ঢাকা ০৯:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo পত্রিকা: ‘প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে নিরাপত্তাসহ একগুচ্ছ বার্তা নিয়ে দিল্লিতে ত্রিবেদী’ Logo চাকরির শুরুতে ৩০ হাজার টাকার বেশি বেতন, আবেদন করা যাবে যেসব চাকরিতে Logo ৪ বছরে দরিদ্র মানুষ বেড়েছে ৮০ লাখ, ঝুঁকিতে সোয়া ৬ কোটি মানুষ Logo প্রথমবার নিরপেক্ষ ভেন্যুতে টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ, সবচেয়ে বেশি খেলেছে কারা Logo অর্থনৈতিক সমীক্ষা ছাড়াই বিমান কেনার ধুম Logo হুথি ইস্যুতে সৌদির পাশে থাকার ঘোষণা সিরিয়ার Logo মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলার পথ খুঁজছেন ট্রাম্প Logo নেদারল্যান্ডস উচ্চশিক্ষায় দিচ্ছে স্কলারশিপ, আবেদন যেভাবে Logo বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ১ হাজার কোটি টাকার ঋণ, সর্বোচ্চ ১০ লাখ যেভাবে পাবেন Logo কেসি কলেজে ছাত্রদল-শিবিরের উত্তেজনা, শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ

বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ১ হাজার কোটি টাকার ঋণ, সর্বোচ্চ ১০ লাখ যেভাবে পাবেন

অর্থনীতি ডেস্ক: বিদেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে গমনকারী বাংলাদেশিদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ভাষা শিক্ষায় সহায়তার জন্য এক হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ প্রি-ফাইন্যান্স স্কিম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে পরিচালিত এই তহবিল থেকে বিদেশগামী কর্মীরা কোনো ধরনের জামানত ছাড়াই সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। মূলত দক্ষ কর্মী তৈরির মাধ্যমে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বেগবান করার লক্ষ্যেই এই যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, সম্পূর্ণ তহবিলটি ২০০ কোটি টাকা করে মোট পাঁচটি সমান কিস্তিতে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংককে প্রদান করা হবে। আগের কিস্তির অর্থ যথাযথভাবে খরচ হয়েছে কি না তা যাচাই করার পরই কেবল পরবর্তী কিস্তির অর্থ ছাড় করা হবে। এই ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ শতাংশ এবং এর প্রাথমিক মেয়াদ তিন বছর, যেখানে ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ডও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে প্রয়োজন সাপেক্ষে এই ঋণের মেয়াদ বাড়িয়ে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত করা যাবে।

এই বিশেষ ঋণের আওতায় প্রার্থীরা বিদেশ যাওয়ার আগে কিংবা দেশটিতে পৌঁছানোর পর ভাষা ও কাজের দক্ষতার প্রশিক্ষণের টিউশন ফি পরিশোধ করতে পারবেন। এছাড়া নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে থাকা ও খাওয়ার খরচও এই ঋণের মাধ্যমেই মেটানো সম্ভব হবে, তবে যাতায়াতের জন্য বিমানের টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে এই অর্থ ব্যবহার করা যাবে না। কেবল বৈধ উপায়ে কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যেতে ইচ্ছুক নাগরিকরাই এই সুবিধার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন, তবে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে বিদেশগামী শিক্ষার্থীরা এই ঋণের আওতাভুক্ত নন।

ঋণ পাওয়ার প্রক্রিয়ায় কোনো জটিলতা এড়াতে প্রার্থীর বৈধ পাসপোর্ট, ভিসা, যোগ্যতার সনদ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের অফার লেটার জমা দিতে হবে। সম্পূর্ণ আবেদন প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল করা হয়েছে, ফলে ঘরে বসেই প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন এবং অনলাইনে এর অগ্রগতি ট্র্যাক করতে পারবেন। ইতোমধ্যে এই কর্মসূচির আওতায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মীকে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে এবং অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে দুই স্তরের কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা বজায় রাখা হয়েছে।

জনপ্রিয়

পত্রিকা: ‘প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে নিরাপত্তাসহ একগুচ্ছ বার্তা নিয়ে দিল্লিতে ত্রিবেদী’

বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ১ হাজার কোটি টাকার ঋণ, সর্বোচ্চ ১০ লাখ যেভাবে পাবেন

প্রকাশিত ০৭:১৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: বিদেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে গমনকারী বাংলাদেশিদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ভাষা শিক্ষায় সহায়তার জন্য এক হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ প্রি-ফাইন্যান্স স্কিম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে পরিচালিত এই তহবিল থেকে বিদেশগামী কর্মীরা কোনো ধরনের জামানত ছাড়াই সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। মূলত দক্ষ কর্মী তৈরির মাধ্যমে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বেগবান করার লক্ষ্যেই এই যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, সম্পূর্ণ তহবিলটি ২০০ কোটি টাকা করে মোট পাঁচটি সমান কিস্তিতে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংককে প্রদান করা হবে। আগের কিস্তির অর্থ যথাযথভাবে খরচ হয়েছে কি না তা যাচাই করার পরই কেবল পরবর্তী কিস্তির অর্থ ছাড় করা হবে। এই ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ শতাংশ এবং এর প্রাথমিক মেয়াদ তিন বছর, যেখানে ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ডও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে প্রয়োজন সাপেক্ষে এই ঋণের মেয়াদ বাড়িয়ে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত করা যাবে।

এই বিশেষ ঋণের আওতায় প্রার্থীরা বিদেশ যাওয়ার আগে কিংবা দেশটিতে পৌঁছানোর পর ভাষা ও কাজের দক্ষতার প্রশিক্ষণের টিউশন ফি পরিশোধ করতে পারবেন। এছাড়া নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে থাকা ও খাওয়ার খরচও এই ঋণের মাধ্যমেই মেটানো সম্ভব হবে, তবে যাতায়াতের জন্য বিমানের টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে এই অর্থ ব্যবহার করা যাবে না। কেবল বৈধ উপায়ে কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যেতে ইচ্ছুক নাগরিকরাই এই সুবিধার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন, তবে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে বিদেশগামী শিক্ষার্থীরা এই ঋণের আওতাভুক্ত নন।

ঋণ পাওয়ার প্রক্রিয়ায় কোনো জটিলতা এড়াতে প্রার্থীর বৈধ পাসপোর্ট, ভিসা, যোগ্যতার সনদ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের অফার লেটার জমা দিতে হবে। সম্পূর্ণ আবেদন প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল করা হয়েছে, ফলে ঘরে বসেই প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন এবং অনলাইনে এর অগ্রগতি ট্র্যাক করতে পারবেন। ইতোমধ্যে এই কর্মসূচির আওতায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মীকে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে এবং অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে দুই স্তরের কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা বজায় রাখা হয়েছে।