ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ৪৯তম বিসিএসে ৬৫১ জনকে নিয়োগ, যোগদানের সময় জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় Logo মঙ্গল গ্রহের বিরল ছবি তুলল নাসা Logo ‘চাঁদা না পেয়ে’ ট্রাক এনে লুটপাট; সরকার কেন চাঁদাবাজি-দখল থামাতে পারছে না? Logo চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি অপারেটর: চুক্তিতে কী আছে Logo রাজধানী ঢাকায় ৩২ বাস রুটে ফ্র্যাঞ্চাইজি, ৭ কার্যদিবসের মধ্যে শুরু Logo গণভোটের রায় পাশ কাটিয়ে সংবিধান সংশোধন মানবে না জামায়াত, জোরদার করবে রাজপথের আন্দোলন Logo নাগরিকদের দৈনিক চাহিদা পূরণে কাজ করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী Logo তৃণমূলের ১০ বিধায়কের পদ বাতিলের আবেদন খারিজ করলেন স্পিকার Logo মব–সংস্কৃতি: ক্ষোভের প্রকাশ, নাকি সংগঠিত সন্ত্রাস Logo আইএমএফের নতুন ঋণ ৪৫০ কোটি ডলার, চুক্তি হতে পারে ডিসেম্বরে

গণভোটের রায় পাশ কাটিয়ে সংবিধান সংশোধন মানবে না জামায়াত, জোরদার করবে রাজপথের আন্দোলন

রাজনীতি ডেস্ক: জনগণের সরাসরি মতামতের ভিত্তিতে নেওয়া গণভোটের রায়কে পাশ কাটিয়ে দেশের সংবিধানে কোনো ধরনের পরিবর্তন আনা হলে তা কখনোই মেনে নেবে না জামায়াতে ইসলামী। সম্প্রতি দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা এক বৈঠকে এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। তাদের মতে, সংবিধান সংস্কারের ক্ষেত্রে জনগণের যে প্রত্যাশা এবং গণভোটের মাধ্যমে যে রায় প্রকাশ পেয়েছে, তার পূর্ণ প্রতিফলন ঘটাতেই হবে। অন্যথায় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে তারা মনে করছেন।

জামায়াত নেতৃবৃন্দ আরও জানান, সংবিধান নিয়ে যেকোনো একতরফা সিদ্ধান্ত বা জনগণের মতামতের অবমূল্যায়ন দেশের সাধারণ মানুষ ভালোভাবে গ্রহণ করবে না। এ ধরনের যেকোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র আইনি ও রাজনৈতিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। দলের নীতিনির্ধারক মহলের মতে, জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। তাই জনগণের অধিকার রক্ষায় তারা সবসময় সোচ্চার থাকবেন এবং যেকোনো মূলével এই দাবি আদায় করার চেষ্টা চালাবেন।

এই ইস্যুতে সংসদীয় রাজনীতির পাশাপাশি রাজপথের আন্দোলনকে আরও বেগবান ও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে দলটি। নেতারা ঘোষণা দিয়েছেন যে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে। প্রয়োজনে সারা দেশে ব্যাপক গণসংযোগ এবং বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হবে। সাংগঠনিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে রাজপথের আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে বলেও জানান তারা।

বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতের এই কঠোর অবস্থানের ফলে আগামীতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে। সংবিধান সংশোধন বা সংস্কারের প্রক্রিয়া নিয়ে সরকার এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার দূরত্ব আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা এখন দেখার বিষয়। তবে দলটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, জনগণের অধিকারের প্রশ্নে তারা রাজপথ ছাড়বেন না।

জনপ্রিয়

৪৯তম বিসিএসে ৬৫১ জনকে নিয়োগ, যোগদানের সময় জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

গণভোটের রায় পাশ কাটিয়ে সংবিধান সংশোধন মানবে না জামায়াত, জোরদার করবে রাজপথের আন্দোলন

প্রকাশিত ০১:১৫:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: জনগণের সরাসরি মতামতের ভিত্তিতে নেওয়া গণভোটের রায়কে পাশ কাটিয়ে দেশের সংবিধানে কোনো ধরনের পরিবর্তন আনা হলে তা কখনোই মেনে নেবে না জামায়াতে ইসলামী। সম্প্রতি দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা এক বৈঠকে এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। তাদের মতে, সংবিধান সংস্কারের ক্ষেত্রে জনগণের যে প্রত্যাশা এবং গণভোটের মাধ্যমে যে রায় প্রকাশ পেয়েছে, তার পূর্ণ প্রতিফলন ঘটাতেই হবে। অন্যথায় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে তারা মনে করছেন।

জামায়াত নেতৃবৃন্দ আরও জানান, সংবিধান নিয়ে যেকোনো একতরফা সিদ্ধান্ত বা জনগণের মতামতের অবমূল্যায়ন দেশের সাধারণ মানুষ ভালোভাবে গ্রহণ করবে না। এ ধরনের যেকোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র আইনি ও রাজনৈতিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। দলের নীতিনির্ধারক মহলের মতে, জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। তাই জনগণের অধিকার রক্ষায় তারা সবসময় সোচ্চার থাকবেন এবং যেকোনো মূলével এই দাবি আদায় করার চেষ্টা চালাবেন।

এই ইস্যুতে সংসদীয় রাজনীতির পাশাপাশি রাজপথের আন্দোলনকে আরও বেগবান ও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে দলটি। নেতারা ঘোষণা দিয়েছেন যে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে। প্রয়োজনে সারা দেশে ব্যাপক গণসংযোগ এবং বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হবে। সাংগঠনিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে রাজপথের আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে বলেও জানান তারা।

বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতের এই কঠোর অবস্থানের ফলে আগামীতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে। সংবিধান সংশোধন বা সংস্কারের প্রক্রিয়া নিয়ে সরকার এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার দূরত্ব আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা এখন দেখার বিষয়। তবে দলটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, জনগণের অধিকারের প্রশ্নে তারা রাজপথ ছাড়বেন না।