জাতীয় ডেস্ক: শিক্ষাজীবনে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জনের পেছনে পারিবারিক অনুপ্রেরণা এবং অভিভাবকের ভূমিকা সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি এমনই এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে তাসমিয়া, যে তার পড়াশোনায় মায়ের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগের কারণে শীর্ষ ফলাফল অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। শিখো ও প্রথম আলোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সে এই সাফল্যের গল্প সবার সাথে ভাগ করে নেয়।
অনুষ্ঠানে তাসমিয়া তার মা কোহিনুর পারভীনকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হয়েছিল, যিনি মেয়ের পড়াশোনার পেছনে সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছেন। গভীর রাত পর্যন্ত জেগে মেয়ের পড়ার সুবিধার্থে নিজের হাতে নোট তৈরি করে দিতেন এই সংগ্রামী মা। মেয়ের স্বপ্ন পূরণে মায়ের এই নিরলস প্রচেষ্টা এবং ত্যাগ তাকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে আসতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।
মেধাবী এই শিক্ষার্থীর সাফল্যের মুহূর্তে তার পাশে গর্বিত অভিভাবক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তার বাবা আতিকুল ইসলামও। বাবা-মায়ের এমন অকৃত্রিম সমর্থন ও ভালোবাসার কারণেই তাসমিয়া সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে কাঙ্ক্ষিত জিপিএ-৫ অর্জনে সফল হয়েছে। সংবর্ধনা মঞ্চে মা-বাকে সঙ্গে নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে সে তার অর্জিত সাফল্যের সমস্ত কৃতিত্ব পরিবারকেই উৎসর্গ করেছে।
এই ধরনের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান কেবল শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিতই করে না, বরং পর্দার আড়ালে থাকা অভিভাবকদের অবদানকেও জাতির সামনে তুলে ধরে। তাসমিয়ার এই সাফল্য প্রমাণ করে যে, সঠিক দিকনির্দেশনা, পারিবারিক বন্ধন এবং কঠোর পরিশ্রম থাকলে যেকোনো কঠিন লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব। আগামী দিনে আরও বড় সাফল্যের জন্য সে সকলের দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেছে।




































