ঢাকা ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় আর আবেদন নয়, চূড়ান্ত যাচাইয়ে বাদ পড়বেন অ-মুক্তিযোদ্ধারা Logo প্রতি বছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি Logo সরকারকে ঝামেলায় ফেলতে ‘পতিত দোসরদের’ নাশকতার চেষ্টা: রিজভী Logo কুবি ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ব্যতিক্রমী উদ্যোক্তা মেলা Logo পাবিপ্রবির সেন্ট্রাল ক্যাফেটারিয়ার খাবারে মিলল কেড়া পোকা, ক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা Logo প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন গোবিপ্রবির ১০ শিক্ষার্থী  Logo লন্ডনের সমাবেশ থেকে অবিলম্বে মেজর আখতারুজ্জামানের মুক্তি দাবি Logo ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পাচ্ছেন নোবিপ্রবির ৮ শিক্ষার্থী Logo প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন পাবিপ্রবির ১১ শিক্ষার্থী ‎ Logo নেটওয়ার্কের বাইরে থাকলেও যোগাযোগ, স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু বাংলালিংকের

এলপিজির কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত দামে বিক্রি খতিয়ে দেখতে মন্ত্রীর নির্দেশ

দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও বাজারে কেন কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য হলো, বর্তমান বাজারে এলপিজির কোনো ধরনের ঘাটতি নেই, অথচ কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফার লোভে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষের পকেট কাটছে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি খাতের সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ভোক্তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সম্প্রতি সচিবালয় থেকে দেশের সব জেলা প্রশাসকদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন সভা করেছেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাজারে এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও দাম বেশি নেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে, তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখতে ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ে ঠিক কী কারণে এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণসহ একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন দ্রুত মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।

জেলা প্রশাসকদের পাঠানো রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তীতে এলপিজি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যবসায়িক অংশীজনদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করবে মন্ত্রণালয়। বৈঠকে প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে যে সমস্ত এলাকায় গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি পাওয়া যাবে, সেখানে দ্রুত সরবরাহ বাড়ানোর কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হলে কিংবা কোনো ধরনের সিন্ডিকেট বা কৃত্রিম সংকট তৈরির প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মন্ত্রী।

সাধারণ জনগণের ভোগান্তি লাঘবে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি সবসময় স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন জ্বালানিমন্ত্রী। তিনি দেশের সকল জেলা প্রশাসনকে এ বিষয়ে আরও বেশি তৎপর, সজাগ ও কঠোর নজরদারি বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে কোনো সিন্ডিকেট সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়াতে না পারে। সরকারের এই কঠোর অবস্থানের ফলে অচিরেই এলপিজির বাজারে স্বস্তি ফিরে আসবে এবং অতিরিক্ত দাম আদায়ের নৈরাজ্য বন্ধ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় আর আবেদন নয়, চূড়ান্ত যাচাইয়ে বাদ পড়বেন অ-মুক্তিযোদ্ধারা

এলপিজির কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত দামে বিক্রি খতিয়ে দেখতে মন্ত্রীর নির্দেশ

প্রকাশিত ০৩:০০:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও বাজারে কেন কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য হলো, বর্তমান বাজারে এলপিজির কোনো ধরনের ঘাটতি নেই, অথচ কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফার লোভে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষের পকেট কাটছে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি খাতের সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ভোক্তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সম্প্রতি সচিবালয় থেকে দেশের সব জেলা প্রশাসকদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন সভা করেছেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাজারে এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও দাম বেশি নেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে, তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখতে ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ে ঠিক কী কারণে এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণসহ একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন দ্রুত মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।

জেলা প্রশাসকদের পাঠানো রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তীতে এলপিজি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যবসায়িক অংশীজনদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করবে মন্ত্রণালয়। বৈঠকে প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে যে সমস্ত এলাকায় গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি পাওয়া যাবে, সেখানে দ্রুত সরবরাহ বাড়ানোর কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হলে কিংবা কোনো ধরনের সিন্ডিকেট বা কৃত্রিম সংকট তৈরির প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মন্ত্রী।

সাধারণ জনগণের ভোগান্তি লাঘবে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি সবসময় স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন জ্বালানিমন্ত্রী। তিনি দেশের সকল জেলা প্রশাসনকে এ বিষয়ে আরও বেশি তৎপর, সজাগ ও কঠোর নজরদারি বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে কোনো সিন্ডিকেট সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়াতে না পারে। সরকারের এই কঠোর অবস্থানের ফলে অচিরেই এলপিজির বাজারে স্বস্তি ফিরে আসবে এবং অতিরিক্ত দাম আদায়ের নৈরাজ্য বন্ধ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।