ঢাকা ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে  Logo ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণে মিললো সমাধান, ববি শিক্ষার্থীদের অবরোধ প্রত্যাহার Logo জাবিতে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রকল্যাণ সংঘের সভাপতি হাসান, সম্পাদক কাফী Logo কুবির বিজয়-২৪ হলকে মাদকমুক্ত করতে উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি Logo রাবিতে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার মনোজ কুমার Logo বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo দপদপিয়া সেতুতে আবারও দুর্ঘটনা: একদিনে দুই ঘটনায় আহত ৩ ববি শিক্ষার্থী Logo যাত্রাবাড়ীতে বিপুল গাঁজাসহ তিন মাদককারবারী গ্রেপ্তার Logo জাবির ছাত্রী হলে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, তদন্ত কমিটি গঠন Logo সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞান চর্চায় বাকৃবির মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা’

আইন উপেক্ষা করে সিন্ডিকেট সদস্য মনোনয়ন, প্রশ্নের মুখে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

দেশের প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয় মহান জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন দ্বারা। এর বাইরে কোনো কিছু করলে সেটি বিধি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হয়। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সিন্ডিকেট সদস্য মনোনয়নের ক্ষেত্রে সেই কাজটিই করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে একজনকে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬ এর ১৭(১) (ঘ) এবং ১৭(২) ধারা অনুযায়ী দুই বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়টির সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের চিফ এক্সিকিউটিভ এম জাকির হোসেন খান এবং স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ফাউন্ডার এন্ড ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডা. মো. মাহবুবুর রহমানকে মনোনীত করা হয়। তবে চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের চিফ এক্সিকিউটিভ এম জাকির হোসেন খানকে মনোনয়নের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ব্যত্যয় ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ আছে, বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমের একক সিদ্ধান্তে আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে এম জাকির হোসেন খানকে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬ এর ১৭(১) (ঘ) ধারায় বলা আছে সরকার কর্তৃক মনোনীত সমধর্মী অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান হতে  দুইজন প্রতিনিধি সিন্ডিকেট সদস্য হবেন। অর্থাৎ এই আইন অনুযায়ী অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সংযুক্ত ব্যক্তিদের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে।

কিন্তু চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সেটি মূলত একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যা ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি জলবায়ু অর্থায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে গবেষণা, পলিসি অ্যাডভোকেসি, এবং টেকসই উন্নয়নের রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করে। সেটি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে তালিকাভুক্ত নয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬ এর ১৭(১) (ঘ) ধারা অনুযায়ী দুইজন সিন্ডিকেট সদস্য নিয়োগের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে একাধিক নাম প্রস্তাব করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠাতে হয়। পরবর্তীতে মন্ত্রণালয় সেটি অনুমোদন দেয়। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠানো নামগুলোকে খুব বেশি পরিবর্তন কিংবা যাচাই-বাছাই করা হয়না। তালিকার উপরে যাদের নাম থাকে তাদেরকেই সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের চিফ এক্সিকিউটিভ এম জাকির হোসেন খানের নামটি সবার প্রথমে রাখা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ১৭(১) (ঘ) ধারা অনুযায়ী বিগত বিভিন্ন সময়ে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীতদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে তাঁরা প্রত্যেকেই কোনো না কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। এবারই প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট নয় এমন কাউকে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে ।

কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদার কাছে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে তিন বলেন, ‘চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ প্রতিষ্ঠানটি সমধর্মী হয় কিভাবে সেটি আমাদেরও প্রশ্ন। এটি উপাচার্য ভালো বলতে পারবেন।  সিন্ডিকেট সদস্য মনোনয়নের বিষয়টি উপাচার্য এবং ট্রেজারার মিলে নির্ধারণ করেছেন। এক্ষেত্রে আমাদের কোনো ধরণের পরামর্শ নেওয়া হয়নি। উনারা একাই একাই যেহেতু এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাই এর দায়ভার উনাদেরকেই নিতে হবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার(ভারপ্রাপ্ত) ড. মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘কিভাবে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে এটা উপাচার্য মহোদয় ভালো বলতে পারবেন। সিন্ডিকেট সদস্য মনোনয়নের বিষয়টি উনি একাই নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ ব্যাপারে আমাদের সাথে কোনো ধরণের পরামর্শ করা হয়নি। আর চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ প্রতিষ্ঠানটির বিষয়ে আমার কোনো ধারণা নেই।’

এক্ষেত্রে আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি দাবি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বলা হয় টিচিং এন্ড রিসার্চ সেন্টার। আমাদের দৃশ্যমান ফাইন্ডিংস হলো চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ একটা গবেষণা প্রতিষ্ঠান। টিচিং এন্ড রিসার্চ আলাদা না। সেই হিসেবে সমধর্মী প্রতিষ্ঠানের ক্যাটাগরিতেই তাকে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। ’

