অর্থনীতি ডেস্ক: ভবিষ্যতে দেশ থেকে অর্থপাচার রোধ করা সম্ভব কি না, তা মূলত নির্ভর করছে অপরাধের সহায়তাকারীদের আচরণের ওপর। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি জানান, লুটপাটকারীদের সহযোগিতাকারীরা যদি তাদের অবস্থান পরিবর্তন না করে, তবে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা থেকেই যায়।
উপদেষ্টা বলেন, অতীতে তৎকালীন সরকারের আমলে সংঘটিত লুটপাটের কারণে দেশের সাধারণ মানুষকে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। কেবল ব্যাংক খাত থেকেই প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার অর্থ তছরুপ করা হয়েছে, যা অত্যন্ত গুরুতর একটি আর্থিক অপরাধ। এছাড়া অন্যান্য খাত থেকেও বিপুল পরিমাণ অর্থ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও জোরালোভাবে বলেন, কেবল মূল অপরাধী নয়, বরং দেশ ও বিদেশে যারা এই লুটপাটে সহায়তা করেছে, তাদের সবাইকে অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। জনগণের এই অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িতদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আইনের মুখোমুখি করা জরুরি। আইএমএফের নতুন ঋণ সহায়তা এবং তার শর্ত সম্পর্কিত বিষয়ে তিনি জানান যে এসব বিষয় বর্তমানে পারস্পরিক দরকষাকষির পর্যায়ে রয়েছে।
আইএমএফের সাম্প্রতিক পূর্বাভাসে মূল্যস্ফীতি ও জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে যে শঙ্কার কথা বলা হয়েছে, সেটিকে সংস্থাটির নিজস্ব মূল্যায়ন বলে অভিহিত করেন তিতুমীর। তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান যে বাংলাদেশ সরকার নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে।




































