ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo প্রজনন স্বাস্থ্যে নতুন প্রযুক্তির সূচনায় হাত মেলাল গুগল ও ফ্লো Logo ফারজানা রুপার পক্ষে লড়তে চান ২ ব্রিটিশ আইনজীবী Logo অস্ট্রেলিয়ায় ইতিহাস গড়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে সোবহানা-নিগারের লাফ Logo ওয়েলসে মিলল রোমান দুর্গ: সত্যি ছিল সম্রাটের ঘাঁটির উপাখ্যান Logo বিরোধী দল না এলেও সংবিধান সংশোধন করতে হবে: সালাহউদ্দিন Logo হেনস্তার ঘটনার পর এখন কেমন আছেন ড. ইউনূস, জানালেন সফরসঙ্গী Logo ঢাকা-কুমিল্লা ‘এলিভেটেড কর্ডলাইন’ হচ্ছে, সময় কমবে ২ ঘণ্টা: উপদেষ্টা জাহেদ Logo ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ ভবন থেকে বের করে আনা হলো চুয়েট উপাচার্যকে Logo রূপকথার ডাইনিরা কেন ঝাড়ুতে চড়ে উড়ে বেড়ায়? Logo অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে অভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনা

৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ ভবন থেকে বের করে আনা হলো চুয়েট উপাচার্যকে

ক্যাম্পাস ডেস্ক: প্রায় ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর প্রশাসনের সহায়তায় চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। ১৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ক্যাম্পাসে গিয়ে তাঁকে এই অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধার করেন। নতুন উপাচার্য ভবনে অবরুদ্ধ থাকা অবস্থায় তাঁর সঙ্গে আরও ১০ জন আটকা পড়েছিলেন। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দেওয়া শর্ত সাপেক্ষে তাঁকে নিরাপদে ক্যাম্পাস থেকে বের করে আনা হয়।

উপাচার্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, তিনি আর কখনো এই ক্যাম্পাসে ফিরে আসবেন না—এমন শর্তে তাঁকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তবে পূর্বের উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীরা কমপ্লিট শাটডাউন এবং শিক্ষক-কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করে আসছিলেন। এর ফলে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি বিভিন্ন বাধার মুখে পড়েন এবং শেষ পর্যন্ত উপাচার্য ভবনে অবরুদ্ধ হন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৩ অক্টোবর বিকেলে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উপস্থিত হন। জেলা প্রশাসক গণমাধ্যমকে জানান, উপাচার্য অসুস্থ হওয়ায় এবং তাঁর সরকারি নিয়োগ থাকায় তাঁর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের একটি অংশের সঙ্গে আলোচনার পর তারা পরিস্থিতি বুঝতে পারে এবং শান্তিপূর্ণভাবে বিষয়টি সমাধান হয়। পরে সিভিল সার্জনসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশ করে উপাচার্য ও অন্যদের অ্যাম্বুলেন্সে করে নিরাপদে সরিয়ে নেন।

পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম গণমাধ্যমকে জানান, শিক্ষার্থীরা বিষয়টি পরিপক্বভাবে অনুধাবন করেছে এবং একজন নাগরিক হিসেবে তাঁর চিকিৎসার অধিকার রয়েছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরবর্তী বিষয়গুলো নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে প্রশাসন জানায়। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে চলা দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা ও উত্তেজনার অবসান ঘটানোর চেষ্টা চলছে।

জনপ্রিয়

প্রজনন স্বাস্থ্যে নতুন প্রযুক্তির সূচনায় হাত মেলাল গুগল ও ফ্লো

৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ ভবন থেকে বের করে আনা হলো চুয়েট উপাচার্যকে

প্রকাশিত ০৭:৫২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

ক্যাম্পাস ডেস্ক: প্রায় ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর প্রশাসনের সহায়তায় চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। ১৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ক্যাম্পাসে গিয়ে তাঁকে এই অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধার করেন। নতুন উপাচার্য ভবনে অবরুদ্ধ থাকা অবস্থায় তাঁর সঙ্গে আরও ১০ জন আটকা পড়েছিলেন। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দেওয়া শর্ত সাপেক্ষে তাঁকে নিরাপদে ক্যাম্পাস থেকে বের করে আনা হয়।

উপাচার্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, তিনি আর কখনো এই ক্যাম্পাসে ফিরে আসবেন না—এমন শর্তে তাঁকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তবে পূর্বের উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীরা কমপ্লিট শাটডাউন এবং শিক্ষক-কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করে আসছিলেন। এর ফলে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি বিভিন্ন বাধার মুখে পড়েন এবং শেষ পর্যন্ত উপাচার্য ভবনে অবরুদ্ধ হন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৩ অক্টোবর বিকেলে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উপস্থিত হন। জেলা প্রশাসক গণমাধ্যমকে জানান, উপাচার্য অসুস্থ হওয়ায় এবং তাঁর সরকারি নিয়োগ থাকায় তাঁর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের একটি অংশের সঙ্গে আলোচনার পর তারা পরিস্থিতি বুঝতে পারে এবং শান্তিপূর্ণভাবে বিষয়টি সমাধান হয়। পরে সিভিল সার্জনসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশ করে উপাচার্য ও অন্যদের অ্যাম্বুলেন্সে করে নিরাপদে সরিয়ে নেন।

পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম গণমাধ্যমকে জানান, শিক্ষার্থীরা বিষয়টি পরিপক্বভাবে অনুধাবন করেছে এবং একজন নাগরিক হিসেবে তাঁর চিকিৎসার অধিকার রয়েছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরবর্তী বিষয়গুলো নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে প্রশাসন জানায়। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে চলা দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা ও উত্তেজনার অবসান ঘটানোর চেষ্টা চলছে।