ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফারজানা রুপার পক্ষে লড়তে চান ২ ব্রিটিশ আইনজীবী Logo অস্ট্রেলিয়ায় ইতিহাস গড়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে সোবহানা-নিগারের লাফ Logo ওয়েলসে মিলল রোমান দুর্গ: সত্যি ছিল সম্রাটের ঘাঁটির উপাখ্যান Logo বিরোধী দল না এলেও সংবিধান সংশোধন করতে হবে: সালাহউদ্দিন Logo হেনস্তার ঘটনার পর এখন কেমন আছেন ড. ইউনূস, জানালেন সফরসঙ্গী Logo ঢাকা-কুমিল্লা ‘এলিভেটেড কর্ডলাইন’ হচ্ছে, সময় কমবে ২ ঘণ্টা: উপদেষ্টা জাহেদ Logo ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ ভবন থেকে বের করে আনা হলো চুয়েট উপাচার্যকে Logo রূপকথার ডাইনিরা কেন ঝাড়ুতে চড়ে উড়ে বেড়ায়? Logo অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে অভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনা Logo ‘ফাব্বিং’: কথোপকথনের মাঝে ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর অভ্যাস

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে ইরানের ৭ দিনের রূপরেখা

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও সংঘাতের আবহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা বা প্রস্তাব তুলে ধরেছে ইরান। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের একটি দলের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকদের কাছে এই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বর্তমান ভূরাজনৈতিক সংকট নিরসনে উভয় পক্ষেরই বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

ইরানের তরফ থেকে পাঠানো এই প্রস্তাবিত রূপরেখায় মূলত আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বাস্তবায়নের উপযোগী কিছু শর্তের কথা বলা হয়েছে। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনে পৌঁছানো এই সাত দিনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রকে নির্দিষ্ট কিছু পূর্বশর্ত বা দাবি মেনে নিতে হবে। তেহরানের দাবি, এই শর্তগুলো যথাযথভাবে পূরণ করা হলে তবেই দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং চলমান উত্তেজনার অবসান ঘটানো সম্ভব হবে।

সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যে অস্থিরতা বিরাজ করছে, তা নিরসনে কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নিয়েছে তেহরান। গত কয়েক মাস ধরে দুই দেশের মধ্যে চলা পরোক্ষ সংঘাত এবং সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই রূপরেখা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে কীভাবে একটি স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানো যায়, তার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে এই প্রস্তাবে।

তবে তেহরানের তরফ থেকে পাঠানো এই সাত দিনের প্রস্তাবের বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ওয়াশিংটন এই শর্তগুলো নিয়ে কীভাবে এগোবে কিংবা আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীরা এই বিষয়ে কী ভূমিকা পালন করবেন, তা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে স্পষ্ট হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই কূটনৈতিক উদ্যোগ কতটা সফল হবে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জনপ্রিয়

ফারজানা রুপার পক্ষে লড়তে চান ২ ব্রিটিশ আইনজীবী

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে ইরানের ৭ দিনের রূপরেখা

প্রকাশিত ০৮:০০:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও সংঘাতের আবহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা বা প্রস্তাব তুলে ধরেছে ইরান। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের একটি দলের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকদের কাছে এই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বর্তমান ভূরাজনৈতিক সংকট নিরসনে উভয় পক্ষেরই বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

ইরানের তরফ থেকে পাঠানো এই প্রস্তাবিত রূপরেখায় মূলত আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বাস্তবায়নের উপযোগী কিছু শর্তের কথা বলা হয়েছে। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনে পৌঁছানো এই সাত দিনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রকে নির্দিষ্ট কিছু পূর্বশর্ত বা দাবি মেনে নিতে হবে। তেহরানের দাবি, এই শর্তগুলো যথাযথভাবে পূরণ করা হলে তবেই দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং চলমান উত্তেজনার অবসান ঘটানো সম্ভব হবে।

সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যে অস্থিরতা বিরাজ করছে, তা নিরসনে কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নিয়েছে তেহরান। গত কয়েক মাস ধরে দুই দেশের মধ্যে চলা পরোক্ষ সংঘাত এবং সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই রূপরেখা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে কীভাবে একটি স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানো যায়, তার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে এই প্রস্তাবে।

তবে তেহরানের তরফ থেকে পাঠানো এই সাত দিনের প্রস্তাবের বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ওয়াশিংটন এই শর্তগুলো নিয়ে কীভাবে এগোবে কিংবা আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীরা এই বিষয়ে কী ভূমিকা পালন করবেন, তা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে স্পষ্ট হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই কূটনৈতিক উদ্যোগ কতটা সফল হবে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।