ঢাকা ০৫:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ঢাকা শহরে প্ল্যান ছাড়া বানানো ভবনগুলো শনাক্ত করছি: গণপূর্তমন্ত্রী Logo মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা হবে নির্মোহ ও নির্ভুল: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী Logo নতুন করে কেউ আ.লীগ হতে চাইলে পরিণতি হাসিনার মতোই হবে: রাশেদ প্রধান Logo বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় আর আবেদন নয়, চূড়ান্ত যাচাইয়ে বাদ পড়বেন অ-মুক্তিযোদ্ধারা Logo প্রতি বছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি Logo সরকারকে ঝামেলায় ফেলতে ‘পতিত দোসরদের’ নাশকতার চেষ্টা: রিজভী Logo কুবি ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ব্যতিক্রমী উদ্যোক্তা মেলা Logo পাবিপ্রবির সেন্ট্রাল ক্যাফেটারিয়ার খাবারে মিলল কেড়া পোকা, ক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা Logo প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন গোবিপ্রবির ১০ শিক্ষার্থী  Logo লন্ডনের সমাবেশ থেকে অবিলম্বে মেজর আখতারুজ্জামানের মুক্তি দাবি

আট মাস পর উৎপাদনে ফিরল যমুনা সার কারখানা

ডেস্ক রিপোর্ট: দীর্ঘ আট মাস বন্ধ থাকার পর অবশেষে উৎপাদনে ফিরেছে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত যমুনা সার কারখানা। তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে গত আট মাস ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ শিল্পপ্রতিষ্ঠানটির যাবতীয় কার্যক্রম পুরোপুরি স্থগিত ছিল। সম্প্রতি তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ কারখানাটিতে পুনরায় গ্যাস সংযোগ প্রদান করলে কর্তৃপক্ষ উৎপাদনের প্রস্তুতি শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার ভোরে কারখানাটিতে ইউরিয়া সার উৎপাদন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়, যা স্থানীয় কৃষি খাতের জন্য একটি স্বস্তিদায়ক খবর।

কারখানার উৎপাদন শাখার বিভাগীয় প্রধান ফজলুল হক রতন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান যে গ্যাস সরবরাহের ঘাটতির কারণেই মূলত দীর্ঘদিন উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছিল। গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ লাইন চালুর পর প্রকৌশলী ও কারিগরি দল কারখানা সচল করার প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু করে। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে মঙ্গলবার ভোরে কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন শুরু করতে সক্ষম হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কারখানার প্রশাসনিক মহাব্যবস্থাপক দেলোয়ার হোসেন বিস্তারিত জানিয়ে বলেন যে প্লান্টটি নিরবচ্ছিন্নভাবে সচল রাখতে দৈনিক ৪২ পিএসআই গ্যাস চাপের প্রয়োজন হয়। অতীতে গ্যাসের চাপ কমে ২৬ থেকে ২৭ পিএসআইয়ে নেমে যাওয়ায় উৎপাদন টিকিয়ে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। তবে সম্প্রতি গ্যাসের চাপ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ৩৮ থেকে ৩৯ পিএসআইয়ে পৌঁছানোর পর অ্যামোনিয়া ও ইউরিয়া উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালের পহেলা জুলাই বাণিজ্যিকভাবে দানাদার ইউরিয়া উৎপাদনে যাত্রা শুরু করেছিল বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প সংস্থার (বিসিআইসি) অধীনস্থ এই প্রতিষ্ঠানটি। কারখানাটির মূল নকশা অনুযায়ী দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদনের ক্ষমতা রয়েছে। তবে প্লান্টটি বেশ পুরনো হওয়ায় বর্তমান পরিস্থিতিতে শতভাগ উৎপাদন অর্জন সম্ভব না হলেও কর্তৃপক্ষ প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৩৫০ মেট্রিক টন সার উৎপাদনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

জনপ্রিয়

ঢাকা শহরে প্ল্যান ছাড়া বানানো ভবনগুলো শনাক্ত করছি: গণপূর্তমন্ত্রী

আট মাস পর উৎপাদনে ফিরল যমুনা সার কারখানা

প্রকাশিত ০১:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট: দীর্ঘ আট মাস বন্ধ থাকার পর অবশেষে উৎপাদনে ফিরেছে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত যমুনা সার কারখানা। তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে গত আট মাস ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ শিল্পপ্রতিষ্ঠানটির যাবতীয় কার্যক্রম পুরোপুরি স্থগিত ছিল। সম্প্রতি তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ কারখানাটিতে পুনরায় গ্যাস সংযোগ প্রদান করলে কর্তৃপক্ষ উৎপাদনের প্রস্তুতি শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার ভোরে কারখানাটিতে ইউরিয়া সার উৎপাদন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়, যা স্থানীয় কৃষি খাতের জন্য একটি স্বস্তিদায়ক খবর।

কারখানার উৎপাদন শাখার বিভাগীয় প্রধান ফজলুল হক রতন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান যে গ্যাস সরবরাহের ঘাটতির কারণেই মূলত দীর্ঘদিন উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছিল। গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ লাইন চালুর পর প্রকৌশলী ও কারিগরি দল কারখানা সচল করার প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু করে। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে মঙ্গলবার ভোরে কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন শুরু করতে সক্ষম হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কারখানার প্রশাসনিক মহাব্যবস্থাপক দেলোয়ার হোসেন বিস্তারিত জানিয়ে বলেন যে প্লান্টটি নিরবচ্ছিন্নভাবে সচল রাখতে দৈনিক ৪২ পিএসআই গ্যাস চাপের প্রয়োজন হয়। অতীতে গ্যাসের চাপ কমে ২৬ থেকে ২৭ পিএসআইয়ে নেমে যাওয়ায় উৎপাদন টিকিয়ে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। তবে সম্প্রতি গ্যাসের চাপ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ৩৮ থেকে ৩৯ পিএসআইয়ে পৌঁছানোর পর অ্যামোনিয়া ও ইউরিয়া উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালের পহেলা জুলাই বাণিজ্যিকভাবে দানাদার ইউরিয়া উৎপাদনে যাত্রা শুরু করেছিল বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প সংস্থার (বিসিআইসি) অধীনস্থ এই প্রতিষ্ঠানটি। কারখানাটির মূল নকশা অনুযায়ী দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদনের ক্ষমতা রয়েছে। তবে প্লান্টটি বেশ পুরনো হওয়ায় বর্তমান পরিস্থিতিতে শতভাগ উৎপাদন অর্জন সম্ভব না হলেও কর্তৃপক্ষ প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৩৫০ মেট্রিক টন সার উৎপাদনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।