ঢাকা ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মেসি-পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার দুই ম্যাচের প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত Logo বনানীতে সৃষ্টির রূপকথায় সেজেছে ‘জলজ’ Logo প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা: ‘নিশ্চিন্তে দুর্গাপূজা উদযাপন করুন’ Logo প্রতিদ্বন্দ্বী তুরস্কের বাজারেও আশা জাগাচ্ছে বাংলাদেশের পোশাক Logo চুয়েট: অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা করলেন উপাচার্য, ১৫ সদস্যের নয় জনই অনুপস্থিত Logo আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৩ লাখের বেশি সদস্য মণ্ডপের নিরাপত্তায়: আইজিপি Logo ডেঙ্গু ঝুঁকির আগাম সংকেত দেবে ঢাবি গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদ’ Logo ‘হাসিনা সরকারের পথেই বর্তমান সরকার হাঁটছে’ Logo নাসরীন জাহানের ‘ফিনিক্স তোমাকে মায়াবাসী’ বইয়ের প্রচ্ছদ উন্মোচন Logo দুর্গাপূজায় সম্প্রীতির বার্তা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা: ‘নিশ্চিন্তে দুর্গাপূজা উদযাপন করুন’

জাতীয় ডেস্ক: শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ ও বিশ্বের সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি এক ফেসবুক বার্তার মাধ্যমে তিনি এই শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান এই ধর্মীয় উৎসবের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করেন। তিনি দেশের হিন্দু সম্প্রদায়কে কোনো ধরনের শঙ্কা ছাড়া অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নিরাপদ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনের আহ্বান জানান।

বার্তায় সরকারপ্রধান উল্লেখ করেন যে, অসংখ্য প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্ট শাসনের অবসানের পর দেশ এখন নতুন করে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে চলেছে। দল, মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি নিরাপদ, মানবিক এবং কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন যে, ধর্ম যার যার, কিন্তু রাষ্ট্র ও নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।

দেবী দুর্গার মর্ত্যে আগমন এবং অশুভ শক্তির বিনাশের কথা স্মরণ করে তিনি জানান যে, এই আরাধনা দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে আরও মহিমান্বিত করে তুলেছে। দেশের সকল সম্প্রদায়ের মানুষ নিজ নিজ ধর্ম উৎসবমুখর পরিবেশে পালন করবে এবং এটিই এ দেশের আবহমানকালের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মূল সৌন্দর্য। পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের মধ্য দিয়েই সমাজের নানা বৈচিত্র্য প্রকাশ পায় বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

মানবতার কল্যাণ এবং সাম্য প্রতিষ্ঠাকে সকল ধর্মের মূল উপজীব্য হিসেবে উল্লেখ করে তিনি শান্তির পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মানুষের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতা প্রদর্শন করে সমাজের শান্তি রক্ষা করা সবার দায়িত্ব বলে তিনি মনে করেন। উল্লেখ্য, শুক্রবার মন্দিরে কল্পারম্ভ ও বিহিত পূজার মধ্য দিয়ে এবারের দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে এবং বুধবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে এর সমাপ্তি ঘটবে।

জনপ্রিয়

মেসি-পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার দুই ম্যাচের প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত

প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা: ‘নিশ্চিন্তে দুর্গাপূজা উদযাপন করুন’

প্রকাশিত ০২:০৭:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ ও বিশ্বের সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি এক ফেসবুক বার্তার মাধ্যমে তিনি এই শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান এই ধর্মীয় উৎসবের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করেন। তিনি দেশের হিন্দু সম্প্রদায়কে কোনো ধরনের শঙ্কা ছাড়া অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নিরাপদ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনের আহ্বান জানান।

বার্তায় সরকারপ্রধান উল্লেখ করেন যে, অসংখ্য প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্ট শাসনের অবসানের পর দেশ এখন নতুন করে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে চলেছে। দল, মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি নিরাপদ, মানবিক এবং কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন যে, ধর্ম যার যার, কিন্তু রাষ্ট্র ও নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।

দেবী দুর্গার মর্ত্যে আগমন এবং অশুভ শক্তির বিনাশের কথা স্মরণ করে তিনি জানান যে, এই আরাধনা দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে আরও মহিমান্বিত করে তুলেছে। দেশের সকল সম্প্রদায়ের মানুষ নিজ নিজ ধর্ম উৎসবমুখর পরিবেশে পালন করবে এবং এটিই এ দেশের আবহমানকালের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মূল সৌন্দর্য। পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের মধ্য দিয়েই সমাজের নানা বৈচিত্র্য প্রকাশ পায় বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

মানবতার কল্যাণ এবং সাম্য প্রতিষ্ঠাকে সকল ধর্মের মূল উপজীব্য হিসেবে উল্লেখ করে তিনি শান্তির পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মানুষের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতা প্রদর্শন করে সমাজের শান্তি রক্ষা করা সবার দায়িত্ব বলে তিনি মনে করেন। উল্লেখ্য, শুক্রবার মন্দিরে কল্পারম্ভ ও বিহিত পূজার মধ্য দিয়ে এবারের দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে এবং বুধবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে এর সমাপ্তি ঘটবে।