ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ, যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত, নীলক্ষেত অবরোধ Logo সার ডিলার নিয়োগের তালিকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা, পটিয়ায় তোলপাড় Logo এবার কি ঢাকায় বাস চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরবে Logo মক্কা চুক্তির বিষয়টি আমরা ইতিবাচক হিসেবে বিবেচনা করছি Logo ফ্যাসিবাদ ফিরলে দায় জামায়াতকে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ Logo মন্ত্রীর আশ্বাসে আন্দোলন প্রত্যাহার, রোববার ক্লাসে ফিরছেন সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা Logo বিদেশি শক্তির ইন্ধনে দেশকে অস্থিতিশীল করছে বিরোধীরা: বিজেপি Logo সাফারি পার্কের চুরি হওয়া লেমুর ফিরিয়ে আনার বিষয়ে তদন্ত চলছে: পরিবেশমন্ত্রী Logo সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরুর বিভাজন নয়, পরিচয় হবে বাংলাদেশি: মাহদী আমিন Logo আজই আবেদন করুন: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও ওয়ালটনে নিয়োগ

মক্কা চুক্তির বিষয়টি আমরা ইতিবাচক হিসেবে বিবেচনা করছি

জাতীয় ডেস্ক: সৌদি আরবের নেতৃত্বে সম্পাদিত মক্কা চুক্তিকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ। মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশ সবসময় ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত রাখতে চায়। ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ‘শ্রমশক্তি থেকে কৌশলগত অংশীদারিত্ব: বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্কের নতুন বিন্যাস’ শীর্ষক একটি সেমিনারে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে জাতিসংঘ মিশনে কাজ করে যাচ্ছে এবং আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পাশে থাকতে আগ্রহী।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী জানান যে সৌদি আরবের সঙ্গে কেবল শ্রমবাজারের সম্পর্ক নয়, বরং একটি বহুমুখী কৌশলগত ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চায় বর্তমান সরকার। বাংলাদেশের বর্তমান প্রশাসন বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি সম্পূর্ণ অনুকূল ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। এই অনুকূল পরিবেশের সদ্ব্যবহার করে সৌদি আরবকে বাংলাদেশের বিভিন্ন উৎপাদনশীল ও সম্ভাবনাময় খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগ করার আহ্বান জানান তিনি। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থেই অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের এই নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের কর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা আরও সুদৃঢ় হবে। দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল রপ্তানির মাধ্যমে দেশটির শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও বেশি মজবুত ও সুরক্ষিত হবে বলে তিনি মনে করেন। সৌদি আরবের সঙ্গে ঐতিহাসিক ও আত্মিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন যে দুই বন্ধুপ্রতিম দেশই এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কল্যাণে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর। কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক উভয় ক্ষেত্রেই পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো দিন দিন প্রসারিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ এখন তার স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিতে আত্মনির্ভরশীলতার এক নতুন যাত্রাপথ তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি ঘোষণা করেন যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুব শীঘ্রই একটি আনুষ্ঠানিক সফরে সৌদি আরব গমন করবেন। এই উচ্চপর্যায়ের সফরের মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও বেশি গতিশীল ও গভীরতা লাভ করবে। এই সফর দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বকে এক নতুন উচ্চতায় উন্নীত করবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

জনপ্রিয়

প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ, যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত, নীলক্ষেত অবরোধ

মক্কা চুক্তির বিষয়টি আমরা ইতিবাচক হিসেবে বিবেচনা করছি

প্রকাশিত ০১:০০:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: সৌদি আরবের নেতৃত্বে সম্পাদিত মক্কা চুক্তিকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ। মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশ সবসময় ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত রাখতে চায়। ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ‘শ্রমশক্তি থেকে কৌশলগত অংশীদারিত্ব: বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্কের নতুন বিন্যাস’ শীর্ষক একটি সেমিনারে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে জাতিসংঘ মিশনে কাজ করে যাচ্ছে এবং আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পাশে থাকতে আগ্রহী।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী জানান যে সৌদি আরবের সঙ্গে কেবল শ্রমবাজারের সম্পর্ক নয়, বরং একটি বহুমুখী কৌশলগত ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চায় বর্তমান সরকার। বাংলাদেশের বর্তমান প্রশাসন বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি সম্পূর্ণ অনুকূল ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। এই অনুকূল পরিবেশের সদ্ব্যবহার করে সৌদি আরবকে বাংলাদেশের বিভিন্ন উৎপাদনশীল ও সম্ভাবনাময় খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগ করার আহ্বান জানান তিনি। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থেই অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের এই নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের কর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা আরও সুদৃঢ় হবে। দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল রপ্তানির মাধ্যমে দেশটির শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও বেশি মজবুত ও সুরক্ষিত হবে বলে তিনি মনে করেন। সৌদি আরবের সঙ্গে ঐতিহাসিক ও আত্মিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন যে দুই বন্ধুপ্রতিম দেশই এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কল্যাণে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর। কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক উভয় ক্ষেত্রেই পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো দিন দিন প্রসারিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ এখন তার স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিতে আত্মনির্ভরশীলতার এক নতুন যাত্রাপথ তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি ঘোষণা করেন যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুব শীঘ্রই একটি আনুষ্ঠানিক সফরে সৌদি আরব গমন করবেন। এই উচ্চপর্যায়ের সফরের মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও বেশি গতিশীল ও গভীরতা লাভ করবে। এই সফর দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বকে এক নতুন উচ্চতায় উন্নীত করবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।