ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে ইবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ

  • সাকীফ বিন আলম
  • প্রকাশিত ০৭:০১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫
  • ১৫৯ বার পঠিত

মাগুরারসহ দেশে সংঘটিত সকল ধর্ষণের ঘটনায় দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বিক্ষোভ মিছিল এবং মহাসড়ক অবরোধ করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

রোববার (৯মার্চ) বেলা ১২ টায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলটি বটতলা থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকের সামনে পৌঁছে এবং কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে।

বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা, ‘তুমি কে আমি কে আছিয়া আছিয়া’, ‘দড়ি লাগলে দড়ি নে, ধর্ষকদের ফাঁসি দে’,‘we want Justice, Justice for achia’, ’ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই, ধর্ষকদের ফাঁসি চাই’,একটা একটা ধর্ষক ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর, ‘ধর্ষকদের ঠিকানা এই বাংলায় হবে না’ ইত্যাদি শ্লোগান দেয়।

এরপরে তারা কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক আধা ঘন্টার জন্য অবরোধ করে রাখে। এসময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ধর্ষণ বিরোধী বক্তব্য প্রদান করে।

সহ-সমন্বয়ক সাদিয়া মাহমুদ মিম বলেন, “আমি যখন এখানে আসার জন্য রেডি হচ্ছিলাম তখন ভাবছিলাম, এরপরে কে? আই এম কাউন্টিং ফর মাই সেল্ফ। এর পরে কি আমি? নাকি আমার রুমমেট? আমার ফ্লোরমেট? নাকি আমার ছোট বোন? তার খবর শোনার জন্য আমি প্রস্তুত হচ্ছি। আমি চাই প্রতিটা ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেয়া হোক এবং সেটা জনসম্মুখে করা হোক।”

সমন্বয়ক এস. এম. সুইট বলেন, “ধর্ষণ বিরোধী মানববন্ধনের মাধ্যমে গতকাল আমরা যে কর্মসূচি শুরু করেছিলাম আজকে তা বিক্ষোভ মিছিল এবং পরবর্তীতে মহাসড়ক অবরোধ এর মাধ্যমে বেগবান হচ্ছে। মাগুরায় এবং লক্ষীপুরের রামগতি সহ সারাদেশে ধর্ষণের যে সকল ঘটনা ঘটছে আমরা দ্রুততম সময়ে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বলতে চাই ধর্ষণের মত বিষয়গুলোতে কুইক রেসপন্স করার মধ্যে দিয়ে সারাদেশে আমার বোনদের অসম্মানের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। আমার মা বোনের দিকে যে বা যারা নিপীড়নের দৃষ্টিতে দর্শনের দৃষ্টিতে চোখ তুলে তাকাবে বাংলার ছাত্রসমাজের দায়িত্ব সেই চোখ উপড়ে দেয়া।

তিনি আরো বলেন, “বিগত ১৬ বছর ধরে নানাভাবে ছাত্র জনতা হেনস্থার শিকার হয়ে আসছে। হেনস্থার শিকার হতে হতে যখন বিস্ফোরণ ঘটে তখন সরকার ব্যবস্থা নেয়। ধর্ষণের বিষয়ে বিস্ফোরণ ঘটার আগেই সরকারকে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমি জানতে চাই আমলা কারা? সচিব কারা? স্বরাষ্ট্রসচিবের পদত্যাগ চাই। কিভাবে নারীরা এখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে? এর জবাব চাই”

জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত রাজশাহী, চাওয়া কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে ইবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ

প্রকাশিত ০৭:০১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫

মাগুরারসহ দেশে সংঘটিত সকল ধর্ষণের ঘটনায় দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বিক্ষোভ মিছিল এবং মহাসড়ক অবরোধ করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

রোববার (৯মার্চ) বেলা ১২ টায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলটি বটতলা থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকের সামনে পৌঁছে এবং কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে।

বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা, ‘তুমি কে আমি কে আছিয়া আছিয়া’, ‘দড়ি লাগলে দড়ি নে, ধর্ষকদের ফাঁসি দে’,‘we want Justice, Justice for achia’, ’ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই, ধর্ষকদের ফাঁসি চাই’,একটা একটা ধর্ষক ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর, ‘ধর্ষকদের ঠিকানা এই বাংলায় হবে না’ ইত্যাদি শ্লোগান দেয়।

এরপরে তারা কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক আধা ঘন্টার জন্য অবরোধ করে রাখে। এসময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ধর্ষণ বিরোধী বক্তব্য প্রদান করে।

সহ-সমন্বয়ক সাদিয়া মাহমুদ মিম বলেন, “আমি যখন এখানে আসার জন্য রেডি হচ্ছিলাম তখন ভাবছিলাম, এরপরে কে? আই এম কাউন্টিং ফর মাই সেল্ফ। এর পরে কি আমি? নাকি আমার রুমমেট? আমার ফ্লোরমেট? নাকি আমার ছোট বোন? তার খবর শোনার জন্য আমি প্রস্তুত হচ্ছি। আমি চাই প্রতিটা ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেয়া হোক এবং সেটা জনসম্মুখে করা হোক।”

সমন্বয়ক এস. এম. সুইট বলেন, “ধর্ষণ বিরোধী মানববন্ধনের মাধ্যমে গতকাল আমরা যে কর্মসূচি শুরু করেছিলাম আজকে তা বিক্ষোভ মিছিল এবং পরবর্তীতে মহাসড়ক অবরোধ এর মাধ্যমে বেগবান হচ্ছে। মাগুরায় এবং লক্ষীপুরের রামগতি সহ সারাদেশে ধর্ষণের যে সকল ঘটনা ঘটছে আমরা দ্রুততম সময়ে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বলতে চাই ধর্ষণের মত বিষয়গুলোতে কুইক রেসপন্স করার মধ্যে দিয়ে সারাদেশে আমার বোনদের অসম্মানের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। আমার মা বোনের দিকে যে বা যারা নিপীড়নের দৃষ্টিতে দর্শনের দৃষ্টিতে চোখ তুলে তাকাবে বাংলার ছাত্রসমাজের দায়িত্ব সেই চোখ উপড়ে দেয়া।

তিনি আরো বলেন, “বিগত ১৬ বছর ধরে নানাভাবে ছাত্র জনতা হেনস্থার শিকার হয়ে আসছে। হেনস্থার শিকার হতে হতে যখন বিস্ফোরণ ঘটে তখন সরকার ব্যবস্থা নেয়। ধর্ষণের বিষয়ে বিস্ফোরণ ঘটার আগেই সরকারকে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমি জানতে চাই আমলা কারা? সচিব কারা? স্বরাষ্ট্রসচিবের পদত্যাগ চাই। কিভাবে নারীরা এখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে? এর জবাব চাই”