ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo পর্তুগালের বিপক্ষে হেরে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ড্র বাংলাদেশের Logo বাজারে কোন কোম্পানির এলপিজি সিলিন্ডার কত টাকায় বিক্রি হচ্ছে? Logo চলে গেলেন বাংলার বিশ্বমানের চিত্রকর যোগেন চৌধুরী Logo কম্পানিকে ছাড়া প্রথম ম্যাচ জিতে শীর্ষে ফিরল বায়ার্ন Logo সিকদার গ্রুপের ‘পাচার অর্থ’ উদ্ধারে ‘আগাম টাকা চায়’ রিকভারি এজেন্ট Logo সোনার দাম বাড়ে-কমে কেন, কীভাবে হয় দাম নির্ধারণ Logo চাঁদাবাজির অভিযোগে রায়েরবাজার থেকে বিএনপি নেতা রাজেশ গ্রেপ্তার Logo কাউ-টাউন: যে শহরের মানুষ একদিন ‘গরু’ হয়েছিল Logo এমআরডিআইয়ের আলোচনা: গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় ‘কাঠামোগত সংস্কার’ জরুরি Logo টয়োপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন জহিরুল ইসলাম

হাম উপসর্গে প্রাণহানি পৌঁছালো ৮৮৮ জনে, নিশ্চিত হামে ৯৯

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দীর্ঘস্থায়ী রূপ ধারণ করায় জনস্বাস্থ্য উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, দেশজুড়ে হামের উপসর্গ ও নিশ্চিত রোগাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই হামের প্রকোপে সামগ্রিকভাবে প্রাণহানির সংখ্যা প্রায় নয়শোর কাছাকাছি গিয়ে ঠেকেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টারের নিয়মিত বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে নতুন করে সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে আরও একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে সব মিলিয়ে হামের লক্ষণ ও উপসর্গজনিত কারণে প্রাণ হারানো রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৮৮৮ জনে। এর পাশাপাশি, ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর মোট সংখ্যা বর্তমানে পৌঁছেছে ৯৯ জনে।

চলমান এই স্বাস্থ্য সংকটে আক্রান্তের সংখ্যাও উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪০ জনের দেহে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে এবং একই সময়ে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ১১৪ জন রোগী। এর মধ্য দিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশজুড়ে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬২ হাজার ২৬২ জনে এবং নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা ১৯ হাজার ৫৬৭ জনে উন্নীত হয়েছে।

বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যানে দেখা যায়, হামের কারণে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে রাজধানী ঢাকা বিভাগে। শুধু ঢাকাতেই নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬২ জন এবং সন্দেহজনক হামে প্রাণ গেছে আরও ৪০০ জনের। এছাড়া বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও ময়মনসিংহসহ অন্যান্য বিভাগেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যা দেশব্যাপী স্বাস্থ্যসেবা ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।

জনপ্রিয়

পর্তুগালের বিপক্ষে হেরে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ড্র বাংলাদেশের

হাম উপসর্গে প্রাণহানি পৌঁছালো ৮৮৮ জনে, নিশ্চিত হামে ৯৯

প্রকাশিত ০৭:০০:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দীর্ঘস্থায়ী রূপ ধারণ করায় জনস্বাস্থ্য উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, দেশজুড়ে হামের উপসর্গ ও নিশ্চিত রোগাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই হামের প্রকোপে সামগ্রিকভাবে প্রাণহানির সংখ্যা প্রায় নয়শোর কাছাকাছি গিয়ে ঠেকেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টারের নিয়মিত বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে নতুন করে সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে আরও একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে সব মিলিয়ে হামের লক্ষণ ও উপসর্গজনিত কারণে প্রাণ হারানো রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৮৮৮ জনে। এর পাশাপাশি, ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর মোট সংখ্যা বর্তমানে পৌঁছেছে ৯৯ জনে।

চলমান এই স্বাস্থ্য সংকটে আক্রান্তের সংখ্যাও উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪০ জনের দেহে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে এবং একই সময়ে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ১১৪ জন রোগী। এর মধ্য দিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশজুড়ে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬২ হাজার ২৬২ জনে এবং নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা ১৯ হাজার ৫৬৭ জনে উন্নীত হয়েছে।

বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যানে দেখা যায়, হামের কারণে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে রাজধানী ঢাকা বিভাগে। শুধু ঢাকাতেই নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬২ জন এবং সন্দেহজনক হামে প্রাণ গেছে আরও ৪০০ জনের। এছাড়া বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও ময়মনসিংহসহ অন্যান্য বিভাগেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যা দেশব্যাপী স্বাস্থ্যসেবা ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।