ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক, সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোয় গুরুত্ব Logo চকবাজার মার্কেটের আগুন ব্যাগের গুদাম থেকে: ডিএসসিসি প্রশাসক Logo নারীদের উন্নয়নে যোগাযোগের সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ ববি হাজ্জাজের Logo সচিব হলেন ৩ নারী হাই কমিশনার ও রাষ্ট্রদূত Logo আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাংকের শর্ত ধাপে ধাপে পূরণ করতে চায় সরকার Logo রিয়াদগামী ফ্লাইট বাতিল: ‘বিকল্প বিমানবন্দরে’ খরচের ধাক্কায় প্রবাসীরা Logo কবি নজরুল কলেজে বাংলা বিভাগের উদ্যোগে ‘শরৎ উৎসব ও নবীন বরণ’ অনুষ্ঠিত Logo জাবিতে ‘ধ্বনি’র প্রতিষ্ঠার ৩ দশক উপলক্ষে ‘ত্রিংশ’ অনুষ্ঠিত Logo পাবিপ্রবির লেকে ১৪টি পাতি সরালি হাঁস অবমুক্ত করল পাখিপ্রেমীরা Logo নভেম্বরে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর তোড়জোড়

দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১০ হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন

জাতীয় ডেস্ক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে প্রায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। সম্প্রতি বিজিবি সদর দপ্তরের অপারেশন পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান এই নিরাপত্তা পরিকল্পনা গণমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেন। পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত এই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে সক্রিয় থাকবে। উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদযাপনের জন্যই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হবে। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ এবং পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করে কাজ করবে বিজিবি। সম্ভাব্য সব ধরনের ঝুঁকি আগে থেকেই চিহ্নিত করে গুজব ও সাম্প্রদায়িক উসকানি রোধে বিশেষ সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সীমান্তবর্তী এলাকার পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন সদরের নিকটবর্তী অঞ্চল মিলিয়ে মোট দুই হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপে বিজিবি সদস্যরা নিরাপত্তা সহায়তা প্রদান করবেন। দেশের দূরবর্তী ও দুর্গম অঞ্চলগুলোতে দ্রুত টহল ও জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক অস্থায়ী ক্যাম্পও স্থাপন করা হয়েছে। রাজধানীতে বিজিবি মোতায়েনের সুনির্দিষ্ট পরিধি সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাহিদার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে প্রস্তুত রয়েছে বাহিনীটি।

সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয় যে দুর্গাপূজা বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক উজ্জ্বল ঐতিহ্য। সনাতন ধর্মাবলম্বী নাগরিকেরা যাতে অত্যন্ত নিরাপদে, নির্বিঘ্নে ও আনন্দঘন পরিবেশে তাদের উৎসব সম্পন্ন করতে পারেন, সে বিষয়ে বিজিবি সর্বাত্মক সহায়তা দেবে। দেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনা অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং জননিরাপত্তা বজায় রাখতে এই বাহিনী সদা তৎপর রয়েছে।

জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক, সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোয় গুরুত্ব

দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১০ হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন

প্রকাশিত ১১:০৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে প্রায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। সম্প্রতি বিজিবি সদর দপ্তরের অপারেশন পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান এই নিরাপত্তা পরিকল্পনা গণমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেন। পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত এই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে সক্রিয় থাকবে। উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদযাপনের জন্যই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হবে। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ এবং পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করে কাজ করবে বিজিবি। সম্ভাব্য সব ধরনের ঝুঁকি আগে থেকেই চিহ্নিত করে গুজব ও সাম্প্রদায়িক উসকানি রোধে বিশেষ সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সীমান্তবর্তী এলাকার পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন সদরের নিকটবর্তী অঞ্চল মিলিয়ে মোট দুই হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপে বিজিবি সদস্যরা নিরাপত্তা সহায়তা প্রদান করবেন। দেশের দূরবর্তী ও দুর্গম অঞ্চলগুলোতে দ্রুত টহল ও জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক অস্থায়ী ক্যাম্পও স্থাপন করা হয়েছে। রাজধানীতে বিজিবি মোতায়েনের সুনির্দিষ্ট পরিধি সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাহিদার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে প্রস্তুত রয়েছে বাহিনীটি।

সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয় যে দুর্গাপূজা বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক উজ্জ্বল ঐতিহ্য। সনাতন ধর্মাবলম্বী নাগরিকেরা যাতে অত্যন্ত নিরাপদে, নির্বিঘ্নে ও আনন্দঘন পরিবেশে তাদের উৎসব সম্পন্ন করতে পারেন, সে বিষয়ে বিজিবি সর্বাত্মক সহায়তা দেবে। দেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনা অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং জননিরাপত্তা বজায় রাখতে এই বাহিনী সদা তৎপর রয়েছে।