ঢাকা ০৬:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo নাশতার সময় গলায় ডিম আটকে প্রাণ গেল তরুণীর Logo হাসিমুখে ফুলেল শুভেচ্ছা নিলেন শিক্ষক, কিছুক্ষণ পর ঢলে পড়লেন মৃত্যুর কোলে Logo ঢাকা-বাইপাস এক্সপ্রেসওয়েতে ফাটল, তড়িঘড়ি গর্ত ভরাট, ঝুঁকি নিয়ে যান চলাচল Logo ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯০২ Logo প্রাচীন দাঁত দেখে গবেষকেরা জানালেন, মানুষ সুপারি খেত ২৫ হাজার বছর আগে থেকেই Logo ভিয়েতনামে ২৭০০ বিড়াল চুরির অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১২ Logo দুদকের মামলায় ছেলেসহ গ্রেপ্তার দেখানো হলো শাজাহান খানকে Logo ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা হামলার হুমকি দিয়ে ইমেইল, তদন্তে ডিবি Logo আলোয় মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণের কৌশল উদ্ভাবনে চিকিৎসায় নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী Logo কিশোরগঞ্জে ৯ মাসে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ২৫ হাজার, ডেঙ্গুতে ১,৮০০; মৃত্যু ৩

ভিয়েতনামে ২৭০০ বিড়াল চুরির অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১২

ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটির বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় রাতের অন্ধকারে অভিযান চালিয়ে বিশাল এক চোর চক্রের সন্ধান পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দীর্ঘদিন ধরে গোপনে পোষা ও stray বিড়াল চুরি করে জবাইয়ের উদ্দেশ্যে পাচার করে আসছিল চক্রটি। পুলিশ ও দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট বারো জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযুক্ত চক্রটির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত চালিয়ে আসছিল পুলিশ। সম্প্রতি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা পশম ছাড়ানোর বিশেষ যন্ত্র, বিড়াল ধরার ফাঁদ এবং ওজন মাপার মেশিনসহ বিভিন্ন অবৈধ সরঞ্জাম জব্দ করেন। এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হো চি মিন সিটির বিভিন্ন পাড়া থেকে মোট দুই হাজার সাতশর মতো বিড়াল চুরি করা হয়েছিল।

ভিয়েতনামের প্রচলিত আইনে কুকুর বা বিড়ালের মাংস খাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ নয়, ফলে দেশটির অনেক রেস্তোরাঁয় এসব মাংসের অবাধ প্রচলন ও বিক্রি দেখা যায়। তবে নিয়মানুযায়ী মাংস ব্যবসায়ীদের কাছে পশুপাখির উৎসের বৈধ সনদ থাকা বাধ্যতামূলক। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, চুরি করা এসব বিড়ালের মাংস প্রতি কেজি প্রায় ৭০ হাজার ডং বা ২ দশমিক ৭০ ডলারে বিভিন্ন খাবারের দোকানে সরবরাহ করা হতো।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত বারো জনই বিড়াল চুরি ও অবৈধ পাচারের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই চুরির শিকার প্রায় দুই হাজার সাতশ বিড়ালের সন্ধান পাওয়া যায়। গত রোববার আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগেও চলতি বছরের শুরুর দিকে হো চি মিন সিটিতে পৃথক দুটি চক্রের বিড়াল চুরির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আঠারো জনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।

জনপ্রিয়

নাশতার সময় গলায় ডিম আটকে প্রাণ গেল তরুণীর

ভিয়েতনামে ২৭০০ বিড়াল চুরির অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১২

প্রকাশিত ০৫:০০:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটির বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় রাতের অন্ধকারে অভিযান চালিয়ে বিশাল এক চোর চক্রের সন্ধান পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দীর্ঘদিন ধরে গোপনে পোষা ও stray বিড়াল চুরি করে জবাইয়ের উদ্দেশ্যে পাচার করে আসছিল চক্রটি। পুলিশ ও দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট বারো জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযুক্ত চক্রটির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত চালিয়ে আসছিল পুলিশ। সম্প্রতি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা পশম ছাড়ানোর বিশেষ যন্ত্র, বিড়াল ধরার ফাঁদ এবং ওজন মাপার মেশিনসহ বিভিন্ন অবৈধ সরঞ্জাম জব্দ করেন। এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হো চি মিন সিটির বিভিন্ন পাড়া থেকে মোট দুই হাজার সাতশর মতো বিড়াল চুরি করা হয়েছিল।

ভিয়েতনামের প্রচলিত আইনে কুকুর বা বিড়ালের মাংস খাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ নয়, ফলে দেশটির অনেক রেস্তোরাঁয় এসব মাংসের অবাধ প্রচলন ও বিক্রি দেখা যায়। তবে নিয়মানুযায়ী মাংস ব্যবসায়ীদের কাছে পশুপাখির উৎসের বৈধ সনদ থাকা বাধ্যতামূলক। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, চুরি করা এসব বিড়ালের মাংস প্রতি কেজি প্রায় ৭০ হাজার ডং বা ২ দশমিক ৭০ ডলারে বিভিন্ন খাবারের দোকানে সরবরাহ করা হতো।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত বারো জনই বিড়াল চুরি ও অবৈধ পাচারের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই চুরির শিকার প্রায় দুই হাজার সাতশ বিড়ালের সন্ধান পাওয়া যায়। গত রোববার আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগেও চলতি বছরের শুরুর দিকে হো চি মিন সিটিতে পৃথক দুটি চক্রের বিড়াল চুরির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আঠারো জনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।