ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ঘোস্টিংয়ের পর অরবিটিং মানেই কি ফিরে আসা? সোশ্যাল মিডিয়া যেভাবে প্রাক্তন সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলছে Logo ৭০ মিটার গভীর থেকে এক শিশুকে তুলে এনে আফগানিস্তানে নায়ক ১১ বছরের হজরত ওমর Logo তুমব্রু সীমান্তে ৪ লাখ ইয়াবা জব্দের দাবি বিজিবির Logo ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে কী বুঝাতে চাইলেন Logo এই প্রথম সৌরজগতের বাইরের এক গ্রহের রেডিও সংকেত শনাক্ত Logo সেনাসদস্যের লাশ নিতে গিয়ে লাশ হলেন পরিবারের আরো ৩ জন Logo বাবার ১৭ ফ্ল্যাট, অথচ ৪ হাজার টাকার বাসায় থাকি, ভাইয়ের বিরুদ্ধে বোনের অভিযোগ Logo চট্টগ্রাম বন্দর থেকে নেওয়া বিপজ্জনক রাসায়নিক বহনকারী কাভার্ডভ্যানে আগুন Logo নিজের মৃত্যুর গুজবে বিরক্ত আবুল হায়াত, বললেন ‘ঠিক আছি’ Logo মিরসরাইয়ে কারখানায় দগ্ধ হয়ে চীনা প্রকৌশলীসহ ৩ জনের মৃত্যু, অপমৃত্যুর মামলা

ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে কী বুঝাতে চাইলেন

বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নিয়ে কূটনৈতিক প্রস্তুতি চলছে। এর মধ্যেই গত রবিবার রাজধানীতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের মুখোমুখি হন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। এই বিষয়ে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের দেওয়া বক্তব্য কূটনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অনুষ্ঠানে সাংবাদিকরা সাবেক এই বাংলাদেশ নেত্রীকে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে ভারতের অবস্থান জানতে চাইলে হাই কমিশনার অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে মন্তব্য করেন। সাধারণত কূটনৈতিক মহলে স্পর্শকাতর বিষয়গুলো যেভাবে এড়িয়ে যাওয়া হয়, তার চেয়ে একটু ভিন্ন ভঙ্গিতে তিনি কিছু ইঙ্গিত দেন। তার এই বক্তব্যের গভীর অর্থ কী হতে পারে, তা নিয়ে এখন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ সমীকরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত বোঝাপড়ার ক্ষেত্রে এই মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক যোগাযোগের প্রাক্কালে এই ধরনের বার্তা বিশেষ বার্তা বহন করে। দিল্লি ও ঢাকার মধ্যকার বর্তমান সম্পর্কের বাস্তবতায় এটি একটি নতুন মোড় হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, শেখ হাসিনার ভারত অবস্থান এবং তার প্রত্যর্পণ নিয়ে তৈরি হওয়া এই জটিল পরিস্থিতি আগামী দিনে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের আসন্ন যোগাযোগের মাধ্যমেই এই বিষয়ের প্রকৃত চিত্র আরও পরিষ্কার হয়ে উঠবে।

জনপ্রিয়

ঘোস্টিংয়ের পর অরবিটিং মানেই কি ফিরে আসা? সোশ্যাল মিডিয়া যেভাবে প্রাক্তন সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলছে

ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে কী বুঝাতে চাইলেন

প্রকাশিত ০৭:৪৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নিয়ে কূটনৈতিক প্রস্তুতি চলছে। এর মধ্যেই গত রবিবার রাজধানীতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের মুখোমুখি হন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। এই বিষয়ে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের দেওয়া বক্তব্য কূটনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অনুষ্ঠানে সাংবাদিকরা সাবেক এই বাংলাদেশ নেত্রীকে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে ভারতের অবস্থান জানতে চাইলে হাই কমিশনার অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে মন্তব্য করেন। সাধারণত কূটনৈতিক মহলে স্পর্শকাতর বিষয়গুলো যেভাবে এড়িয়ে যাওয়া হয়, তার চেয়ে একটু ভিন্ন ভঙ্গিতে তিনি কিছু ইঙ্গিত দেন। তার এই বক্তব্যের গভীর অর্থ কী হতে পারে, তা নিয়ে এখন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ সমীকরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত বোঝাপড়ার ক্ষেত্রে এই মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক যোগাযোগের প্রাক্কালে এই ধরনের বার্তা বিশেষ বার্তা বহন করে। দিল্লি ও ঢাকার মধ্যকার বর্তমান সম্পর্কের বাস্তবতায় এটি একটি নতুন মোড় হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, শেখ হাসিনার ভারত অবস্থান এবং তার প্রত্যর্পণ নিয়ে তৈরি হওয়া এই জটিল পরিস্থিতি আগামী দিনে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের আসন্ন যোগাযোগের মাধ্যমেই এই বিষয়ের প্রকৃত চিত্র আরও পরিষ্কার হয়ে উঠবে।