ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo স্বৈরাচার উৎখাতে আমরা যতটা ভালো, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলায় ততটাই খারাপ: মাহফুজ আনাম Logo ঘোস্টিংয়ের পর অরবিটিং মানেই কি ফিরে আসা? সোশ্যাল মিডিয়া যেভাবে প্রাক্তন সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলছে Logo ৭০ মিটার গভীর থেকে এক শিশুকে তুলে এনে আফগানিস্তানে নায়ক ১১ বছরের হজরত ওমর Logo তুমব্রু সীমান্তে ৪ লাখ ইয়াবা জব্দের দাবি বিজিবির Logo ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে কী বুঝাতে চাইলেন Logo এই প্রথম সৌরজগতের বাইরের এক গ্রহের রেডিও সংকেত শনাক্ত Logo সেনাসদস্যের লাশ নিতে গিয়ে লাশ হলেন পরিবারের আরো ৩ জন Logo বাবার ১৭ ফ্ল্যাট, অথচ ৪ হাজার টাকার বাসায় থাকি, ভাইয়ের বিরুদ্ধে বোনের অভিযোগ Logo চট্টগ্রাম বন্দর থেকে নেওয়া বিপজ্জনক রাসায়নিক বহনকারী কাভার্ডভ্যানে আগুন Logo নিজের মৃত্যুর গুজবে বিরক্ত আবুল হায়াত, বললেন ‘ঠিক আছি’

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে নেওয়া বিপজ্জনক রাসায়নিক বহনকারী কাভার্ডভ্যানে আগুন

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ ধ্বংসের উদ্দেশ্যে নারায়ণগঞ্জে নিয়ে যাওয়ার সময় একটি কাভার্ডভ্যানে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি রাতে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। বন্দর কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুযায়ী মেয়াদোত্তীর্ণ ও ব্যবহার অনুপযোগী ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক নিরাপদ স্থানে অপসারণের কাজ চলছিল। ঠিক সেই সময়ই এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে স্থানীয় এলাকায় সাময়িকভাবে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ধারণা করছে যে, চলন্ত অবস্থায় গাড়িটির ইঞ্জিন থেকেই মূলত আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল। তবে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় আগুন মারাত্মক আকার ধারণ করার আগেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, এই ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং গাড়িতে থাকা রাসায়নিকের ড্রামগুলো অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস সূত্রে জানা গেছে, এই বিপজ্জনক পদার্থগুলো ধ্বংসের জন্য নারায়ণগঞ্জের ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেডে পাঠানো হচ্ছিল। মোট ছয়টি কনটেইনার ও তিনটি কাভার্ডভ্যানে করে এই রাসায়নিক অপসারণের কাজ পরিচালনা করা হচ্ছিল। কাস্টমসের সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যসচিব মো. রাসেল আহমেদ জানিয়েছেন যে, ভ্যানে থাকা ড্রামগুলোতে মূলত পূর্বে রাসায়নিক সংরক্ষিত ছিল এবং খালি থাকা সত্ত্বেও সেগুলোকে পুড়িয়ে ফেলার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

ঘটনার পর পরই পরিস্থিতি পরিদর্শনের জন্য কাস্টমসের একটি বিশেষ দল ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনা কবলিত কাভার্ডভ্যানটিকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে কাঁচপুর থানায় সুরক্ষিত হেফাজতে রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগের দিন থেকেই চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের তত্ত্বাবধানে বন্দর থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ বিপজ্জনক রাসায়নিকের কনটেইনার অপসারণের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল।

জনপ্রিয়

স্বৈরাচার উৎখাতে আমরা যতটা ভালো, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলায় ততটাই খারাপ: মাহফুজ আনাম

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে নেওয়া বিপজ্জনক রাসায়নিক বহনকারী কাভার্ডভ্যানে আগুন

প্রকাশিত ০৬:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ ধ্বংসের উদ্দেশ্যে নারায়ণগঞ্জে নিয়ে যাওয়ার সময় একটি কাভার্ডভ্যানে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি রাতে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। বন্দর কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুযায়ী মেয়াদোত্তীর্ণ ও ব্যবহার অনুপযোগী ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক নিরাপদ স্থানে অপসারণের কাজ চলছিল। ঠিক সেই সময়ই এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে স্থানীয় এলাকায় সাময়িকভাবে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ধারণা করছে যে, চলন্ত অবস্থায় গাড়িটির ইঞ্জিন থেকেই মূলত আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল। তবে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় আগুন মারাত্মক আকার ধারণ করার আগেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, এই ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং গাড়িতে থাকা রাসায়নিকের ড্রামগুলো অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস সূত্রে জানা গেছে, এই বিপজ্জনক পদার্থগুলো ধ্বংসের জন্য নারায়ণগঞ্জের ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেডে পাঠানো হচ্ছিল। মোট ছয়টি কনটেইনার ও তিনটি কাভার্ডভ্যানে করে এই রাসায়নিক অপসারণের কাজ পরিচালনা করা হচ্ছিল। কাস্টমসের সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যসচিব মো. রাসেল আহমেদ জানিয়েছেন যে, ভ্যানে থাকা ড্রামগুলোতে মূলত পূর্বে রাসায়নিক সংরক্ষিত ছিল এবং খালি থাকা সত্ত্বেও সেগুলোকে পুড়িয়ে ফেলার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

ঘটনার পর পরই পরিস্থিতি পরিদর্শনের জন্য কাস্টমসের একটি বিশেষ দল ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনা কবলিত কাভার্ডভ্যানটিকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে কাঁচপুর থানায় সুরক্ষিত হেফাজতে রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগের দিন থেকেই চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের তত্ত্বাবধানে বন্দর থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ বিপজ্জনক রাসায়নিকের কনটেইনার অপসারণের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল।