ঢাকা ০৪:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

‘বাল্যবিয়ে রোধে জুমার প্রাক-খুতবায় কথা বলা দরকার’

জাতীয় ডেস্ক: সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জুমার নামাজের প্রাক-খুতবায় বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য ইমামদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। নেত্রকোণায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মো. সুজন আহমেদ চৌধুরী সম্প্রতি এক আলাপচারিতায় এই কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাল্যবিয়ের মতো গুরুতর সামাজিক ব্যাধি দূর করতে মসজিদের খুতবা একটি অত্যন্ত কার্যকর মাধ্যম হতে পারে।

তিনি জানান, বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সম্পর্কে মুসল্লিদের সচেতন করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে ইমামদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। বাল্যবিয়েও একটি অন্যতম বড় সামাজিক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত এবং এর বিরুদ্ধে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। মসজিদের মতো জনবহুল স্থানে এই বিষয়ে আলোচনা করা হলে সমাজের সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতার বার্তা সহজে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়।

উপ-পরিচালক আরও যোগ করেন যে, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সরকারের নির্ধারিত বিয়ের বয়স কঠোরভাবে মেনে চলা প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নানা ধরনের সামাজিক জটিলতা থেকে রক্ষা করা যায়। ধর্মীয় ও সামাজিক প্ল্যাটফর্মগুলোকে কাজে লাগিয়ে সচেতনতা তৈরি করলে এই কুপ্রথা সমাজ থেকে দ্রুত নির্মূল করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

মূলত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাল্যবিয়ের হার কমিয়ে আনতে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। ইমামদের মাধ্যমে বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবহিত করলে জনমত আরও সুসংহত হবে। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের এই ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মারুবেনি করপোরেশনের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

‘বাল্যবিয়ে রোধে জুমার প্রাক-খুতবায় কথা বলা দরকার’

প্রকাশিত ০১:৫২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জুমার নামাজের প্রাক-খুতবায় বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য ইমামদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। নেত্রকোণায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মো. সুজন আহমেদ চৌধুরী সম্প্রতি এক আলাপচারিতায় এই কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাল্যবিয়ের মতো গুরুতর সামাজিক ব্যাধি দূর করতে মসজিদের খুতবা একটি অত্যন্ত কার্যকর মাধ্যম হতে পারে।

তিনি জানান, বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সম্পর্কে মুসল্লিদের সচেতন করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে ইমামদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। বাল্যবিয়েও একটি অন্যতম বড় সামাজিক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত এবং এর বিরুদ্ধে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। মসজিদের মতো জনবহুল স্থানে এই বিষয়ে আলোচনা করা হলে সমাজের সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতার বার্তা সহজে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়।

উপ-পরিচালক আরও যোগ করেন যে, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সরকারের নির্ধারিত বিয়ের বয়স কঠোরভাবে মেনে চলা প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নানা ধরনের সামাজিক জটিলতা থেকে রক্ষা করা যায়। ধর্মীয় ও সামাজিক প্ল্যাটফর্মগুলোকে কাজে লাগিয়ে সচেতনতা তৈরি করলে এই কুপ্রথা সমাজ থেকে দ্রুত নির্মূল করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

মূলত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাল্যবিয়ের হার কমিয়ে আনতে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। ইমামদের মাধ্যমে বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবহিত করলে জনমত আরও সুসংহত হবে। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের এই ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।