জাতীয় ডেস্ক: একটি শান্তিপূর্ণ ও বৈষম্যহীন পৃথিবী বিনির্মাণে মহাত্মা গান্ধীর অহিংসার আদর্শ অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ও অনুকরণীয় বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানী। তিনি উল্লেখ করেন যে, বৈশ্বিক শান্তি, সম্প্রীতি এবং মানবিক মূল্যবোধ বাড়াতে অহিংসা চর্চার বিকল্প নেই। সহনশীলতা বজায় রেখে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সংলাপের মাধ্যমেই কেবল যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তি করা সম্ভব।
রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান। মহাত্মা গান্ধীর ১৫৭তম জন্মবার্ষিকী ও আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে এই সভার আয়োজন করা হয়। মন্ত্রী বলেন, গান্ধী আজীবন শান্তি, সম্প্রীতি এবং একটি অসাম্প্রদায়িক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগ্রাম পরিচালনা করেছিলেন।
অনুষ্ঠানে সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে মহাত্মা গান্ধীর আদর্শের প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরে একটি বিশেষ বক্তব্য উপস্থাপন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং বাংলাদেশ ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা হামিদুল মিসবাহ। তিনি জানান, গান্ধীর বর্ণিল জীবন ও কর্ম থেকে আমাদের এই শিক্ষা নেওয়া উচিত যে, বলপ্রয়োগ না করে আলোচনার পথ বেছে নেওয়া জরুরি।
গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের চেয়ারম্যান জীবন কানাই দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই স্মরণসভায় আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সেখানে অন্যান্যের মধ্যে সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন কুমার বাধে অংশ নেন। বক্তারা সমাজে বিরাজমান সহিংসতা, বিদ্বেষ ও বিভেদ দূর করতে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান।




































