ঢাকা ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আইইডিসিআর হতে পারে সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের মডেল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo কুষ্টিয়ায় রাতের খাবার খেয়ে ১০ পুলিশ সদস্য অচেতন Logo রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২৭, মামলা ৫৫ Logo ছাত্রলীগ সন্দেহে রিকশা চালককে পুলিশে দিলো ছাত্রদল Logo পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন, কাঁচাবাজারে পড়েনি তাৎক্ষণিক প্রভাব Logo বাংলাদেশ-ভারত বিজনেস টাস্কফোর্স গঠনের তাগিদ Logo তফসিলের আগেই সরগরম রাজধানী, উত্তর-দক্ষিণে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস Logo শর্ত ভেঙে আইপিওর টাকার অপব্যবহার, সিকদার ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদকে জরিমানা Logo হিলি সীমান্তে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ, রং-তুলির অপেক্ষায় কারিগররা Logo অধিনায়কত্ব হারানো নিয়ে রশিদ খানের বিস্ফোরক মন্তব্য

আইইডিসিআর হতে পারে সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের মডেল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশের সীমিত সম্পদকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদনশীলতা ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এই ক্ষেত্রে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। সম্প্রতি স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট মন্তব্য করেন এবং দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ় করার কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও কীভাবে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জন করা সম্ভব, আইইডিসিআর তার একটি উজ্জ্বল ও অনন্য মডেল হতে পারে। গবেষণার মানোন্নয়ন এবং রোগ নিয়ন্ত্রণে এই প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা বরাবরই প্রশংসনীয় এবং এর কার্যক্রম থেকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোও শিক্ষা নিতে পারে। দেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে এই ধরনের সফল প্রাতিষ্ঠানিক কাঠامোগুলোকে অনুকরণীয় হিসেবে সামনে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

সরকার বর্তমানে স্বাস্থ্য খাতের প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতা ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির ওপর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। কম খরচে ও স্বল্প সম্পদে কীভাবে জনসেবা নিশ্চিত করা যায়, তা নিয়ে নীতিনির্ধারক পর্যায়ে নানা ধরনের পর্যালোচনা চলছে। আইইডিসিআরের অর্জিত সাফল্য এবং গবেষণালব্ধ কার্যক্রম এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

আগামী দিনগুলোতে স্বাস্থ্য খাতের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং সেবার মান বৃদ্ধির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে আরও উন্নত চিকিৎসা প্রদান করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করছে যে, এই ধরনের সফল মডেলগুলোর সঠিক প্রচার ও প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক জনস্বাস্থ্য খাত আরও বহুদূর এগিয়ে যাবে।

জনপ্রিয়

আইইডিসিআর হতে পারে সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের মডেল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আইইডিসিআর হতে পারে সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের মডেল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত ০৭:০১:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের সীমিত সম্পদকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদনশীলতা ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এই ক্ষেত্রে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। সম্প্রতি স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট মন্তব্য করেন এবং দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ় করার কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও কীভাবে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জন করা সম্ভব, আইইডিসিআর তার একটি উজ্জ্বল ও অনন্য মডেল হতে পারে। গবেষণার মানোন্নয়ন এবং রোগ নিয়ন্ত্রণে এই প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা বরাবরই প্রশংসনীয় এবং এর কার্যক্রম থেকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোও শিক্ষা নিতে পারে। দেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে এই ধরনের সফল প্রাতিষ্ঠানিক কাঠامোগুলোকে অনুকরণীয় হিসেবে সামনে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

সরকার বর্তমানে স্বাস্থ্য খাতের প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতা ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির ওপর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। কম খরচে ও স্বল্প সম্পদে কীভাবে জনসেবা নিশ্চিত করা যায়, তা নিয়ে নীতিনির্ধারক পর্যায়ে নানা ধরনের পর্যালোচনা চলছে। আইইডিসিআরের অর্জিত সাফল্য এবং গবেষণালব্ধ কার্যক্রম এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

আগামী দিনগুলোতে স্বাস্থ্য খাতের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং সেবার মান বৃদ্ধির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে আরও উন্নত চিকিৎসা প্রদান করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করছে যে, এই ধরনের সফল মডেলগুলোর সঠিক প্রচার ও প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক জনস্বাস্থ্য খাত আরও বহুদূর এগিয়ে যাবে।