রাজনীতি ডেস্ক: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের উচিত যেকোনো সমালোচনাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে নিজের ভুলত্রুটি শুধরে নেওয়া। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাকের দৃঢ় ভূমিকার প্রশংসা করলেও আত্মরক্ষার জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র বের করার ঘটনা নিয়ে চলা আলোচনার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে বলেছেন তিনি।
পোস্টে ইশরাক হোসেনকে একজন তরুণ ও উদীয়মান নেতৃত্ব হিসেবে উল্লেখ করে তাঁর রাজনৈতিক সংগ্রামের কথা তুলে ধরা হয়। রাজপথে কঠোর লড়াইয়ের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের মন জয় করে তিনি এই অবস্থানে এসেছেন বলে জানান রাশেদ খাঁন। এছাড়া তিনি একজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে দেশের প্রতি ইশরাকের নিষ্ঠা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার মনোভাবের প্রশংসা করেন।
মাদকসেবীদের আক্রমণের আশঙ্কায় বৈধ অস্ত্র বের করার প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন জানান, মাদকের নেশায় বুঁদ হয়ে অপরাধীরা অনেক সময় জনপ্রতিনিধি বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের চিনতে পারে না। অতীতে গাজীপুরে মাদক কারবারিদের পাথর নিক্ষেপে পুলিশ আক্রান্ত হওয়া এবং আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার মতো ঘটনার উদাহরণও দেন তিনি। তবে এ ধরনের পরিস্থিতিতে আরও বেশি সতর্ক থাকার পাশাপাশি জনগণকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণের তাগিদ দিয়েছেন এই রাজনৈতিক সহকারী।
সমালোচনার জবাবে ইশরাক নিজেই বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন যে তিনি পুলিশকে খবর দিয়ে অপরাধীদের তাদের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। মাদক কারবারিরা যেন পালাতে না পারে, সেজন্য তিনি তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন বলেও জানান তিনি। দীর্ঘ ১৬ বছরে পুলিশ প্রশাসনের ভেতরে লুকিয়ে থাকা বিভিন্ন মহলের কারণে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে কিছুটা দুর্বলতা তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে মাদকের বিস্তার রোধে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও জনতাভিত্তিক প্রতিরোধের কোনো বিকল্প নেই বলে মত প্রকাশ করা হয়েছে। তরুণ এই প্রতিমন্ত্রীর কাজের স্বচ্ছতা ও সদিচ্ছার কথা উল্লেখ করে আশা প্রকাশ করা হয় যে তিনি জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে আরও বেশি মনোযোগী হবেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর এসব উদ্যোগ ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষের আরও বেশি প্রশংসা কুড়াবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।





































