ঢাকা ১২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

এবার মুক্তি পেলেন ককরোচের অভিজিৎসহ ৩ শীর্ষ নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রায় ২৪ ঘণ্টা আটক থাকার পর অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দলটির দুই শীর্ষ নেতা। গত শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি বার্তার মাধ্যমে এই তিন নেতার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে রাজনৈতিক দলটি। দিল্লি পুলিশ তাঁদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে বলে ওই পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির জন্তর মন্তরে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করেছিল সিজেপি। মূলত ভোটার তালিকা ও সামগ্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগ তুলেই তারা এই প্রতিবাদের ডাক দিয়েছিল।

দিল্লিতে পৌঁছানোর ঠিক পরপরই বিমানবন্দর এলাকা থেকে অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে আটক করা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই পদক্ষেপ ভারতীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ বড় ধরনের আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

একই বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে বিরোধী দলের কর্মী ও অধিকারকর্মীসহ প্রায় তিন হাজার মানুষকে আটক করেছিল। তবে পরবর্তীতে আটককৃতদের অধিকাংশকেই ছেড়ে দেওয়া হয়।

দীর্ঘ ২৪ ঘণ্টার আটকাবস্থার অবসান ঘটিয়ে এই তিন নেতার মুক্তি মিললেও, ঠিক কী কারণে তাঁদের আটক করা হয়েছিল বা কোন পরিস্থিতিতে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হলো সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়

লিড নেওয়ার লক্ষ‍্যে নামছে বাংলাদেশ

এবার মুক্তি পেলেন ককরোচের অভিজিৎসহ ৩ শীর্ষ নেতা

প্রকাশিত ১১:৩৭:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রায় ২৪ ঘণ্টা আটক থাকার পর অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দলটির দুই শীর্ষ নেতা। গত শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি বার্তার মাধ্যমে এই তিন নেতার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে রাজনৈতিক দলটি। দিল্লি পুলিশ তাঁদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে বলে ওই পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির জন্তর মন্তরে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করেছিল সিজেপি। মূলত ভোটার তালিকা ও সামগ্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগ তুলেই তারা এই প্রতিবাদের ডাক দিয়েছিল।

দিল্লিতে পৌঁছানোর ঠিক পরপরই বিমানবন্দর এলাকা থেকে অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে আটক করা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই পদক্ষেপ ভারতীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ বড় ধরনের আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

একই বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে বিরোধী দলের কর্মী ও অধিকারকর্মীসহ প্রায় তিন হাজার মানুষকে আটক করেছিল। তবে পরবর্তীতে আটককৃতদের অধিকাংশকেই ছেড়ে দেওয়া হয়।

দীর্ঘ ২৪ ঘণ্টার আটকাবস্থার অবসান ঘটিয়ে এই তিন নেতার মুক্তি মিললেও, ঠিক কী কারণে তাঁদের আটক করা হয়েছিল বা কোন পরিস্থিতিতে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হলো সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।