ঢাকা ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo অ্যান কারসন এর প্রবন্ধ: যেখানে শেষ সেখানেই এখন এর শুরু Logo রাত জেগে গুগলে পুরুষরা সবচেয়ে বেশি খোঁজেন যে ৫ বিষয় Logo চুয়েট: আগের উপাচার্যকে পুনবর্হালের দাবিতে অনড় শিক্ষার্থী-শিক্ষকরা Logo হলান্ডের রেকর্ড ছাপিয়ে সিটির মাঠে পিএসজির জয়োল্লাস Logo চড়-থাপ্পড় মারার ভিডিও ফেইসবুকে, দুই জনই কারাগারে Logo বিশেষ শর্তে পূর্বাচল-ঝিলমিলে ফার এ ছাড় দিয়ে ফের ড্যাপ সংশোধন Logo তৃতীয় এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের চীনা প্রস্তাবে সায় মেলেনি Logo স্বামীকে ভুলে ‘আমার প্রেসিডেন্ট’ বললেন হোয়াইট হাউজের নতুন প্রেস সেক্রেটারি Logo দক্ষিণ এশিয়ার পর্যটন পুরস্কারে বাংলাদেশের ২২ স্বীকৃতি Logo পূবালী ব্যাংক ও মাস্টারকার্ডের অফশোর ডেবিট কার্ড চালু

চুয়েট: আগের উপাচার্যকে পুনবর্হালের দাবিতে অনড় শিক্ষার্থী-শিক্ষকরা

ক্যাম্পাস ডেস্ক: চট্টগ্রাম প্রকৌশල ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনরায় উপাচার্য হিসেবে বহাল করার দাবিতে নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা। দীর্ঘ সময় প্রশাসনিক ভবনে অবরুদ্ধ থাকার পর জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারের সহায়তায় গত সম্প্রতি রাতে ক্যাম্পাস ত্যাগ করেছিলেন বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। তবে উপাচার্য পুনরায় ক্যাম্পাসে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। চলমান সংকট নিরসনে শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকেও কর্মবিরতি ও সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি দুপুরে চুয়েট শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয় যেখানে বর্তমান উপাচার্যের ক্যাম্পাসে ফেরার বক্তব্যের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য না করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক সামিউন বাসির জানিয়েছেন, আগামী শুক্রবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পূজার ছুটি শুরু হচ্ছে এবং এর মধ্যেই সরকার এই দাবির সুরাহা করবে বলে তারা আশা করছেন। অন্যদিকে, শিক্ষার্থীরাও তাদের পূর্বঘোষিত ‘শাটডাউন’ ও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন।

উপাচার্যের ক্যাম্পাস ত্যাগ ও পরবর্তী বক্তব্য নিয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একটি সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি পাঠানো হয়েছে। বিবৃতিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, মানবিক কারণে এবং জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে তাকে নিরাপদে হাসপাতাল যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তারা আরও দাবি করেন, নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে তাকে ক্যাম্পাস ছাড়তে দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি পুনরায় ক্যাম্পাসে ফেরার চেষ্টা করলে আন্দোলন আরও কঠোর করা হবে। এই পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমের ভিডিও এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবৃতির মাধ্যমে প্রকৃত সত্য যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের এই কঠোর অবস্থানের ফলে ক্যাম্পাসে নতুন করে অসন্তোষ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। আন্দোলনকারীদের একটૂই দাবি, অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে যেন দ্রুত এই পদে পুনর্বহাল করা হয়। সংঘাত এড়িয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান করবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন চয়েটের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

জনপ্রিয়

অ্যান কারসন এর প্রবন্ধ: যেখানে শেষ সেখানেই এখন এর শুরু

চুয়েট: আগের উপাচার্যকে পুনবর্হালের দাবিতে অনড় শিক্ষার্থী-শিক্ষকরা

প্রকাশিত ০৩:৩৭:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

ক্যাম্পাস ডেস্ক: চট্টগ্রাম প্রকৌশල ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনরায় উপাচার্য হিসেবে বহাল করার দাবিতে নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা। দীর্ঘ সময় প্রশাসনিক ভবনে অবরুদ্ধ থাকার পর জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারের সহায়তায় গত সম্প্রতি রাতে ক্যাম্পাস ত্যাগ করেছিলেন বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। তবে উপাচার্য পুনরায় ক্যাম্পাসে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। চলমান সংকট নিরসনে শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকেও কর্মবিরতি ও সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি দুপুরে চুয়েট শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয় যেখানে বর্তমান উপাচার্যের ক্যাম্পাসে ফেরার বক্তব্যের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য না করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক সামিউন বাসির জানিয়েছেন, আগামী শুক্রবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পূজার ছুটি শুরু হচ্ছে এবং এর মধ্যেই সরকার এই দাবির সুরাহা করবে বলে তারা আশা করছেন। অন্যদিকে, শিক্ষার্থীরাও তাদের পূর্বঘোষিত ‘শাটডাউন’ ও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন।

উপাচার্যের ক্যাম্পাস ত্যাগ ও পরবর্তী বক্তব্য নিয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একটি সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি পাঠানো হয়েছে। বিবৃতিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, মানবিক কারণে এবং জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে তাকে নিরাপদে হাসপাতাল যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তারা আরও দাবি করেন, নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে তাকে ক্যাম্পাস ছাড়তে দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি পুনরায় ক্যাম্পাসে ফেরার চেষ্টা করলে আন্দোলন আরও কঠোর করা হবে। এই পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমের ভিডিও এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবৃতির মাধ্যমে প্রকৃত সত্য যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের এই কঠোর অবস্থানের ফলে ক্যাম্পাসে নতুন করে অসন্তোষ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। আন্দোলনকারীদের একটૂই দাবি, অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে যেন দ্রুত এই পদে পুনর্বহাল করা হয়। সংঘাত এড়িয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান করবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন চয়েটের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।