জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে দিনব্যাপী একটি বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংগঠনের সাবেক শিক্ষার্থীরা অংশ নেন, যা এক মিলনমেলায় রূপ নেয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই অতীতে মৃত্যুবরণকারী সকল অ্যালামনাই সদস্যের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পুরো আয়োজনে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও কার্যনির্বাহী কমিটি, বিভিন্ন উপকমিটি এবং জেলা ও বিভাগওয়ারী দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেলিগেটরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি অ্যাডভোকেট নাজমুল হক সাঈদীর সভাপতিত্বে সভার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর স্বাগত বক্তব্যে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল হাই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে তার কাঙ্ক্ষিত মূল লক্ষ্যে এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দেন। তিনি বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সঠিক পথে পরিচালনা করতে হবে। এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী ধর্মীয় ও সাধারণ শিক্ষার সুষম সমন্বয় বজায় রেখে অনুমোদিত বিভাগসমূহ চালুর জোরালো দাবি জানান।
বক্তব্যে সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ডেলিগেটদের সামনে সংগঠনের ভবিষ্যৎ নানা কল্যাণমুখী কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি জানান যে, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ভবিষ্যতে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়, একটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে। এসব মহৎ উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে হলে সাবেক শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন। সংগঠনের অগ্রযাত্রায় সকলকে দলমত নির্বিশেষে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের অর্থসম্পাদক ড. শরীফ উদ্দিন প্রামাণিক উপস্থিত সবার উদ্দেশে আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও তহবিলের বিষয়ে বক্তব্য দেন এবং সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল করিম অ্যাসোসিয়েশনকে আরও সার্বজনীন ও গতিশীল করার রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি জয়েন্ট স্টক কোম্পানির নির্ধারিত বিধি-বিধান ও অনুধারাগুলো সঠিকভাবে মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দিনব্যাপী এই প্রাণবন্ত আলোচনা সভার পর একটি আকর্ষণীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরো আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।




































