ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আবরার ফাহাদ স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের চিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা Logo রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের অবস্থা: বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানে বড় লোকসান, লাভে বিএসইসি Logo সঞ্চয়পত্র বিক্রি বেড়েছে ৫৭% Logo কোনো ব্যক্তির অপকর্মের দায় দল নেবে না: হুইপ জি কে গউছ Logo রংপুরের উন্নয়নে ১৮শ কোটি টাকা বরাদ্দ, প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিএনপির র‍্যালি Logo বিবিএসের প্রতিবেদন: খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়াল ৭.২২%, আরও বাড়ার শঙ্কা Logo ধর্ম, বর্ণ ও পরিচয় অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে বাধা হবে না: প্রধানমন্ত্রী Logo জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের উপদেষ্টা হলেন সুফিউর রহমান Logo বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করতে জার্মান রাষ্ট্রদূতের অঙ্গীকার Logo ক্যানসার চিকিৎসা সহজলভ্য করতে ১৭টি নতুন রেডিওথেরাপি মেশিন যুক্ত হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করতে জার্মান রাষ্ট্রদূতের অঙ্গীকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা এফটিএ দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়ে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ। সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়ে তিনি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। এ সময় জার্মান রাষ্ট্রদূত নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান এবং সামনের দিনগুলোতে পারস্পরিক অংশীদারত্ব নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকের আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যকার বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার বিষয়টি অগ্রাধিকার পায়। রাষ্ট্রদূত লোটজ উল্লেখ করেন যে, বর্তমান নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অনুকূল ব্যবসায়িক পরিবেশের কারণে বাংলাদেশের প্রতি জার্মান বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। তাই অর্থনৈতিক সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদি রূপ দিতে বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত চূড়ান্ত করার বিকল্প নেই বলে তিনি মনে করেন।

প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বাংলাদেশের সামগ্রিক আর্থসামাজিক অগ্রগতিতে দীর্ঘ সময় ধরে জার্মানির অব্যাহত সহায়তা ও অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি শুধু বাণিজ্য খাতেই নয়, বরং শিক্ষা বিস্তার, যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় জার্মান সরকারের আরও জোরালো ভূমিকা প্রত্যাশা করেন। এছাড়া সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং অভিবাসন ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতেও সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।

আলোচনার শেষ পর্যায়ে উভয় দেশের প্রতিনিধিরা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা ভূরাজনৈতিক বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। বৈশ্বিক বিভিন্ন ফোরামে পারস্পরিক সহযোগিতা বজায় রাখার অঙ্গীকারের পাশাপাশি তারা আশা প্রকাশ করেন যে, নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের এই গতিশীলতা ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে।

জনপ্রিয়

আবরার ফাহাদ স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের চিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা

বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করতে জার্মান রাষ্ট্রদূতের অঙ্গীকার

প্রকাশিত ১২:৩০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা এফটিএ দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়ে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ। সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়ে তিনি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। এ সময় জার্মান রাষ্ট্রদূত নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান এবং সামনের দিনগুলোতে পারস্পরিক অংশীদারত্ব নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকের আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যকার বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার বিষয়টি অগ্রাধিকার পায়। রাষ্ট্রদূত লোটজ উল্লেখ করেন যে, বর্তমান নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অনুকূল ব্যবসায়িক পরিবেশের কারণে বাংলাদেশের প্রতি জার্মান বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। তাই অর্থনৈতিক সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদি রূপ দিতে বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত চূড়ান্ত করার বিকল্প নেই বলে তিনি মনে করেন।

প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বাংলাদেশের সামগ্রিক আর্থসামাজিক অগ্রগতিতে দীর্ঘ সময় ধরে জার্মানির অব্যাহত সহায়তা ও অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি শুধু বাণিজ্য খাতেই নয়, বরং শিক্ষা বিস্তার, যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় জার্মান সরকারের আরও জোরালো ভূমিকা প্রত্যাশা করেন। এছাড়া সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং অভিবাসন ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতেও সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।

আলোচনার শেষ পর্যায়ে উভয় দেশের প্রতিনিধিরা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা ভূরাজনৈতিক বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। বৈশ্বিক বিভিন্ন ফোরামে পারস্পরিক সহযোগিতা বজায় রাখার অঙ্গীকারের পাশাপাশি তারা আশা প্রকাশ করেন যে, নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের এই গতিশীলতা ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে।