ঢাকা ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের সাফল্য উদযাপনে ‘স্বপ্ন সারথী’র সংবর্ধনা Logo মসজিদের বিদ্যুৎ নীতিমালা ও সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুপারিশ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির Logo বসনিয়ার কাছে পোল্যান্ডের হার Logo বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: এক বছরে দারিদ্র্যের ফাঁদে আরও ২১ লাখ মানুষ Logo লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো নিয়ে নিতে পারে ইরান, বললেন ট্রাম্প Logo একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নিশ্চায়নের সুযোগ শেষ হচ্ছে আজ Logo বিদেশি অনুদানে টান: অর্থায়ন ঝুঁকিতে ২,২০০ এনজিও Logo ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের আগে ইসরায়েলে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে Logo মিয়ানমারের ১০ হাজার নাগরিককে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া Logo তরুণদের মধ্যে ক্যানসার আক্রান্তের হার বাড়ছে, কারণ কী

লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো নিয়ে নিতে পারে ইরান, বললেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বক্তব্য ঘিরে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সম্প্রতি নেব্রাস্কার গ্র্যান্ড আইল্যান্ডে এক নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো শহরকে ইরানের হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেন। ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর থেকেই ক্যালিফোর্নিয়াসহ দেশটির বিভিন্ন মহলে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে এবং একে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

সমাবেশে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপদ রাখতে কিছু মূল্য পরিশোধ করতে হবে। এরপরই তিনি মন্তব্য করেন যে লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো শহর ধ্বংস হয়ে যেতে পারে, যা শুনে উপস্থিত সমর্থকেরা উল্লাস প্রকাশ করেন। যদিও তিনি দাবি করেন যে ইরানের সঙ্গে এই সংঘাত দ্রুতই সমাপ্তির পথে পৌঁছাবে, তবে তার এই বিতর্কিত মূল্যায়ন দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পর দ্রুত ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক কড়া বার্তায় তিনি ট্রাম্পকে বিপজ্জনক আখ্যা দিয়ে বলেন, প্রেসিডেন্ট নিজেই দেশের ১ কোটির বেশি নাগরিকের ওপর হামলার ঝুঁকি তৈরি করছেন। এছাড়া লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগোর মেয়ররাও প্রেসিডেন্টের এই অবস্থান প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন যে নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়া রাষ্ট্রপতির প্রধান দায়িত্ব, কোনো ভীতি প্রদর্শন নয়।

এদিকে ট্রাম্পের সমর্থক ও রক্ষণশীল শিবিরের একাংশ দাবি করেছে যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্যটি ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাদের ভাষ্যমতে, ট্রাম্প মূলত জ্বালানির উচ্চমূল্যের মতো অর্থনৈতিক সংকটের বিষয়টিকে বোঝাতে চেয়েছেন এবং এটি কোনো সামরিক হুমকির প্রকাশ ছিল না। তবে এই ব্যাখ্যার পরও মার্কিন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করিয়ে দিয়েছেন যে ইরানের সরাসরি মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানার সক্ষমতা নিয়ে এখনো বিতর্ক রয়েছে, যা এই রাজনৈতিক বাকযুদ্ধকে আরও জটিল করে তুলেছে।

জনপ্রিয়

সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের সাফল্য উদযাপনে ‘স্বপ্ন সারথী’র সংবর্ধনা

লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো নিয়ে নিতে পারে ইরান, বললেন ট্রাম্প

প্রকাশিত ০৫:৩০:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বক্তব্য ঘিরে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সম্প্রতি নেব্রাস্কার গ্র্যান্ড আইল্যান্ডে এক নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো শহরকে ইরানের হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেন। ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর থেকেই ক্যালিফোর্নিয়াসহ দেশটির বিভিন্ন মহলে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে এবং একে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

সমাবেশে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপদ রাখতে কিছু মূল্য পরিশোধ করতে হবে। এরপরই তিনি মন্তব্য করেন যে লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো শহর ধ্বংস হয়ে যেতে পারে, যা শুনে উপস্থিত সমর্থকেরা উল্লাস প্রকাশ করেন। যদিও তিনি দাবি করেন যে ইরানের সঙ্গে এই সংঘাত দ্রুতই সমাপ্তির পথে পৌঁছাবে, তবে তার এই বিতর্কিত মূল্যায়ন দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পর দ্রুত ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক কড়া বার্তায় তিনি ট্রাম্পকে বিপজ্জনক আখ্যা দিয়ে বলেন, প্রেসিডেন্ট নিজেই দেশের ১ কোটির বেশি নাগরিকের ওপর হামলার ঝুঁকি তৈরি করছেন। এছাড়া লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগোর মেয়ররাও প্রেসিডেন্টের এই অবস্থান প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন যে নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়া রাষ্ট্রপতির প্রধান দায়িত্ব, কোনো ভীতি প্রদর্শন নয়।

এদিকে ট্রাম্পের সমর্থক ও রক্ষণশীল শিবিরের একাংশ দাবি করেছে যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্যটি ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাদের ভাষ্যমতে, ট্রাম্প মূলত জ্বালানির উচ্চমূল্যের মতো অর্থনৈতিক সংকটের বিষয়টিকে বোঝাতে চেয়েছেন এবং এটি কোনো সামরিক হুমকির প্রকাশ ছিল না। তবে এই ব্যাখ্যার পরও মার্কিন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করিয়ে দিয়েছেন যে ইরানের সরাসরি মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানার সক্ষমতা নিয়ে এখনো বিতর্ক রয়েছে, যা এই রাজনৈতিক বাকযুদ্ধকে আরও জটিল করে তুলেছে।