ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo জুলাই আন্দোলনে গোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের হুমকি দেয়া মনিরুলকে ভিসি দপ্তরে পদায়ন, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা Logo বাজারের হিসাব একটু সহজ করতে স্বপ্নের বিশেষ আয়োজন Logo স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ-এর নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন এনামুল হক Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির আহবায়ক আতিক হাসান শুভ, সদস্য সচিব স্মৃতি আক্তার Logo ১০,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার পর্যন্ত বিশাল ব্যাটারি নিয়ে বাংলাদেশে আসছে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ Logo তরুণদের ক্ষমতায়নে ১৫ জন ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর নিয়োগ দিলো অপো Logo দেশে লঞ্চ হলো ভিভো ভি৮০ লাইট ফাইভজি Logo কর্মীদের জন্য টানা তৃতীয়বারের মত মেটলাইফের বীমা নিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক Logo ডেটা সুরক্ষায় ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়তে রবি’র ‘প্রাইভেসি অ্যাভেঞ্জার্স’ প্রতিযোগিতার নিবন্ধন শুরু Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি স্নাতক ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের জরুরি বিজ্ঞপ্তি

দেশ পুনর্গঠনে কোনো বাধা মানবে না সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে তার সরকার কোনো বাধা মেনে নেবে না। জনগণের সমর্থন থাকলে বিএনপি দেশকে এগিয়ে নেওয়ার কাজে দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোরে ফ্যামিলি কার্ডধারী নারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এই দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই, সামনে এগিয়ে নিতে চাই। বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস জনগণ। যতদিন জনগণের সমর্থন বিএনপির সঙ্গে থাকবে, ততদিন কোনো বাধা আমাদের থামাতে পারবে না।’ দল-মত, ধর্ম ও শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সবার অংশগ্রহণে দেশকে এগিয়ে নেওয়াই সরকারের লক্ষ্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সভায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উপকারভোগীদের অভিজ্ঞতাও শোনেন প্রধানমন্ত্রী। পারুল আখতার নামে এক নারী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার পর তার সংসারের অভাব অনেকটাই কমেছে এবং তিনি এর সুফল পাচ্ছেন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ বোনদের কাছ থেকে শুনলাম, ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার পর তাদের সংসার পরিচালনায় কিছুটা হলেও স্বস্তি এসেছে। আমাদের লক্ষ্যই হচ্ছে দেশের মা-বোনদের জীবনমানের উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো।’

দেশের প্রতিটি নারীর হাতে ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে সরকারের পাশাপাশি জনগণের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নারী সমাজ যদি সরকারের পাশে থাকে, তাহলে আমরা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে পারব। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। নারীরা যেমন শিক্ষায় এগিয়ে যাবেন, তেমনি অর্থনৈতিকভাবেও আরও শক্তিশালী হবেন।’

সরকারের উন্নয়ন দর্শন তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘করব কাজ, গড়ব দেশ; সবার আগে বাংলাদেশ। সবার জন্য একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।’

ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ যুগ যুগ ধরে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছে। ভবিষ্যতেও কোনো ধরনের বিভেদ নয়, মানবিকতার ভিত্তিতে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই দেশ পুনর্গঠন করতে চায় সরকার।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। গৌরনদীর কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী বরিশাল নগরের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে সিটি করপোরেশন এলাকার ত্রিশ গোডাউন বধ্যভূমি-সংলগ্ন সাগরদী খালপাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

জুলাই আন্দোলনে গোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের হুমকি দেয়া মনিরুলকে ভিসি দপ্তরে পদায়ন, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

দেশ পুনর্গঠনে কোনো বাধা মানবে না সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত ০২:২০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে তার সরকার কোনো বাধা মেনে নেবে না। জনগণের সমর্থন থাকলে বিএনপি দেশকে এগিয়ে নেওয়ার কাজে দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোরে ফ্যামিলি কার্ডধারী নারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এই দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই, সামনে এগিয়ে নিতে চাই। বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস জনগণ। যতদিন জনগণের সমর্থন বিএনপির সঙ্গে থাকবে, ততদিন কোনো বাধা আমাদের থামাতে পারবে না।’ দল-মত, ধর্ম ও শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সবার অংশগ্রহণে দেশকে এগিয়ে নেওয়াই সরকারের লক্ষ্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সভায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উপকারভোগীদের অভিজ্ঞতাও শোনেন প্রধানমন্ত্রী। পারুল আখতার নামে এক নারী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার পর তার সংসারের অভাব অনেকটাই কমেছে এবং তিনি এর সুফল পাচ্ছেন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ বোনদের কাছ থেকে শুনলাম, ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার পর তাদের সংসার পরিচালনায় কিছুটা হলেও স্বস্তি এসেছে। আমাদের লক্ষ্যই হচ্ছে দেশের মা-বোনদের জীবনমানের উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো।’

দেশের প্রতিটি নারীর হাতে ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে সরকারের পাশাপাশি জনগণের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নারী সমাজ যদি সরকারের পাশে থাকে, তাহলে আমরা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে পারব। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। নারীরা যেমন শিক্ষায় এগিয়ে যাবেন, তেমনি অর্থনৈতিকভাবেও আরও শক্তিশালী হবেন।’

সরকারের উন্নয়ন দর্শন তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘করব কাজ, গড়ব দেশ; সবার আগে বাংলাদেশ। সবার জন্য একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।’

ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ যুগ যুগ ধরে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছে। ভবিষ্যতেও কোনো ধরনের বিভেদ নয়, মানবিকতার ভিত্তিতে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই দেশ পুনর্গঠন করতে চায় সরকার।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। গৌরনদীর কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী বরিশাল নগরের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে সিটি করপোরেশন এলাকার ত্রিশ গোডাউন বধ্যভূমি-সংলগ্ন সাগরদী খালপাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।