আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুথি বিদ্রোহীদের সামরিক তৎপরতা মোকাবিলায় সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের একটি বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক অংশগ্রহণের এই আলোচনা শুরু হয়েছে। হোয়াইট হাউস থেকে একটি নির্বাচনি সমাবেশে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প এই পরিস্থিতির বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানান।
সৌদি আরবের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ওই ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বেসামরিক বিমান চলাচল স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো ধারাবাহিক হামলার অংশ হিসেবেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তবে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা এখন পর্যন্ত এসব হামলার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো দায় স্বীকার করেনি।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান যে তারা এই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখবেন এবং খুব দ্রুত পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। তবে সৌদি আরবের পক্ষে দেশটির সামরিক কার্যক্রমে সরাসরি যোগ দেওয়ার বিষয়ে ওয়াশিংটন এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি। সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনেও ট্রাম্পের বক্তব্যে মার্কিন সামরিক অংশগ্রহণের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
রিয়াদের বিমানবন্দরে সংঘটিত এই সাম্প্রতিক হামলার ঘটনাটি ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা নিয়ে ট্রাম্পের পূর্ববর্তী অবস্থানে কোনো প্রভাব ফেলবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে সম্ভাব্য কোনো হামলা নিয়ে এগোবেন না বলে জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। এই বিষয়েও বর্তমান পরিস্থিতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করে দেখার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।



































