দীর্ঘদিনের জটিলতা ও আন্দোলনের পর রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী সরকারি সাত কলেজকে একীভূত করে গঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি-র চূড়ান্ত অধ্যাদেশ উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদিত হওয়ায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছেন কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে কবি নজরুল সরকারি কলেজের মূল ফটকের সামনে থেকে আনন্দ মিছিলটি শুরু হয়ে কলেজ প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনারের সামনে এসে শেষ হয়।
এসময় আনন্দ মিছিলে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন, এই মুহূর্তে খবর এলো, ৪২ জন মারা গেলো, ঢাকেবির আধ্যাদেশ হলো । আমরা কারা সেন্ট্রাল, তোমরা কারা সেন্ট্রাল ইত্যাদি বলে স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।
আনন্দ মিছিলে কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মো. মনিরুজ্জামান মারুফ বলেন, অবশেষে বহু বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে আমাদের ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের বিজয় হয়েছে এবং দালালরা পরাজিত হয়েছে। আধ্যাদেশ পেয়ে আমরা সবাই খুব আনন্দিত।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কাছে আমাদের আকুল আবেদন থাকবে যেন দ্রুত ভিসি নিয়োগসহ সব ধরনের প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা হয়। একই সঙ্গে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা দ্রুত আয়োজন করা এবং ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষসহ সব বর্ষের নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষা যথাসময়ে সম্পন্ন করে দ্রুত ফল প্রকাশ করা হয় ।
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও কবি নজরুল সরকারি কলেজের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী জাকারিয়া বারী সাগর বলেন, দীর্ঘ দেড় বছর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে রাজপথ ও টেবিল টকে আন্দোলন-সংগ্রামের পর আজ আমাদের সেই কাঙ্ক্ষিত অধ্যাদেশ উপদেষ্টা পরিষদে স্বাক্ষরিত হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে রাষ্ট্রপতি কতৃক প্রজ্ঞাপন জারি হবে।এই অধ্যাদেশ প্রাপ্তিকে আমরা কবি নজরুল সরকারি কলেজের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া চারজন শিক্ষার্থীর প্রতি উৎসর্গ করছি।
তিনি আরও বলেন, এই অধ্যাদেশ নিয়ে যদি কোনরূপ শিক্ষা সিন্ডিকেট বা কোন তালবাহানা করে তাহলে পুনরায় আবার শিক্ষার্থীদের মতামত অনুযায়ী সংশোধন করা হবে । সর্বশেষে সবাইকে অভিনন্দন জানান তিনি ।



