একই দাবি করেছেন চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের চিফ এক্সিকিউটিভ এম জাকির হোসেন খান।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-র সদস্য প্রফেসর ড. মো. তানজীমউদ্দিন খান বলেন,  ‘একটা বেসরকারি সংস্থা তো আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমধর্মী হতে পারেনা। সমধর্মী বলতে সেটা অবশ্যই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে হবে। এক্ষেত্রে উপাচার্য স্পষ্ট আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়েছেন।’

রুবেল/নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়

জনপ্রিয়

ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে 

আইন উপেক্ষা করে সিন্ডিকেট সদস্য মনোনয়ন, প্রশ্নের মুখে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

প্রকাশিত ০৪:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

দেশের প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয় মহান জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন দ্বারা। এর বাইরে কোনো কিছু করলে সেটি বিধি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হয়। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সিন্ডিকেট সদস্য মনোনয়নের ক্ষেত্রে সেই কাজটিই করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে একজনকে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬ এর ১৭(১) (ঘ) এবং ১৭(২) ধারা অনুযায়ী দুই বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়টির সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের চিফ এক্সিকিউটিভ এম জাকির হোসেন খান এবং স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ফাউন্ডার এন্ড ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডা. মো. মাহবুবুর রহমানকে মনোনীত করা হয়। তবে চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের চিফ এক্সিকিউটিভ এম জাকির হোসেন খানকে মনোনয়নের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ব্যত্যয় ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ আছে, বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমের একক সিদ্ধান্তে আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে এম জাকির হোসেন খানকে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬ এর ১৭(১) (ঘ) ধারায় বলা আছে সরকার কর্তৃক মনোনীত সমধর্মী অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান হতে  দুইজন প্রতিনিধি সিন্ডিকেট সদস্য হবেন। অর্থাৎ এই আইন অনুযায়ী অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সংযুক্ত ব্যক্তিদের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে।

কিন্তু চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সেটি মূলত একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যা ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি জলবায়ু অর্থায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে গবেষণা, পলিসি অ্যাডভোকেসি, এবং টেকসই উন্নয়নের রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করে। সেটি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে তালিকাভুক্ত নয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬ এর ১৭(১) (ঘ) ধারা অনুযায়ী দুইজন সিন্ডিকেট সদস্য নিয়োগের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে একাধিক নাম প্রস্তাব করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠাতে হয়। পরবর্তীতে মন্ত্রণালয় সেটি অনুমোদন দেয়। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠানো নামগুলোকে খুব বেশি পরিবর্তন কিংবা যাচাই-বাছাই করা হয়না। তালিকার উপরে যাদের নাম থাকে তাদেরকেই সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের চিফ এক্সিকিউটিভ এম জাকির হোসেন খানের নামটি সবার প্রথমে রাখা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ১৭(১) (ঘ) ধারা অনুযায়ী বিগত বিভিন্ন সময়ে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীতদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে তাঁরা প্রত্যেকেই কোনো না কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। এবারই প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট নয় এমন কাউকে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে ।

কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদার কাছে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে তিন বলেন, ‘চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ প্রতিষ্ঠানটি সমধর্মী হয় কিভাবে সেটি আমাদেরও প্রশ্ন। এটি উপাচার্য ভালো বলতে পারবেন।  সিন্ডিকেট সদস্য মনোনয়নের বিষয়টি উপাচার্য এবং ট্রেজারার মিলে নির্ধারণ করেছেন। এক্ষেত্রে আমাদের কোনো ধরণের পরামর্শ নেওয়া হয়নি। উনারা একাই একাই যেহেতু এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাই এর দায়ভার উনাদেরকেই নিতে হবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার(ভারপ্রাপ্ত) ড. মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘কিভাবে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে এটা উপাচার্য মহোদয় ভালো বলতে পারবেন। সিন্ডিকেট সদস্য মনোনয়নের বিষয়টি উনি একাই নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ ব্যাপারে আমাদের সাথে কোনো ধরণের পরামর্শ করা হয়নি। আর চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ প্রতিষ্ঠানটির বিষয়ে আমার কোনো ধারণা নেই।’

এক্ষেত্রে আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি দাবি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বলা হয় টিচিং এন্ড রিসার্চ সেন্টার। আমাদের দৃশ্যমান ফাইন্ডিংস হলো চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ একটা গবেষণা প্রতিষ্ঠান। টিচিং এন্ড রিসার্চ আলাদা না। সেই হিসেবে সমধর্মী প্রতিষ্ঠানের ক্যাটাগরিতেই তাকে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। ’

একই দাবি করেছেন চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের চিফ এক্সিকিউটিভ এম জাকির হোসেন খান।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-র সদস্য প্রফেসর ড. মো. তানজীমউদ্দিন খান বলেন,  ‘একটা বেসরকারি সংস্থা তো আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমধর্মী হতে পারেনা। সমধর্মী বলতে সেটা অবশ্যই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে হবে। এক্ষেত্রে উপাচার্য স্পষ্ট আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়েছেন।’

রুবেল/নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়