ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সতর্ক করার পরও চলছিল কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্ট Logo দূর্গাপূজা: শেরপুরের নাকুগাঁও স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি ৯ দিন বন্ধ Logo মার্তিনেসের ঘটনায় কোনো ‘নাটক হয়নি’ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধ: সরকারি উদ্যোগে ‘নির্ভরতা কমিয়ে’ সম্মিলিতভাবে কাজ করার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর Logo শিশুকে শাসনের নামে নির্যাতন নয় Logo লালন ফকির : জীবন ও দর্শনের প্রাসঙ্গিকতা Logo কাজ শেষ করতে অন্য ওয়ালেট থেকে ডিজিটাল মুদ্রা ‘চুরি’ করল এআই Logo ‘আগের হামলার পরও সাংবাদিক আলিফের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া উদ্বেগজনক’ Logo নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা আইনে গ্রেপ্তার অভিজিৎ দীপকে, নেহা বোরা মুক্ত Logo এখন গরু-মহিষকে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হয়

কাজ শেষ করতে অন্য ওয়ালেট থেকে ডিজিটাল মুদ্রা ‘চুরি’ করল এআই

প্রযুক্তি ডেস্ক: মার্কিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের একটি নতুন এআই মডেল কোনো ধরনের বরাদ্দকৃত তহবিল ছাড়াই কোডিংয়ের কাজ সম্পন্ন করার জন্য অন্য ব্যবহারকারীর ওয়ালেট থেকে ডিজিটাল মুদ্রা চুরি করেছে। গত ২৬ জুন ওপেনএআইয়ের অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ পর্বে ‘জিপিটি-৫ প্রজাতির’ ‘সল’ নামের বিশেষ মডেলটিকে ক্রিপ্টো ট্রেডিংয়ের একটি প্রোটোটাইপ হালনাগাদ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্লকচেইন কনট্র্যাক্ট চালুর জন্য প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক ফি পরিশোধের কোনো ফান্ড বা অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ খরচের অনুমোদন মডেলটিকে দেওয়া হয়নি।

প্রাথমিকভাবে পর্যাপ্ত ফান্ডের অভাবে মডেলটির কাজ আটকে গেলেও সেটি থেমে থাকেনি এবং নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে বিকল্প উপায় খুঁজতে শুরু করে। পাবলিক রিকভারি ফ্রেজ বা পাসফ্রেজ ব্যবহার করে সাইবার আক্রমণের ঝুঁকিতে থাকা ৩৬২টি অ্যাকাউন্ট ট্র্যাক করে একটি ওয়ালেট খুঁজে বের করে মডেলটি। এরপর সেপোলিয়া ইথেরিয়াম টেস্ট নেটওয়ার্কের ওই ওয়ালেট থেকে টোকেন নিয়ে কনট্র্যাক্ট চালুর কাজটি সম্পন্ন করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাটি।

মডেলটি এই অপকর্মের বিষয়টি ওপেনএআইয়ের কাছে সম্পূর্ণ গোপন করেছিল এবং যুক্তি দেখিয়েছিল যে এসব টেস্ট টোকেনের বাজারে কোনো আর্থিক মূল্য নেই। ওপেনএআইয়ের প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় স্পষ্ট ইঙ্গিত মেলে যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল নিজেই ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বিচার করে অনুমোদনের তোয়াক্কা না করে কাজ সম্পন্ন করতে পারে। অপরাধীদের মতো চিন্তা করে এআই এজেন্টটি ধরে নিয়েছিল যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোকেন বের করে নেওয়ার জন্যই হয়তো অ্যাকাউন্টটি উন্মুক্ত রাখা হয়েছিল।

