ঢাকা ০৪:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আইফেল টাওয়ারের প্রধান পদত্যাগ করছেন, কারণ কী Logo নেছারাবাদে স্কুল ফিডিংয়ের ৩০ প্যাকেট দুধ চুরির পর ২৭ প্যাকেট ফেরত Logo স্ত্রীর মৃত্যুর দুই দিন পর হাসপাতালে মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ Logo মিরপুরে ডিএনসিসির গাড়িতে হামলা-অগ্নিসংযোগ: প্রশাসক বললেন—উচ্ছেদ চলবে Logo ২৩৫ ইউনিটে ৫০৭ কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল: জিএম বরখাস্ত, ভুক্তভোগীর কাছে দুঃখপ্রকাশ মন্ত্রীর Logo তিন বন্ধুর সঙ্গে সংবর্ধনায় এসে বাবাকে মনে পড়ল নাবার, নিল নতুন প্রতিজ্ঞা Logo সাংবাদিক থেকে যেভাবে রাজা হলেন তিনি Logo সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল ১৩০ বার Logo শিশু নাতনির ছবি হাতে এক মাস ধরে পথে পথে ৭১ বছরের ইসমাইল, চাইছেন খোঁজ Logo মাঝ আকাশে তেল–আবিবগামী ফ্লাইটে পাইলটদের মারামারি, হাইজ্যাক ভেবে যুদ্ধবিমান পাঠায় ইসরায়েল

সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল ১৩০ বার

আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ আরও একবার পেছাল। এর মাধ্যমে চাঞ্চল্যকর এই জোড়া খুনের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১৩০ বারের মতো পেছানোর ঘটনা ঘটল। আদালতের পক্ষ থেকে আগামী ৫ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন দিন ধার্য করা হয়েছে। বারবার প্রতিবেদন জমার সময় পেছানোর কারণে বিচারপ্রার্থী পরিবার ও দেশবাসীর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটছে না।

সম্প্রতি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোিল আজিজুল হক নির্ধারিত দিনে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এই ব্যর্থতার কারণে বিচারক আগামী ৫ নভেম্বর প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। এর ফলে মামলার রহস্য উদঘাটন ও বিচার প্রক্রিয়া আরও দীর্ঘায়িত হলো।

এই হত্যা মামলায় আদালতে বেশ কয়েকজন আসামিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আসামিরা হলেন রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, নিহতদের বাড়ির দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের পরিচিত তানভীর রহমান খান। অভিযুক্তদের মধ্যে তানভীর ও পলাশ জামিনে মুক্ত থাকলেও বাকি আসামিরা বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছেন।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নিজ বাসভবনে নির্মমভাবে খুন হন। এই জোড়া খুনের ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রথমে স্থানীয় থানার একজন উপপরিদর্শক মামলার তদন্তের দায়িত্ব নিলেও পরে তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়। ডিবি পুলিশ তদন্তে ব্যর্থ হওয়ার পর হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার দায়িত্ব পায় র‍্যাব, আর পরবর্তীতে আদালতের আদেশে গঠিত হয় উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স।

জনপ্রিয়

আইফেল টাওয়ারের প্রধান পদত্যাগ করছেন, কারণ কী

সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল ১৩০ বার

প্রকাশিত ০২:১৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ আরও একবার পেছাল। এর মাধ্যমে চাঞ্চল্যকর এই জোড়া খুনের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১৩০ বারের মতো পেছানোর ঘটনা ঘটল। আদালতের পক্ষ থেকে আগামী ৫ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন দিন ধার্য করা হয়েছে। বারবার প্রতিবেদন জমার সময় পেছানোর কারণে বিচারপ্রার্থী পরিবার ও দেশবাসীর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটছে না।

সম্প্রতি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোিল আজিজুল হক নির্ধারিত দিনে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এই ব্যর্থতার কারণে বিচারক আগামী ৫ নভেম্বর প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। এর ফলে মামলার রহস্য উদঘাটন ও বিচার প্রক্রিয়া আরও দীর্ঘায়িত হলো।

এই হত্যা মামলায় আদালতে বেশ কয়েকজন আসামিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আসামিরা হলেন রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, নিহতদের বাড়ির দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের পরিচিত তানভীর রহমান খান। অভিযুক্তদের মধ্যে তানভীর ও পলাশ জামিনে মুক্ত থাকলেও বাকি আসামিরা বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছেন।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নিজ বাসভবনে নির্মমভাবে খুন হন। এই জোড়া খুনের ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রথমে স্থানীয় থানার একজন উপপরিদর্শক মামলার তদন্তের দায়িত্ব নিলেও পরে তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়। ডিবি পুলিশ তদন্তে ব্যর্থ হওয়ার পর হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার দায়িত্ব পায় র‍্যাব, আর পরবর্তীতে আদালতের আদেশে গঠিত হয় উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স।