ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo অপ্রতিম হত্যার বিচার ত্বরান্বিত করার দাবিতে কুবিতে মানববন্ধন  Logo ড. ইউনূসকে হয়রানি ও হেনস্তায় সাবেক ১২ উপদেষ্টার ক্ষোভ-নিন্দা Logo শরতের আবহে জাবিতে নবীনবরণ, নাট্যোৎসবে ‘বিধিবাম’ মঞ্চায়িত Logo দশ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় Logo ধর্মীয় ‘স্পর্শকাতর’ স্ট্যাটাস-মিম, জাবি শিক্ষার্থীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা প্রশাসনের Logo ড. ইউনূসকে হেনস্তা: তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির Logo প্রজনন স্বাস্থ্যে নতুন প্রযুক্তির সূচনায় হাত মেলাল গুগল ও ফ্লো Logo ফারজানা রুপার পক্ষে লড়তে চান ২ ব্রিটিশ আইনজীবী Logo অস্ট্রেলিয়ায় ইতিহাস গড়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে সোবহানা-নিগারের লাফ Logo ওয়েলসে মিলল রোমান দুর্গ: সত্যি ছিল সম্রাটের ঘাঁটির উপাখ্যান

এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি হতে যাচ্ছেন তামিম ইকবাল!

এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি হতে যাচ্ছেন তামিম ইকবাল!

এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) পরবর্তী সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবালের নাম আলোচনায় এসেছে। বর্তমান সভাপতি মহসিন নাকভির মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা কম বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে ক্রিকেটবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজ।

বর্তমানে এসিসি সভাপতির দায়িত্বে থাকা মহসিন নাকভির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৭ সালের ২ এপ্রিল। নিয়ম অনুযায়ী, এশিয়ার পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পালাক্রমে দুই বছরের জন্য সভাপতির দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় পরবর্তী মেয়াদে বাংলাদেশের দায়িত্ব নেওয়ার কথা রয়েছে।

ক্রিকবাজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসিসির নেতৃত্ব গ্রহণে আগ্রহী তামিম ইকবাল। এ বিষয়ে তিনি নিজের আগ্রহের কথা সংস্থাটিকে জানিয়েছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তার সভাপতি হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়নি।

এসিসির নির্বাহী বোর্ডে পূর্ণ সদস্য হিসেবে রয়েছে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান। নাকভির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবে এই সদস্যদের মধ্যে অন্তত তিনটি, এমনকি চারটি দেশও আপত্তি জানাতে পারে বলে ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

নাকভি আগামী বছরের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) পর্যন্ত দায়িত্বে থাকার বিষয়ে যুক্তি তুলে ধরতে পারেন। তবে এসিসির সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী, সভাপতির নির্ধারিত মেয়াদের সঙ্গে এজিএমের সময়ের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।

বিশেষ পরিস্থিতিতে নির্বাহী বোর্ডের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে সভাপতির মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। ২০২৪ সালে জয় শাহও তৃতীয় বছরের জন্য এসিসি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তবে সে ক্ষেত্রে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পূর্ণ ঐকমত্য ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নাকভির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে আরও একটি বিষয় আলোচনায় আসতে পারে। আগামী ডিসেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা এশিয়ান অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ।

ভারত এই প্রতিযোগিতার বর্তমান দুইবারের চ্যাম্পিয়ন। দলটি এবারও শিরোপা জিতলে ট্রফি বিতরণ অনুষ্ঠান ঘিরে নাকভিকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হতে পারে।

এর আগে নারী এশিয়া কাপের ফাইনাল এবং গত বছরের পুরুষদের এশিয়া কাপের ফাইনালে ট্রফি তুলে দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে নাকভিকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ওই দুই ক্ষেত্রেই ভারতীয় দল তাঁর কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণ করেনি।

সব মিলিয়ে, এসিসির পরবর্তী সভাপতি কে হবেন, তা নিয়ে আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে। নাকভির মেয়াদ শেষ হলে প্রচলিত পালাক্রম অনুযায়ী বাংলাদেশ দায়িত্ব পাবে কি না এবং তামিম ইকবাল সেই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন কি না, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটসংশ্লিষ্টদের।

তবে তামিম ইকবালের এসিসি সভাপতি হওয়া এখনো নিশ্চিত নয়; বিষয়টি নির্ভর করছে এসিসির আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের ওপর।

জনপ্রিয়

অপ্রতিম হত্যার বিচার ত্বরান্বিত করার দাবিতে কুবিতে মানববন্ধন 

এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি হতে যাচ্ছেন তামিম ইকবাল!

প্রকাশিত ০৫:২৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) পরবর্তী সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবালের নাম আলোচনায় এসেছে। বর্তমান সভাপতি মহসিন নাকভির মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা কম বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে ক্রিকেটবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজ।

বর্তমানে এসিসি সভাপতির দায়িত্বে থাকা মহসিন নাকভির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৭ সালের ২ এপ্রিল। নিয়ম অনুযায়ী, এশিয়ার পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পালাক্রমে দুই বছরের জন্য সভাপতির দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় পরবর্তী মেয়াদে বাংলাদেশের দায়িত্ব নেওয়ার কথা রয়েছে।

ক্রিকবাজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসিসির নেতৃত্ব গ্রহণে আগ্রহী তামিম ইকবাল। এ বিষয়ে তিনি নিজের আগ্রহের কথা সংস্থাটিকে জানিয়েছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তার সভাপতি হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়নি।

এসিসির নির্বাহী বোর্ডে পূর্ণ সদস্য হিসেবে রয়েছে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান। নাকভির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবে এই সদস্যদের মধ্যে অন্তত তিনটি, এমনকি চারটি দেশও আপত্তি জানাতে পারে বলে ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

নাকভি আগামী বছরের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) পর্যন্ত দায়িত্বে থাকার বিষয়ে যুক্তি তুলে ধরতে পারেন। তবে এসিসির সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী, সভাপতির নির্ধারিত মেয়াদের সঙ্গে এজিএমের সময়ের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।

বিশেষ পরিস্থিতিতে নির্বাহী বোর্ডের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে সভাপতির মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। ২০২৪ সালে জয় শাহও তৃতীয় বছরের জন্য এসিসি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তবে সে ক্ষেত্রে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পূর্ণ ঐকমত্য ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নাকভির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে আরও একটি বিষয় আলোচনায় আসতে পারে। আগামী ডিসেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা এশিয়ান অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ।

ভারত এই প্রতিযোগিতার বর্তমান দুইবারের চ্যাম্পিয়ন। দলটি এবারও শিরোপা জিতলে ট্রফি বিতরণ অনুষ্ঠান ঘিরে নাকভিকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হতে পারে।

এর আগে নারী এশিয়া কাপের ফাইনাল এবং গত বছরের পুরুষদের এশিয়া কাপের ফাইনালে ট্রফি তুলে দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে নাকভিকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ওই দুই ক্ষেত্রেই ভারতীয় দল তাঁর কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণ করেনি।

সব মিলিয়ে, এসিসির পরবর্তী সভাপতি কে হবেন, তা নিয়ে আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে। নাকভির মেয়াদ শেষ হলে প্রচলিত পালাক্রম অনুযায়ী বাংলাদেশ দায়িত্ব পাবে কি না এবং তামিম ইকবাল সেই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন কি না, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটসংশ্লিষ্টদের।

তবে তামিম ইকবালের এসিসি সভাপতি হওয়া এখনো নিশ্চিত নয়; বিষয়টি নির্ভর করছে এসিসির আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের ওপর।