ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo কোনো মুচলেকায় সই করিনি, আবার আন্দোলনে নামব: দিপকে Logo বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী জাপানের মারুবেনি Logo সম্ভাব্য সঙ্গীর মন জয় করার ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের কৌশল এক নয় Logo বাংলাদেশে আইফোন ১৮ সিরিজ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করলো গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ার Logo ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীকী উপাচার্য শীতল, বললেন হাতে থাকা সময়টুকুই বড় সম্পদ Logo ১২ ফুট অজগর উদ্ধার, টিলাগড়ের বনে অবমুক্ত Logo পারমাণবিক যুদ্ধ ও এআই ঝুঁকিতে মানবজাতি: ল্যানসেট Logo ‘তৌফিক ইমরোজ খালিদীর আত্মকথা’ লিখতে চেয়েছিলাম Logo ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন করে বন্ধুত্বের প্রমাণ দিক ভারত: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo হাড়ের যত্ন শুরু হোক চল্লিশের আগেই

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীকী উপাচার্য শীতল, বললেন হাতে থাকা সময়টুকুই বড় সম্পদ

ক্যাম্পাস ডেস্ক: আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে এক দিনের প্রতীকী দায়িত্ব পালন করেছেন উচ্চমাধ্যমিক পড়ুয়া শীতল। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়, যেখানে রাজধানীর একটি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের এই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ পদে বসেন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম নিজে তার কাছে এই প্রতীকী দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। দায়িত্ব পালনকালে শীতল জানান যে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই এবং বর্তমানে তাদের হাতে থাকা সময়টুকুই সবচেয়ে বড় সম্পদ।

প্রতীকী দায়িত্ব গ্রহণের পর শীতল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নেন এবং নিজের বক্তব্যে বিভিন্ন জরুরি বিষয় তুলে ধরেন। তিনি সমাজ থেকে বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর প্রভাব দূর করার পাশাপাশি শিশু অধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো সবার সামনে নিয়ে আসেন। এছাড়া যুবনারীদের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তিনি একটি স্বাধীন, নিরাপদ ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের জোরালো আহ্বান জানান।

শিক্ষার্থীর হাতে প্রতীকী দায়িত্ব তুলে দেওয়ার সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম তরুণীদের নিয়ে তার গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রকাশ করেন। তিনি বলেন যে শীতলের মতো প্রতিটি কন্যার স্বপ্নকে এগিয়ে নিতে শিক্ষার সব দরজা সবসময় খোলা রাখা অত্যন্ত জরুরি। কন্যাশিশুদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নেতৃত্বের উপযুক্ত সুযোগ দেওয়ার ওপরও তিনি বিশেষ জোর দেন। উপাচার্যের মতে, কন্যাশিশুর শিক্ষা ও অধিকারে বিনিয়োগ করা হলো একটি সুন্দর ও সমতাপূর্ণ ভবিষ্যৎ গড়ার প্রধান ভিত্তি।

উপাচার্যের কাছ থেকে পাওয়া মূল্যবান উপদেশ ও শিক্ষা নিজের জীবনে আজীবন মনে রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রতীকী উপাচার্য শীতল। নিজের পড়াশোনা শেষ করে জীবনের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর বিষয়ে তিনি আগের চেয়ে অনেক বেশি সংকল্পবদ্ধ হয়েছেন বলে জানান। এর আগে শীতল কন্যাশিশুর শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের লক্ষে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশসহ বিভিন্ন যুব ও কমিউনিটিভিত্তিক উদ্যোগের সাথে কাজ করেছেন। তার এই প্রতীকী দায়িত্ব পালন মূলত নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করা এবং নেতৃত্ব তৈরির প্রয়োজনীয়তাকেই জোরালোভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।

জনপ্রিয়

কোনো মুচলেকায় সই করিনি, আবার আন্দোলনে নামব: দিপকে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীকী উপাচার্য শীতল, বললেন হাতে থাকা সময়টুকুই বড় সম্পদ

প্রকাশিত ০৬:৫২:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

ক্যাম্পাস ডেস্ক: আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে এক দিনের প্রতীকী দায়িত্ব পালন করেছেন উচ্চমাধ্যমিক পড়ুয়া শীতল। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়, যেখানে রাজধানীর একটি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের এই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ পদে বসেন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম নিজে তার কাছে এই প্রতীকী দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। দায়িত্ব পালনকালে শীতল জানান যে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই এবং বর্তমানে তাদের হাতে থাকা সময়টুকুই সবচেয়ে বড় সম্পদ।

প্রতীকী দায়িত্ব গ্রহণের পর শীতল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নেন এবং নিজের বক্তব্যে বিভিন্ন জরুরি বিষয় তুলে ধরেন। তিনি সমাজ থেকে বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর প্রভাব দূর করার পাশাপাশি শিশু অধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো সবার সামনে নিয়ে আসেন। এছাড়া যুবনারীদের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তিনি একটি স্বাধীন, নিরাপদ ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের জোরালো আহ্বান জানান।

শিক্ষার্থীর হাতে প্রতীকী দায়িত্ব তুলে দেওয়ার সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম তরুণীদের নিয়ে তার গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রকাশ করেন। তিনি বলেন যে শীতলের মতো প্রতিটি কন্যার স্বপ্নকে এগিয়ে নিতে শিক্ষার সব দরজা সবসময় খোলা রাখা অত্যন্ত জরুরি। কন্যাশিশুদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নেতৃত্বের উপযুক্ত সুযোগ দেওয়ার ওপরও তিনি বিশেষ জোর দেন। উপাচার্যের মতে, কন্যাশিশুর শিক্ষা ও অধিকারে বিনিয়োগ করা হলো একটি সুন্দর ও সমতাপূর্ণ ভবিষ্যৎ গড়ার প্রধান ভিত্তি।

উপাচার্যের কাছ থেকে পাওয়া মূল্যবান উপদেশ ও শিক্ষা নিজের জীবনে আজীবন মনে রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রতীকী উপাচার্য শীতল। নিজের পড়াশোনা শেষ করে জীবনের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর বিষয়ে তিনি আগের চেয়ে অনেক বেশি সংকল্পবদ্ধ হয়েছেন বলে জানান। এর আগে শীতল কন্যাশিশুর শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের লক্ষে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশসহ বিভিন্ন যুব ও কমিউনিটিভিত্তিক উদ্যোগের সাথে কাজ করেছেন। তার এই প্রতীকী দায়িত্ব পালন মূলত নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করা এবং নেতৃত্ব তৈরির প্রয়োজনীয়তাকেই জোরালোভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।