করা সম্ভব হয়। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি বুঝতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর অবস্থান নেন সীমান্তরক্ষীরা।

বিজিবি সদস্যদের সময়োপযোগী ও দৃঢ় পদক্ষেপে শেষ পর্যন্ত ওই নয়জনের মধ্যে তিনজনকে ভারতীয় সীমানায় ফেরত পাঠাতে বাধ্য করা হয়। বাকিদের বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং তারা বর্তমানে কোন পরিস্থিতিতে রয়েছেন, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবির পক্ষ থেকে টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

এ ধরনের অননুমোদিত পুশ ইন চেষ্টা দুই দেশের মধ্যকার সীমান্ত সুরক্ষায় নিয়োজিত চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর আগেও সীমান্তজুড়ে এমন নানা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে উভয় দেশের সীমান্ত বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠকসহ বিভিন্ন কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমান ঘটনার প্রেক্ষাপটে সীমান্তে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে কড়া সতর্কতা জারি করা হয়েছে।