ঢাকা ০৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

‘বাল্যবিয়ে নির্মূলে দরকার কৌশলগত পরিকল্পনা’

জাতীয় ডেস্ক: বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে শুধুমাত্র প্রচারণার ওপর নির্ভর না করে সুনির্দিষ্ট কৌশলগত পরিকল্পনা তৈরি করে তা বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কামালউদ্দিন আহমদ। হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মতামত ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাল্যবিয়ে রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হলে সরকারকে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষকে এ বিষয়ে এমনভাবে বোঝাতে হবে যাতে তারা বুঝতে পারে যে বাল্যবিয়ে প্রকৃতপক্ষেই ক্ষতিকর। শুধু উচ্চস্বরে এর বিরুদ্ধে কথা বললে মানুষ বিষয়টিকে অন্যভাবে দেখতে পারে, তাই বুদ্ধিমত্তা ও কৌশলের সঙ্গে কাজ করা জরুরি। তার মতে, ধাপে ধাপে বাল্যবিয়ে মুক্ত এলাকা তৈরি করার মাধ্যমে এই সামাজিক সমস্যা দূর করা সম্ভব।

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তুলে ধরে তিনি জানান যে প্রথমে গ্রামভিত্তিক, পরবর্তীতে ইউনিয়নভিত্তিক এবং এরপর জেলাভিত্তিক এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। এভাবে সুপরিকল্পিতভাবে এগিয়ে গেলে এক সময় দেশ থেকে বাল্যবিয়ে সম্পূর্ণ নির্মূল করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বাল্যবিয়ে নির্মূল করার এই প্রক্রিয়া সফল করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিকল্পনাগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সহজতর হবে।

জনপ্রিয়

পাঁচ মামলায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী এনামুরের জামিন স্থগিত

‘বাল্যবিয়ে নির্মূলে দরকার কৌশলগত পরিকল্পনা’

প্রকাশিত ০৩:০৭:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে শুধুমাত্র প্রচারণার ওপর নির্ভর না করে সুনির্দিষ্ট কৌশলগত পরিকল্পনা তৈরি করে তা বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কামালউদ্দিন আহমদ। হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মতামত ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাল্যবিয়ে রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হলে সরকারকে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষকে এ বিষয়ে এমনভাবে বোঝাতে হবে যাতে তারা বুঝতে পারে যে বাল্যবিয়ে প্রকৃতপক্ষেই ক্ষতিকর। শুধু উচ্চস্বরে এর বিরুদ্ধে কথা বললে মানুষ বিষয়টিকে অন্যভাবে দেখতে পারে, তাই বুদ্ধিমত্তা ও কৌশলের সঙ্গে কাজ করা জরুরি। তার মতে, ধাপে ধাপে বাল্যবিয়ে মুক্ত এলাকা তৈরি করার মাধ্যমে এই সামাজিক সমস্যা দূর করা সম্ভব।

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তুলে ধরে তিনি জানান যে প্রথমে গ্রামভিত্তিক, পরবর্তীতে ইউনিয়নভিত্তিক এবং এরপর জেলাভিত্তিক এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। এভাবে সুপরিকল্পিতভাবে এগিয়ে গেলে এক সময় দেশ থেকে বাল্যবিয়ে সম্পূর্ণ নির্মূল করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বাল্যবিয়ে নির্মূল করার এই প্রক্রিয়া সফল করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিকল্পনাগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সহজতর হবে।