ঢাকা ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ‘আমি জানি না, সে আমাকে কেন মেরেছে’, নিজ বন্ধুর হাতে রক্তাক্ত কুবি শিক্ষার্থী Logo বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের সময়সূচি প্রকাশ করল বিসিবি Logo কোরবানির ঈদে ঘরে বসেই সাশ্রয়ী ও নিরাপদ কেনাকাটার মেগা অফার নিয়ে এলো ‘স্বপ্ন’ Logo খুলনায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার’ বুটক্যাম্প অনুষ্ঠিত Logo স্বপ্ন ফুড কোর্টে লাইভ মিউজিক Logo অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি জাকসুর Logo কুমিল্লাকে বিভাগ করার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর Logo এখন টিভির চার সাংবাদিককে নিয়ে রাতে সিদ্ধান্ত Logo বিশ্বের মানচিত্র থেকে পাকিস্তানকে মুছে ফেলার হুঁশিয়ারি ভারতের Logo দেশপ্রেমিক ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে রাষ্ট্র মেরামত করা হবে: তথ্যমন্ত্রী

শাহজালাল বিমানবন্দরে সোনা ও বৈদেশিক মুদ্রাসহ চোরাচালান চক্রের সদস্য আটক

ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবৈধ পথে আনা প্রায় ৫০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার, বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ মফিদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। বৃহস্পতিবার দুপুরে শাহজালাল বিমানবন্দরের আগমনী ক্যানোপি-২-এর খোলা কার পার্কিং এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।

এপিবিএন-১৩–এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আটক মফিদুল ইসলাম উমরাহ হজ কাফেলার মোয়াল্লেম হিসেবে বৃহস্পতিবার একটি উড়োজাহাজে সৌদি আরব থেকে বেলা পৌনে ১১টার দিকে ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। তিনি খুলনা জেলার লবণচরা থানার বাসিন্দা। আটকের পর তাঁকে বিমানবন্দর এপিবিএন কার্যালয়ে নিয়ে তল্লাশি চালিয়ে তাঁর সঙ্গে থাকা হাতব্যাগ থেকে ৪৯৯ দশমিক ১ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি ৯ হাজার মার্কিন ডলার, ৮ হাজার ৫০১ সৌদি রিয়াল, ১ হাজার ৮০০ মিসরীয় পাউন্ড, ১৫০ রোমানিয়ার লিউ এবং ৮০ হাজার ১১৭ টাকা জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালংকারের বাজারমূল্য প্রায় ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮০ টাকা। স্বর্ণালংকারগুলোর মান ২১ ক্যারেট বলে জানায় এপিবিএন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মফিদুল ইসলাম এপিবিএন কর্মকর্তাদের বলেন, বিভিন্ন দেশ থেকে অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে এসব স্বর্ণ বাংলাদেশে আনা হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে একটি চোরাচালান চক্রের সঙ্গে যুক্ত থেকে বাহক হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। ওই ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫ বি(১)(বি) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান রোধ ও অন্যান্য অপরাধ দমনে এপিবিএন সক্রিয় রয়েছে। বিমানবন্দর ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয়

‘আমি জানি না, সে আমাকে কেন মেরেছে’, নিজ বন্ধুর হাতে রক্তাক্ত কুবি শিক্ষার্থী

শাহজালাল বিমানবন্দরে সোনা ও বৈদেশিক মুদ্রাসহ চোরাচালান চক্রের সদস্য আটক

প্রকাশিত ১১:৪৪:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবৈধ পথে আনা প্রায় ৫০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার, বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ মফিদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। বৃহস্পতিবার দুপুরে শাহজালাল বিমানবন্দরের আগমনী ক্যানোপি-২-এর খোলা কার পার্কিং এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।

এপিবিএন-১৩–এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আটক মফিদুল ইসলাম উমরাহ হজ কাফেলার মোয়াল্লেম হিসেবে বৃহস্পতিবার একটি উড়োজাহাজে সৌদি আরব থেকে বেলা পৌনে ১১টার দিকে ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। তিনি খুলনা জেলার লবণচরা থানার বাসিন্দা। আটকের পর তাঁকে বিমানবন্দর এপিবিএন কার্যালয়ে নিয়ে তল্লাশি চালিয়ে তাঁর সঙ্গে থাকা হাতব্যাগ থেকে ৪৯৯ দশমিক ১ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি ৯ হাজার মার্কিন ডলার, ৮ হাজার ৫০১ সৌদি রিয়াল, ১ হাজার ৮০০ মিসরীয় পাউন্ড, ১৫০ রোমানিয়ার লিউ এবং ৮০ হাজার ১১৭ টাকা জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালংকারের বাজারমূল্য প্রায় ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮০ টাকা। স্বর্ণালংকারগুলোর মান ২১ ক্যারেট বলে জানায় এপিবিএন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মফিদুল ইসলাম এপিবিএন কর্মকর্তাদের বলেন, বিভিন্ন দেশ থেকে অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে এসব স্বর্ণ বাংলাদেশে আনা হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে একটি চোরাচালান চক্রের সঙ্গে যুক্ত থেকে বাহক হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। ওই ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫ বি(১)(বি) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান রোধ ও অন্যান্য অপরাধ দমনে এপিবিএন সক্রিয় রয়েছে। বিমানবন্দর ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।