ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo তুরস্কে ব্যাপক বন্যা, স্কুল বন্ধের ঘোষণা Logo বাংলাদেশসহ ১১ দেশের মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে দিল্লিতে বৈঠক, যুক্ত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও Logo যুক্তরাজ্যে মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে হামলার ষড়যন্ত্রে ইরানের হাত আছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী Logo ৪৯তম বিসিএস: শিক্ষা ক্যাডারে ৬১১ জনকে নিয়োগ, প্রজ্ঞাপনে নেই উত্তীর্ণ ৫৭ জনের নাম Logo গিলের ডাবল সেঞ্চুরি, রান তাড়ার নতুন রেকর্ড ভারতের Logo চীনের ৭৭তম বার্ষিকীর প্রাক্কালে নবজাগরণের আহ্বান সির Logo হামের উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩৪৯ Logo ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক ইন্ডিয়া জোটের Logo ৪৩ কোটি টাকা লোপাট: পি কে হালদারসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা Logo ভিন্ন ঘটনা ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরের সফলতা আড়ালের চেষ্টা হয়েছে: রুমন

চীনের ৭৭তম বার্ষিকীর প্রাক্কালে নবজাগরণের আহ্বান সির

গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার বার্ষিকী উপলক্ষে বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে আয়োজিত এক জমকালো অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংসহ চীনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং দেশি-বিদেশি প্রায় আটশ বিশিষ্ট অতিথি উপস্থিত ছিলেন। মূলত জাতীয় দিবসের প্রাক্কালে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে চীনের সামগ্রিক অর্জন ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা তুলে ধরেন শীর্ষ এই নেতা।

বক্তব্যে চীনা জাতির মহান পুনর্জাগরণ কোনোভাবেই থামানো যাবে না বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সি চিন পিং। তিনি জানান, গত সাত দশকেরও বেশি সময়ে কমিউনিস্ট পার্টির দূরদর্শী নেতৃত্বে চীন অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে এবং দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতিতে যে দৃঢ় প্রাণশক্তি দেখা যাচ্ছে, তা আগামী দিনগুলোতেও বজায় রাখার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।

চলতি বছরের নির্ধারিত অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে অর্জন এবং উচ্চমানের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার আহ্বান জানান চীনা প্রেসিডেন্ট। একই সঙ্গে তিনি দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতির প্রসার এবং উন্নয়ন ও নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার কথা বলেন। এছাড়া ২০২৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদের পরবর্তী পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রস্তুতি এখনই শুরু করার তাগিদ দেন তিনি।

হংকং ও ম্যাকাওয়ের বিষয়ে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি কঠোরভাবে অনুসরণের ঘোষণা দিয়ে সি বলেন, এই অঞ্চলগুলোর দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি তাইওয়ান প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তির যেকোনো অপচেষ্টা এবং বাইরের হস্তক্ষেপ প্রতিহত করে জাতীয় পুনরেকত্রীকরণের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে। পরিশেষে, চীন তার স্বাধীন ও শান্তিপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি বজায় রেখে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় কাজ করে যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জনপ্রিয়

তুরস্কে ব্যাপক বন্যা, স্কুল বন্ধের ঘোষণা

চীনের ৭৭তম বার্ষিকীর প্রাক্কালে নবজাগরণের আহ্বান সির

প্রকাশিত ১১:০০:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার বার্ষিকী উপলক্ষে বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে আয়োজিত এক জমকালো অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংসহ চীনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং দেশি-বিদেশি প্রায় আটশ বিশিষ্ট অতিথি উপস্থিত ছিলেন। মূলত জাতীয় দিবসের প্রাক্কালে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে চীনের সামগ্রিক অর্জন ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা তুলে ধরেন শীর্ষ এই নেতা।

বক্তব্যে চীনা জাতির মহান পুনর্জাগরণ কোনোভাবেই থামানো যাবে না বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সি চিন পিং। তিনি জানান, গত সাত দশকেরও বেশি সময়ে কমিউনিস্ট পার্টির দূরদর্শী নেতৃত্বে চীন অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে এবং দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতিতে যে দৃঢ় প্রাণশক্তি দেখা যাচ্ছে, তা আগামী দিনগুলোতেও বজায় রাখার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।

চলতি বছরের নির্ধারিত অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে অর্জন এবং উচ্চমানের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার আহ্বান জানান চীনা প্রেসিডেন্ট। একই সঙ্গে তিনি দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতির প্রসার এবং উন্নয়ন ও নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার কথা বলেন। এছাড়া ২০২৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদের পরবর্তী পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রস্তুতি এখনই শুরু করার তাগিদ দেন তিনি।

হংকং ও ম্যাকাওয়ের বিষয়ে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি কঠোরভাবে অনুসরণের ঘোষণা দিয়ে সি বলেন, এই অঞ্চলগুলোর দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি তাইওয়ান প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তির যেকোনো অপচেষ্টা এবং বাইরের হস্তক্ষেপ প্রতিহত করে জাতীয় পুনরেকত্রীকরণের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে। পরিশেষে, চীন তার স্বাধীন ও শান্তিপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি বজায় রেখে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় কাজ করে যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।