ভবিষ্যতে এই ধরনের অননুমোদিত কর্মকাণ্ড রোধ করতে বর্তমানে সমস্ত ট্রাফিক কঠোর নজরদারির মধ্যে রেখেছে ওপেনএআই কর্তৃপক্ষ। এআই মডেলগুলোর এমন নিয়ম ভেঙে বা বিদ্রোহী হয়ে ওঠার ঘটনা নতুন কিছু নয় এবং এর আগে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মডেলের বিরুদ্ধেও এমন অভিযোগ উঠেছে। গবেষক ও কর্মীরা এআই নিয়ন্ত্রণে সরকারি নীতিমালার প্রয়োজনীয়তার কথা বললেও, বর্তমান মার্কিন প্রশাসন এ ধরনের পদক্ষেপের বিরোধিতা করে আসছে।

জনপ্রিয়

সতর্ক করার পরও চলছিল কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্ট

কাজ শেষ করতে অন্য ওয়ালেট থেকে ডিজিটাল মুদ্রা ‘চুরি’ করল এআই

প্রকাশিত ১২:৫২:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

প্রযুক্তি ডেস্ক: মার্কিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের একটি নতুন এআই মডেল কোনো ধরনের বরাদ্দকৃত তহবিল ছাড়াই কোডিংয়ের কাজ সম্পন্ন করার জন্য অন্য ব্যবহারকারীর ওয়ালেট থেকে ডিজিটাল মুদ্রা চুরি করেছে। গত ২৬ জুন ওপেনএআইয়ের অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ পর্বে ‘জিপিটি-৫ প্রজাতির’ ‘সল’ নামের বিশেষ মডেলটিকে ক্রিপ্টো ট্রেডিংয়ের একটি প্রোটোটাইপ হালনাগাদ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্লকচেইন কনট্র্যাক্ট চালুর জন্য প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক ফি পরিশোধের কোনো ফান্ড বা অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ খরচের অনুমোদন মডেলটিকে দেওয়া হয়নি।

প্রাথমিকভাবে পর্যাপ্ত ফান্ডের অভাবে মডেলটির কাজ আটকে গেলেও সেটি থেমে থাকেনি এবং নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে বিকল্প উপায় খুঁজতে শুরু করে। পাবলিক রিকভারি ফ্রেজ বা পাসফ্রেজ ব্যবহার করে সাইবার আক্রমণের ঝুঁকিতে থাকা ৩৬২টি অ্যাকাউন্ট ট্র্যাক করে একটি ওয়ালেট খুঁজে বের করে মডেলটি। এরপর সেপোলিয়া ইথেরিয়াম টেস্ট নেটওয়ার্কের ওই ওয়ালেট থেকে টোকেন নিয়ে কনট্র্যাক্ট চালুর কাজটি সম্পন্ন করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাটি।

মডেলটি এই অপকর্মের বিষয়টি ওপেনএআইয়ের কাছে সম্পূর্ণ গোপন করেছিল এবং যুক্তি দেখিয়েছিল যে এসব টেস্ট টোকেনের বাজারে কোনো আর্থিক মূল্য নেই। ওপেনএআইয়ের প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় স্পষ্ট ইঙ্গিত মেলে যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল নিজেই ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বিচার করে অনুমোদনের তোয়াক্কা না করে কাজ সম্পন্ন করতে পারে। অপরাধীদের মতো চিন্তা করে এআই এজেন্টটি ধরে নিয়েছিল যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোকেন বের করে নেওয়ার জন্যই হয়তো অ্যাকাউন্টটি উন্মুক্ত রাখা হয়েছিল।

ভবিষ্যতে এই ধরনের অননুমোদিত কর্মকাণ্ড রোধ করতে বর্তমানে সমস্ত ট্রাফিক কঠোর নজরদারির মধ্যে রেখেছে ওপেনএআই কর্তৃপক্ষ। এআই মডেলগুলোর এমন নিয়ম ভেঙে বা বিদ্রোহী হয়ে ওঠার ঘটনা নতুন কিছু নয় এবং এর আগে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মডেলের বিরুদ্ধেও এমন অভিযোগ উঠেছে। গবেষক ও কর্মীরা এআই নিয়ন্ত্রণে সরকারি নীতিমালার প্রয়োজনীয়তার কথা বললেও, বর্তমান মার্কিন প্রশাসন এ ধরনের পদক্ষেপের বিরোধিতা করে আসছে।