ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সাহিবজাদার হ্যাটট্রিক ফিফটি ছাপিয়ে মেন্ডিসের অপরাজিত ৮৭ Logo রাশিয়া, ইরান ও এআই এর হুমকি নিয়ে যুক্তরাজ্যকে গোয়েন্দা প্রধানের সতর্কবার্তা Logo মানসিক স্বাস্থ্যকে মন্ত্রণালয়ের আওতায় রেখে অগ্রগতি সম্ভব নয়: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo অপ্রতিম হত্যার বিচার ত্বরান্বিত করার দাবিতে কুবিতে মানববন্ধন  Logo ড. ইউনূসকে হয়রানি ও হেনস্তায় সাবেক ১২ উপদেষ্টার ক্ষোভ-নিন্দা Logo শরতের আবহে জাবিতে নবীনবরণ, নাট্যোৎসবে ‘বিধিবাম’ মঞ্চায়িত Logo দশ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় Logo ধর্মীয় ‘স্পর্শকাতর’ স্ট্যাটাস-মিম, জাবি শিক্ষার্থীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা প্রশাসনের Logo ড. ইউনূসকে হেনস্তা: তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির Logo প্রজনন স্বাস্থ্যে নতুন প্রযুক্তির সূচনায় হাত মেলাল গুগল ও ফ্লো

নিট কাপড় আমদানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল সরকার

রপ্তানিমুখী পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের কাঁচামাল আমদানির প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমদানি নীতি আদেশে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী আনা হয়েছে। এর ফলে দেশের পোশাক কারখানাগুলোর জন্য বৈশ্বিক বাজার থেকে খুব সহজেই প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। মূলত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বর্তমান প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম গতিশীল রাখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে বলবৎ থাকা নিট কাপড় আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হয়েছে। ইতিপূর্বে এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকায় পোশাকশিল্পের স্বাভাবিক উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে জোরালো দাবি জানিয়েছিল তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ। উদ্যোক্তাদের এই যুক্তির কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শেষ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞাটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়। একই সঙ্গে হোসিয়ারি ও নিটেড পোশাক তৈরির ক্ষেত্রে সুতা এবং নিট ফেব্রিক আমদানিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি নেওয়ার দীর্ঘমেয়াদি বাধ্যবাধকতাও বাদ দেওয়া হয়েছে।

নতুন এই আদেশে কাপড় আমদানির প্রচলিত শর্তগুলোও যথেষ্ট শিথিল করা হয়েছে। আগে নির্দিষ্ট মাপের থান আকারে কাপড় আমদানির যে বাধ্যবাধকতা ছিল, তা পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন থেকে বিশেষায়িত পোশাক যেমন কৃত্রিম তন্তুর সীমলেস স্পোর্টসওয়্যার, উচ্চমূল্যের ফ্যাশন আইটেম এবং ফাংশনাল পোশাকের কাপড় কোনো ধরনের আকৃতি বা সাইজের বাধা ছাড়াই আমদানি করা যাবে। তবে এই বিশেষ সুবিধা পাওয়ার জন্য বিজিএমইএ অথবা বিকেএমইএর সুনির্দিষ্ট সুপারিশের প্রয়োজন হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এই যুগোপযোগী পদক্ষেপে পোশাক খাতের উদ্যোক্তাদের আমদানিসংক্রান্ত প্রশাসনিক জটিলতা ও সময় অনেকটাই হ্রাস পাবে। দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে এবং স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাণিজ্য প্রক্রিয়া সহজ করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব নীতিগত সহায়তার ফলে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি পোশাকের প্রতিযোগ সক্ষমতা আরও সুদৃঢ় হবে।

জনপ্রিয়

সাহিবজাদার হ্যাটট্রিক ফিফটি ছাপিয়ে মেন্ডিসের অপরাজিত ৮৭

নিট কাপড় আমদানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল সরকার

প্রকাশিত ০৮:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রপ্তানিমুখী পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের কাঁচামাল আমদানির প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমদানি নীতি আদেশে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী আনা হয়েছে। এর ফলে দেশের পোশাক কারখানাগুলোর জন্য বৈশ্বিক বাজার থেকে খুব সহজেই প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। মূলত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বর্তমান প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম গতিশীল রাখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে বলবৎ থাকা নিট কাপড় আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হয়েছে। ইতিপূর্বে এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকায় পোশাকশিল্পের স্বাভাবিক উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে জোরালো দাবি জানিয়েছিল তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ। উদ্যোক্তাদের এই যুক্তির কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শেষ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞাটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়। একই সঙ্গে হোসিয়ারি ও নিটেড পোশাক তৈরির ক্ষেত্রে সুতা এবং নিট ফেব্রিক আমদানিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি নেওয়ার দীর্ঘমেয়াদি বাধ্যবাধকতাও বাদ দেওয়া হয়েছে।

নতুন এই আদেশে কাপড় আমদানির প্রচলিত শর্তগুলোও যথেষ্ট শিথিল করা হয়েছে। আগে নির্দিষ্ট মাপের থান আকারে কাপড় আমদানির যে বাধ্যবাধকতা ছিল, তা পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন থেকে বিশেষায়িত পোশাক যেমন কৃত্রিম তন্তুর সীমলেস স্পোর্টসওয়্যার, উচ্চমূল্যের ফ্যাশন আইটেম এবং ফাংশনাল পোশাকের কাপড় কোনো ধরনের আকৃতি বা সাইজের বাধা ছাড়াই আমদানি করা যাবে। তবে এই বিশেষ সুবিধা পাওয়ার জন্য বিজিএমইএ অথবা বিকেএমইএর সুনির্দিষ্ট সুপারিশের প্রয়োজন হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এই যুগোপযোগী পদক্ষেপে পোশাক খাতের উদ্যোক্তাদের আমদানিসংক্রান্ত প্রশাসনিক জটিলতা ও সময় অনেকটাই হ্রাস পাবে। দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে এবং স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাণিজ্য প্রক্রিয়া সহজ করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব নীতিগত সহায়তার ফলে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি পোশাকের প্রতিযোগ সক্ষমতা আরও সুদৃঢ় হবে।