ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

অভিজিৎ মুক্তি পেলেও সিজেপির ২ নেতা এখনো কারাবন্দি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের দিল্লির যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকার মুক্তির জন্য আবেদন করা হয়েছে। দলটির নিয়োজিত আইনজীবী দল জামিনদারদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে এই জামিনের আবেদন পেশ করেন। পুলিশ বর্তমানে এই জামিনদারদের দেওয়া সব তথ্য ও কাগজপত্র নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করছে বলে জানা গেছে। আদালতের তরফ থেকে এ বিষয়ে দ্রুতই একটি সিদ্ধান্ত আসার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

এর আগে গত ১৮ অক্টোবর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে সৌরভ ও আশুতোষ শান্তি রক্ষার মুচলেকার শর্ত ভঙ্গ করেছেন এবং যন্তর মন্তরে অনধিকার প্রবেশ করেছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের পাঁচ দিনের জন্য তিহার কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। মূলত দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকাটিকে সাম্প্রতিক সময়ে বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য নির্ধারিত স্থানগুলোর তালিকা থেকে সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে আটক হওয়া অজিঙ্কা শিন্ডেকে অবশ্য শান্তি রক্ষার একটি মুচলেকায় স্বাক্ষর করার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।

দিল্লি পুলিশের দাবি অনুযায়ী, বারবার নিয়ম অমান্য করা, জনশান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা এবং অন্যদের উসকে দেওয়ার আশঙ্কায় এই দুই নেতার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এরও আগে একটি বিক্ষোভের সময় আটক হওয়ার পর তারা এক বছর শান্তি বজায় রাখার শর্তে একটি মুচলেকায় স্বাক্ষর করেছিলেন। এদিকে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সরকারের পক্ষ থেকে ভিন্নমত দমনের তীব্র অভিযোগ তুলেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে প্রশ্ন তোলেন যে যন্তর মন্তরে তেরঙ্গা ওড়ানোর মতো কাজের জন্য তাদের কেন কারাগারে পাঠানো হলো।

উল্লেখ্য, গত ১৭ অক্টোবর নতুন একটি শান্তি রক্ষার মুচলেকায় স্বাক্ষর করার পর শর্তসাপেক্ষ জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পান দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। এর আগে কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে দলের নির্ধারিত ‘লেহরা দো তেরঙ্গা’ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার প্রাক্কালে ঝান্ডেওয়ালানের বাসা থেকে তাকে আটক করেছিল পুলিশ। রাজনৈতিক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট মহলে বেশ আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জনপ্রিয়

সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে বাহরাইনে চলছে প্রবাসীদের দুর্গোৎসব

অভিজিৎ মুক্তি পেলেও সিজেপির ২ নেতা এখনো কারাবন্দি

প্রকাশিত ০৯:৩৭:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের দিল্লির যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকার মুক্তির জন্য আবেদন করা হয়েছে। দলটির নিয়োজিত আইনজীবী দল জামিনদারদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে এই জামিনের আবেদন পেশ করেন। পুলিশ বর্তমানে এই জামিনদারদের দেওয়া সব তথ্য ও কাগজপত্র নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করছে বলে জানা গেছে। আদালতের তরফ থেকে এ বিষয়ে দ্রুতই একটি সিদ্ধান্ত আসার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

এর আগে গত ১৮ অক্টোবর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে সৌরভ ও আশুতোষ শান্তি রক্ষার মুচলেকার শর্ত ভঙ্গ করেছেন এবং যন্তর মন্তরে অনধিকার প্রবেশ করেছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের পাঁচ দিনের জন্য তিহার কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। মূলত দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকাটিকে সাম্প্রতিক সময়ে বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য নির্ধারিত স্থানগুলোর তালিকা থেকে সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে আটক হওয়া অজিঙ্কা শিন্ডেকে অবশ্য শান্তি রক্ষার একটি মুচলেকায় স্বাক্ষর করার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।

দিল্লি পুলিশের দাবি অনুযায়ী, বারবার নিয়ম অমান্য করা, জনশান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা এবং অন্যদের উসকে দেওয়ার আশঙ্কায় এই দুই নেতার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এরও আগে একটি বিক্ষোভের সময় আটক হওয়ার পর তারা এক বছর শান্তি বজায় রাখার শর্তে একটি মুচলেকায় স্বাক্ষর করেছিলেন। এদিকে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সরকারের পক্ষ থেকে ভিন্নমত দমনের তীব্র অভিযোগ তুলেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে প্রশ্ন তোলেন যে যন্তর মন্তরে তেরঙ্গা ওড়ানোর মতো কাজের জন্য তাদের কেন কারাগারে পাঠানো হলো।

উল্লেখ্য, গত ১৭ অক্টোবর নতুন একটি শান্তি রক্ষার মুচলেকায় স্বাক্ষর করার পর শর্তসাপেক্ষ জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পান দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। এর আগে কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে দলের নির্ধারিত ‘লেহরা দো তেরঙ্গা’ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার প্রাক্কালে ঝান্ডেওয়ালানের বাসা থেকে তাকে আটক করেছিল পুলিশ। রাজনৈতিক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট মহলে বেশ আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।