ঢাকা ০৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo অর্থ সঞ্চয়ের জন্য উপকারী হতে পারে ‘অর্থ বন্ধু’ Logo জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে কেমন একাদশ নিয়ে নামছে বাংলাদেশ Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম দেখতে আজিমপুর-ধানমন্ডিতে প্রধানমন্ত্রী Logo আখাউড়ায় মন্দিরে চুরি, পণ্য উদ্ধার করে বুঝিয়ে দিলো পুলিশ Logo তৌফিক ভাইয়ের স্মরণে Logo বঙ্গভঙ্গ দিবসে বিএনপির কর্মসূচি না থাকায় জেডিপির ক্ষোভ Logo সতর্ক করার পরও চলছিল কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্ট Logo দূর্গাপূজা শেরপুর স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি ৯ দিন বন্ধ Logo মার্তিনেসের ঘটনায় কোনো ‘নাটক হয়নি’ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধ: সরকারি উদ্যোগে ‘নির্ভরতা কমিয়ে’ সম্মিলিতভাবে কাজ করার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

বঙ্গভঙ্গ দিবসে বিএনপির কর্মসূচি না থাকায় জেডিপির ক্ষোভ

রাজনীতি ডেস্ক: ১২১তম বঙ্গভঙ্গ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় ও দলীয় পর্যায়ে কোনো কর্মসূচি পালন না করায় বিএনপির সমালোচনা করেছে জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি পার্টি (জেডিপি)। দলটির আহ্বায়ক নাঈম আহমাদ মন্তব্য করেছেন যে, বঙ্গভঙ্গ দিবসে বিএনপির নীরবতা ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিচর্চার প্রতি চরম উদাসীনতার বহিঃপ্রকাশ। সম্প্রতি রাজধানীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই অভিযোগ উত্থাপন করেন। জেডিপির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা এই সভার আয়োজন করে।

নাঈম আহমাদ বলেন, বঙ্গভঙ্গ বাংলাদেশের স্বতন্ত্র রাজনৈতিক আত্মপরিচয় ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ঐতিহাসিক বিকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বিএনপি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে তাদের রাজনৈতিক আদর্শের প্রধান ভিত্তি হিসেবে দাবি করলেও, এই পটভূমি অনুধাবনের ক্ষেত্রে বঙ্গভঙ্গ দিবসকে স্মরণ না করা হতাশাজনক। তিনি ১৯০৫ সালের ঘটনাকে কেবল প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস না ভেবে পূর্ববাংলার মানুষের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের নতুন দিগন্তের সূচনা হিসেবে দেখার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় বক্তারা বঙ্গভঙ্গের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে জানান যে, তৎকালীন পূর্ববাংলা ও আসাম নিয়ে গঠিত প্রদেশে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিলেন এবং ঢাকাকে রাজধানী করার মাধ্যমে এই অঞ্চলের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছিল। সে সময় অবহেলিত মুসলিম সমাজ ও দলিত হিন্দুদের একটি বড় অংশ বৈষম্য দূর করার সম্ভাবনায় বঙ্গভঙ্গের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। বঙ্গভঙ্গ রদের অভিজ্ঞতা এবং পরবর্তী রাজনৈতিক মেরুকরণ মুসলমানদের পৃথক রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তাভাবনাকে প্রভাবিত করেছিল বলে তারা উল্লেখ করেন।

জেডিপির নেতারা আরও বলেন, বঙ্গভঙ্গ রদ না করা হলে হয়তো ১৯৪০-এর দশকেই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ একটি স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটতে পারত। তৎকালীন প্রভাবশালী মহলের বাধার কারণে সেই ঐতিহাসিক সম্ভাবনা নস্যাৎ হয়েছিল বলে তারা মত প্রকাশ করেন। ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার মাহতাব হোসেন সাব্বিরের সঞ্চালনায় সভায় দলের অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারাও বক্তব্য রাখেন।

জনপ্রিয়

অর্থ সঞ্চয়ের জন্য উপকারী হতে পারে ‘অর্থ বন্ধু’

বঙ্গভঙ্গ দিবসে বিএনপির কর্মসূচি না থাকায় জেডিপির ক্ষোভ

প্রকাশিত ০২:৩৭:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: ১২১তম বঙ্গভঙ্গ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় ও দলীয় পর্যায়ে কোনো কর্মসূচি পালন না করায় বিএনপির সমালোচনা করেছে জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি পার্টি (জেডিপি)। দলটির আহ্বায়ক নাঈম আহমাদ মন্তব্য করেছেন যে, বঙ্গভঙ্গ দিবসে বিএনপির নীরবতা ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিচর্চার প্রতি চরম উদাসীনতার বহিঃপ্রকাশ। সম্প্রতি রাজধানীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই অভিযোগ উত্থাপন করেন। জেডিপির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা এই সভার আয়োজন করে।

নাঈম আহমাদ বলেন, বঙ্গভঙ্গ বাংলাদেশের স্বতন্ত্র রাজনৈতিক আত্মপরিচয় ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ঐতিহাসিক বিকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বিএনপি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে তাদের রাজনৈতিক আদর্শের প্রধান ভিত্তি হিসেবে দাবি করলেও, এই পটভূমি অনুধাবনের ক্ষেত্রে বঙ্গভঙ্গ দিবসকে স্মরণ না করা হতাশাজনক। তিনি ১৯০৫ সালের ঘটনাকে কেবল প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস না ভেবে পূর্ববাংলার মানুষের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের নতুন দিগন্তের সূচনা হিসেবে দেখার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় বক্তারা বঙ্গভঙ্গের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে জানান যে, তৎকালীন পূর্ববাংলা ও আসাম নিয়ে গঠিত প্রদেশে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিলেন এবং ঢাকাকে রাজধানী করার মাধ্যমে এই অঞ্চলের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছিল। সে সময় অবহেলিত মুসলিম সমাজ ও দলিত হিন্দুদের একটি বড় অংশ বৈষম্য দূর করার সম্ভাবনায় বঙ্গভঙ্গের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। বঙ্গভঙ্গ রদের অভিজ্ঞতা এবং পরবর্তী রাজনৈতিক মেরুকরণ মুসলমানদের পৃথক রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তাভাবনাকে প্রভাবিত করেছিল বলে তারা উল্লেখ করেন।

জেডিপির নেতারা আরও বলেন, বঙ্গভঙ্গ রদ না করা হলে হয়তো ১৯৪০-এর দশকেই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ একটি স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটতে পারত। তৎকালীন প্রভাবশালী মহলের বাধার কারণে সেই ঐতিহাসিক সম্ভাবনা নস্যাৎ হয়েছিল বলে তারা মত প্রকাশ করেন। ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার মাহতাব হোসেন সাব্বিরের সঞ্চালনায় সভায় দলের অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারাও বক্তব্য রাখেন।