ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত ৫০

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) দুটি পক্ষের মধ্যে তীব্র রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষের ফলে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে চলা এই সংঘর্ষে সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া একজন গণমাধ্যমকর্মীসহ উভয় পক্ষের অন্তত পঞ্চাশজন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা বিএনপি কমিটির মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া এবং হাওরের বিভিন্ন জলমহাল ইজারা নেওয়াকে কেন্দ্র করে দলটির স্থানীয় নেতাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এছাড়া দলীয় ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে তা নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছিল। তবে ঠিক কী কারণে হঠাৎ করে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

সংঘর্ষের তীব্রতায় উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর চড়াও হয়। এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এক সাংবাদিকও আঘাতপ্রাপ্ত হন। সংঘাতের একপর্যায়ে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়।

খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান জানিয়েছেন যে বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয়

বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত ৫০

বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত ৫০

প্রকাশিত ০৫:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) দুটি পক্ষের মধ্যে তীব্র রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষের ফলে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে চলা এই সংঘর্ষে সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া একজন গণমাধ্যমকর্মীসহ উভয় পক্ষের অন্তত পঞ্চাশজন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা বিএনপি কমিটির মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া এবং হাওরের বিভিন্ন জলমহাল ইজারা নেওয়াকে কেন্দ্র করে দলটির স্থানীয় নেতাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এছাড়া দলীয় ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে তা নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছিল। তবে ঠিক কী কারণে হঠাৎ করে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

সংঘর্ষের তীব্রতায় উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর চড়াও হয়। এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এক সাংবাদিকও আঘাতপ্রাপ্ত হন। সংঘাতের একপর্যায়ে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়।

খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান জানিয়েছেন যে বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।