ঢাকা ০১:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo দেশ ‘উগ্র ডানপন্থার ট্রেনে’ উঠে গেছে: মাহফুজ Logo সিআইসিএ সম্মেলন: ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্য বর্জন করল বাংলাদেশ Logo বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশের এক ধাপ উন্নতি, ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে Logo হেনস্তার পর নিরাপত্তা পেলেন ইউনূস, যুক্তরাষ্ট্রকে ব্যবস্থা নিতে বলল বাংলাদেশ Logo কুড়িগ্রামে বিএনপির কমিটিতে শিক্ষক-ব্যাংকারসহ ৬ সরকারি চাকরিজীবী Logo গ্রামীণফোনের এআই বুটক্যাম্প Logo ৪৫তম বিসিএস: শনিবারের মধ্যে সিদ্ধান্ত চান গেজেটে বাদ পড়া প্রার্থীরা Logo ওয়ালটন হাই-টেকে ১৮০% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা Logo চিংড়ি রপ্তানিতে পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর Logo শিক্ষার্থী ভিসায় প্রতারণা, নাটকীয়ভাবে বেড়েছে আবেদন বাতিলের হার

হেনস্তার পর নিরাপত্তা পেলেন ইউনূস, যুক্তরাষ্ট্রকে ব্যবস্থা নিতে বলল বাংলাদেশ

রাজনীতি ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস হেনস্তার শিকার হয়েছেন। বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক কর্মী তার পথরোধ করে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং তাকে উত্ত্যক্ত করেন। ওই সময় তার সঙ্গে ছিলেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ। অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

বিমানবন্দরের এই ঘটনার পর মুহাম্মদ ইউনূসকে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি অঙ্গরাজ্যে পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে বিশেষ প্রটোকল ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোজাম্মেল হক নিজে গাড়ি চালিয়ে তাকে এবং তার সফরসঙ্গীকে গন্তব্যে পৌঁছে দেন। এছাড়া নিরাপত্তার অংশ হিসেবে কনস্যুলেটের ভাড়া করা নিরাপত্তাকর্মী ও প্রটোকল কর্মকর্তারা আরেকটি গাড়িতে সঙ্গে ছিলেন। কনসাল জেনারেল জানান, মুহাম্মদ ইউনূসের যুক্তরাষ্ট্র সফরের বিষয়টি আগে থেকে তাদের জানা ছিল না বলে বিমানবন্দরে কোনো অভ্যর্থনা প্রস্তুত রাখা সম্ভব হয়নি।

এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানানো হয় এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে। বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং নিউ ইয়র্ক কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় প্রশাসনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে। অপরাধীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য মার্কিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ মিশন। কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে নিউ ইয়র্কের অফিস অব ফরেন মিশন এবং ডিপ্লোম্যাটিক পুলিশের কাছে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ সরবরাহ করা হয়েছে।

মার্কিন স্থানীয় প্রশাসন সম্পূর্ণ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে এবং বাংলাদেশ মিশন তাদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। প্রবাসে দেশের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের নিরাপত্তা নিয়ে এই ঘটনা কূটনৈতিক মহলে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কূটনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

জনপ্রিয়

দেশ ‘উগ্র ডানপন্থার ট্রেনে’ উঠে গেছে: মাহফুজ

হেনস্তার পর নিরাপত্তা পেলেন ইউনূস, যুক্তরাষ্ট্রকে ব্যবস্থা নিতে বলল বাংলাদেশ

প্রকাশিত ১১:৫২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস হেনস্তার শিকার হয়েছেন। বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক কর্মী তার পথরোধ করে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং তাকে উত্ত্যক্ত করেন। ওই সময় তার সঙ্গে ছিলেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ। অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

বিমানবন্দরের এই ঘটনার পর মুহাম্মদ ইউনূসকে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি অঙ্গরাজ্যে পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে বিশেষ প্রটোকল ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোজাম্মেল হক নিজে গাড়ি চালিয়ে তাকে এবং তার সফরসঙ্গীকে গন্তব্যে পৌঁছে দেন। এছাড়া নিরাপত্তার অংশ হিসেবে কনস্যুলেটের ভাড়া করা নিরাপত্তাকর্মী ও প্রটোকল কর্মকর্তারা আরেকটি গাড়িতে সঙ্গে ছিলেন। কনসাল জেনারেল জানান, মুহাম্মদ ইউনূসের যুক্তরাষ্ট্র সফরের বিষয়টি আগে থেকে তাদের জানা ছিল না বলে বিমানবন্দরে কোনো অভ্যর্থনা প্রস্তুত রাখা সম্ভব হয়নি।

এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানানো হয় এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে। বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং নিউ ইয়র্ক কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় প্রশাসনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে। অপরাধীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য মার্কিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ মিশন। কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে নিউ ইয়র্কের অফিস অব ফরেন মিশন এবং ডিপ্লোম্যাটিক পুলিশের কাছে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ সরবরাহ করা হয়েছে।

মার্কিন স্থানীয় প্রশাসন সম্পূর্ণ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে এবং বাংলাদেশ মিশন তাদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। প্রবাসে দেশের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের নিরাপত্তা নিয়ে এই ঘটনা কূটনৈতিক মহলে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কূটনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।