ঢাকা ০৬:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৪২ Logo প্রাণিচিকিৎসকের কাছে যাচ্ছেন? যাওয়ার আগে কিছু বিষয় জেনে রাখুন Logo জার্মানিতে ভক্সওয়াগনের কারখানাকে ইসরাইলি অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রে রূপান্তর Logo এআই গবেষণায় একধাপ এগিয়ে গিগাবাইটের এআই টপ অ্যাটম Logo ব্যারিস্টার তুরিন আফেরোজের বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগে ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন Logo ৩৪০০০ ফুট উঁচুতে এক পাইলট ছুরিকাঘাত করেন আরেক জনকে, বিমান ক্র্যাশ করার চেষ্টা Logo এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি হতে যাচ্ছেন তামিম ইকবাল! Logo হামের উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩৪৯ Logo রাফিনিয়াকে নিয়ে বড় দুঃসংবাদ, ভারত ম্যাচে খেলছেন না ব্রাজিল তারকা Logo স্মার্টফোনের গণ্ডি পেরিয়ে বৃহৎ কানেক্টেড ইকোসিস্টেমে অনার

ব্যারিস্টার তুরিন আফেরোজের বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগে ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন

রাজধানীর উত্তরার একটি পারিবারিক বাড়ি জোরপূর্বক দখল করে রাখার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকার কোর্ট রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে চাঞ্চল্যকর অভিযোগগুলো উত্থাপন করেন তুরিন আফরোজের প্রবাসী ভাই অধ্যাপক শাহনেওয়াজ আহমেদ শিশির। তিনি দাবি করেন, বিগত সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার বোন এই বাড়িটি জবরদখল করে রেখেছেন এবং এর ফলে তাদের পুরো পরিবার চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরে অধ্যাপক শাহনেওয়াজ জানান, উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের ১৫ নম্বর বাড়িটি ১৯৯৭ সালে তাদের মা সামসুন নাহার তসলিম হেবা দলিলের মাধ্যমে তাকে মালিকানা হস্তান্তর করেছিলেন। তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় বাড়ির নামজারি সম্পন্ন করে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে আসছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তুরিন আফরোজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর হওয়ার সুবাদে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে মা ও ভাইকেই সেই বাড়ি থেকে বের করে দেন। শুধু তাই নয়, নিজের মালিকানা দাবি করে তিনি আদালতে মামলা করেন এবং প্রভাব খাটিয়ে আদালতের মাধ্যমে সেখানে স্থিতি অবস্থার আদেশ জারি করান।

শাহনেওয়াজ আরও জানান, পরবর্তীতে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সেই স্থিতি অবস্থার আদেশ বাতিল করলেও তারা এখনও বাড়ির পূর্ণ অধিকার ফিরে পাননি। আদালতের আদেশের পর তারা বাড়িতে প্রবেশ করতে সক্ষম হলেও তাদের আট ফুট বাই আট ফুটের মাত্র একটি ছোট কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। গৃহকর্মী ও দারোয়ানদের পাহারায় ওই কক্ষের বাইরে তাদের যেতে দেওয়া হয় না এবং সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালিয়ে তাদের ওপর মানসিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগের শেষভাগে বলা হয়, বর্তমানে কারাবন্দী থাকা অবস্থায়ও তুরিন আফরোজ বিভিন্ন উপায়ে কলকাঠি নাড়ছেন এবং তার ১৯ বছর বয়সী কন্যাকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করছেন। এছাড়া ওই বাড়িতে ‘কোচ আপ ইন্টারন্যাশনাল’ নামের একটি কোচিং সেন্টার অবৈধভাবে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। এই সংকট থেকে পরিত্রাণ পেতে এবং পৈতৃক সম্পত্তির পূর্ণ দখল ফিরে পেতে তিনি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ ও বর্তমান সরকারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জনপ্রিয়

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৪২

ব্যারিস্টার তুরিন আফেরোজের বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগে ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত ০৫:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর উত্তরার একটি পারিবারিক বাড়ি জোরপূর্বক দখল করে রাখার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকার কোর্ট রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে চাঞ্চল্যকর অভিযোগগুলো উত্থাপন করেন তুরিন আফরোজের প্রবাসী ভাই অধ্যাপক শাহনেওয়াজ আহমেদ শিশির। তিনি দাবি করেন, বিগত সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার বোন এই বাড়িটি জবরদখল করে রেখেছেন এবং এর ফলে তাদের পুরো পরিবার চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরে অধ্যাপক শাহনেওয়াজ জানান, উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের ১৫ নম্বর বাড়িটি ১৯৯৭ সালে তাদের মা সামসুন নাহার তসলিম হেবা দলিলের মাধ্যমে তাকে মালিকানা হস্তান্তর করেছিলেন। তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় বাড়ির নামজারি সম্পন্ন করে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে আসছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তুরিন আফরোজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর হওয়ার সুবাদে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে মা ও ভাইকেই সেই বাড়ি থেকে বের করে দেন। শুধু তাই নয়, নিজের মালিকানা দাবি করে তিনি আদালতে মামলা করেন এবং প্রভাব খাটিয়ে আদালতের মাধ্যমে সেখানে স্থিতি অবস্থার আদেশ জারি করান।

শাহনেওয়াজ আরও জানান, পরবর্তীতে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সেই স্থিতি অবস্থার আদেশ বাতিল করলেও তারা এখনও বাড়ির পূর্ণ অধিকার ফিরে পাননি। আদালতের আদেশের পর তারা বাড়িতে প্রবেশ করতে সক্ষম হলেও তাদের আট ফুট বাই আট ফুটের মাত্র একটি ছোট কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। গৃহকর্মী ও দারোয়ানদের পাহারায় ওই কক্ষের বাইরে তাদের যেতে দেওয়া হয় না এবং সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালিয়ে তাদের ওপর মানসিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগের শেষভাগে বলা হয়, বর্তমানে কারাবন্দী থাকা অবস্থায়ও তুরিন আফরোজ বিভিন্ন উপায়ে কলকাঠি নাড়ছেন এবং তার ১৯ বছর বয়সী কন্যাকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করছেন। এছাড়া ওই বাড়িতে ‘কোচ আপ ইন্টারন্যাশনাল’ নামের একটি কোচিং সেন্টার অবৈধভাবে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। এই সংকট থেকে পরিত্রাণ পেতে এবং পৈতৃক সম্পত্তির পূর্ণ দখল ফিরে পেতে তিনি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ ও বর্তমান সরকারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।