ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

মেজর আখতারুজ্জামান একদিনের রিমান্ডে

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ঘটনায় গ্রেপ্তার সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর অব. আখতারুজ্জামানের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। সম্প্রতি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীরের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। বিমানবন্দর এলাকায় সরকারি কাজে বাধা প্রদান এবং নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক মাজেদুল ইসলাম আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, শাহজালালের মতো অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আসামি সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য পালনে বাধা দিয়েছেন এবং তাদের ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি আঘাত করেছেন। এর ফলে বিমানবন্দরে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় এবং বিদেশফেরত যাত্রীদের স্বাভাবিক যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে এই ধরনের অপ্রত্যাশিত ঘটনার পেছনে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার কোনো গভীর ষড়যন্ত্র বা কুচক্রী মহলের ইন্ধন রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। এই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থেই তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা অত্যন্ত জরুরি বলে আদালতকে অবহিত করে পুলিশ পক্ষ।

উল্লেখ্য, গত ২ অক্টোবর রাজধানী ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার ধামাল কোট অঞ্চলের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বিমানবন্দর এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি অবনতি ঘটানো এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

এক উঠানে সকাল পর্যন্ত রাখা হয় চার খাটিয়া, পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন

মেজর আখতারুজ্জামান একদিনের রিমান্ডে

প্রকাশিত ০২:০০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ঘটনায় গ্রেপ্তার সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর অব. আখতারুজ্জামানের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। সম্প্রতি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীরের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। বিমানবন্দর এলাকায় সরকারি কাজে বাধা প্রদান এবং নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক মাজেদুল ইসলাম আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, শাহজালালের মতো অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আসামি সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য পালনে বাধা দিয়েছেন এবং তাদের ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি আঘাত করেছেন। এর ফলে বিমানবন্দরে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় এবং বিদেশফেরত যাত্রীদের স্বাভাবিক যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে এই ধরনের অপ্রত্যাশিত ঘটনার পেছনে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার কোনো গভীর ষড়যন্ত্র বা কুচক্রী মহলের ইন্ধন রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। এই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থেই তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা অত্যন্ত জরুরি বলে আদালতকে অবহিত করে পুলিশ পক্ষ।

উল্লেখ্য, গত ২ অক্টোবর রাজধানী ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার ধামাল কোট অঞ্চলের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বিমানবন্দর এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি অবনতি ঘটানো এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।