ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার ‘দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ’: রবিউল

জাতীয় ডেস্ক: আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে একটি কার্যকর সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করতে বর্তমান সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ রয়েছে। রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা দিবস ২০২৬-এর গোলটেবিল বৈঠকে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। ব্র্যাকের রোড সেইফটি প্রোগ্রাম ও রোড সেইফটি কোয়ালিশন বাংলাদেশ যৌথভাবে এই বিশেষ সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে মন্ত্রী জানান, দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে নিরাপদ করতে হেলমেটের মান হালনাগাদ করা এবং গতিসীমা কার্যকরের মতো নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। এছাড়া মহাসড়কে নিরাপদ অবকাঠামো তৈরি, আন্ডারপাস নির্মাণ এবং দুর্ঘটনার পর দ্রুত চিকিৎসাব্যবস্থা শক্তিশালী করার কাজ চলছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপদে রাস্তা পারাপার নিয়ন্ত্রণ ও সঠিক ডেটা ব্যবস্থাপনার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। অতীতে বিভিন্ন সংস্থা কাজ করলেও সমন্বয়ের অভাবে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জিত হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা তুলে ধরে ব্র্যাকের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা দেশের সড়ক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়গুলো আলোচনা করেন। শুধু নির্দিষ্ট কোনো দিবসে সীমাবদ্ধ না থেকে সারা বছরজুড়ে সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে কাজ করার ওপর জোর দেওয়া হয়। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী এবং পরিবহন খাতের মালিক-শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

জাতি হিসেবে নিজেদের নিরাপদ রাখার মানসিকতা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী। ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার অর্ধেকে নামিয়ে আনার আন্তর্জাতিক ও জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই। ‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এই বৈঠকে দেশের সার্বিক সড়ক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

জনপ্রিয়

স্পেসএক্সের স্টারশিল্ড কতটা আলাদা স্টারলিংক থেকে?

সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার ‘দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ’: রবিউল

প্রকাশিত ০২:২২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে একটি কার্যকর সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করতে বর্তমান সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ রয়েছে। রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা দিবস ২০২৬-এর গোলটেবিল বৈঠকে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। ব্র্যাকের রোড সেইফটি প্রোগ্রাম ও রোড সেইফটি কোয়ালিশন বাংলাদেশ যৌথভাবে এই বিশেষ সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে মন্ত্রী জানান, দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে নিরাপদ করতে হেলমেটের মান হালনাগাদ করা এবং গতিসীমা কার্যকরের মতো নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। এছাড়া মহাসড়কে নিরাপদ অবকাঠামো তৈরি, আন্ডারপাস নির্মাণ এবং দুর্ঘটনার পর দ্রুত চিকিৎসাব্যবস্থা শক্তিশালী করার কাজ চলছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপদে রাস্তা পারাপার নিয়ন্ত্রণ ও সঠিক ডেটা ব্যবস্থাপনার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। অতীতে বিভিন্ন সংস্থা কাজ করলেও সমন্বয়ের অভাবে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জিত হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা তুলে ধরে ব্র্যাকের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা দেশের সড়ক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়গুলো আলোচনা করেন। শুধু নির্দিষ্ট কোনো দিবসে সীমাবদ্ধ না থেকে সারা বছরজুড়ে সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে কাজ করার ওপর জোর দেওয়া হয়। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী এবং পরিবহন খাতের মালিক-শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

জাতি হিসেবে নিজেদের নিরাপদ রাখার মানসিকতা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী। ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার অর্ধেকে নামিয়ে আনার আন্তর্জাতিক ও জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই। ‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এই বৈঠকে দেশের সার্বিক সড়ক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।