ঢাকা ০৭:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

‘নতুন পরিচালকদের সাহিত্য পড়তে বলব’, বড়পর্দায় ফিরছেন মাধবী

বিনোদন ডেস্ক: শারীরিক অসুস্থতা ও বয়সকে পেছনে ফেলে ৮৪ বছর বয়সে অভিনয়ে ফিরছেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী মাধবী মুখোপাধ্যায়। পরিচালক শ্যামল বসুর নতুন সিনেমা ‘দূরত্ব’-তে একটি কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘বরুণবাবুর বন্ধু’ সিনেমার পর দীর্ঘ বিরতির পর ক্যামেরার সামনে দাঁড়াচ্ছেন এই বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। ইতোমধ্যে কলকাতার বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় সিনেমাটির দৃশ্যধারণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

মা-মেয়ের সম্পর্ক এবং পারিবারিক সমীকরণকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে সিনেমাটির চিত্রনাট্য। কর্মব্যস্ততার যুগে প্রিয়জনদের সময় দিতে না পারার কারণে সৃষ্ট মানসিক দূরত্ব ও নিঃসঙ্গতার বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এতে। নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে মাধবী জানান, তিনি এমন একজন মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করছেন যার জীবনের বড় একটা সময় কাটে সন্তানের অপেক্ষায়। বর্তমান সমাজের বহু পরিবারের সঙ্গেই এই গল্পের মিল রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

হালের বাংলা চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নতুন প্রজন্মের পরিচালকদের সাহিত্য পাঠের পরামর্শ দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তার মতে, অতীতে বাংলা সিনেমা অনেক বেশি সাহিত্যনির্ভর ছিল। সিনেমাটিতে মাধবীর মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন সঙ্গীতা দাস। তার ভাষ্যমতে, দুই প্রজন্মের মধ্যকার এই অদৃশ্য দূরত্ব কীভাবে কমে আসে, সেটাই ছবির মূল আকর্ষণ।

সিনেমায় মাধবী মুখোপাধ্যায়ের প্রতিবেশীর গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন আরেক গুণী অভিনেতা দীপঙ্কর দে। বয়সের শেষ পর্বে এই দুই প্রবীণ মানুষের পারস্পরিক নির্ভরতা ও বন্ধুত্বের উষ্ণতা গল্পের অন্যতম আকর্ষণীয় দিক। এদিকে দীর্ঘদিন পর পরিচালনায় ফিরে শ্যামল বসু জানিয়েছেন যে সম্পর্কের সূক্ষ্ম টানাপড়েন ও আবেগকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই প্রজেক্টে। তবে নির্মাতাদের পক্ষ থেকে এখনও ছবিটির মুক্তির কোনো তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।

জনপ্রিয়

জয়রথে মোহামেডান, ছুটছে কিংসও

‘নতুন পরিচালকদের সাহিত্য পড়তে বলব’, বড়পর্দায় ফিরছেন মাধবী

প্রকাশিত ১২:০৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

বিনোদন ডেস্ক: শারীরিক অসুস্থতা ও বয়সকে পেছনে ফেলে ৮৪ বছর বয়সে অভিনয়ে ফিরছেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী মাধবী মুখোপাধ্যায়। পরিচালক শ্যামল বসুর নতুন সিনেমা ‘দূরত্ব’-তে একটি কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘বরুণবাবুর বন্ধু’ সিনেমার পর দীর্ঘ বিরতির পর ক্যামেরার সামনে দাঁড়াচ্ছেন এই বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। ইতোমধ্যে কলকাতার বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় সিনেমাটির দৃশ্যধারণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

মা-মেয়ের সম্পর্ক এবং পারিবারিক সমীকরণকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে সিনেমাটির চিত্রনাট্য। কর্মব্যস্ততার যুগে প্রিয়জনদের সময় দিতে না পারার কারণে সৃষ্ট মানসিক দূরত্ব ও নিঃসঙ্গতার বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এতে। নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে মাধবী জানান, তিনি এমন একজন মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করছেন যার জীবনের বড় একটা সময় কাটে সন্তানের অপেক্ষায়। বর্তমান সমাজের বহু পরিবারের সঙ্গেই এই গল্পের মিল রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

হালের বাংলা চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নতুন প্রজন্মের পরিচালকদের সাহিত্য পাঠের পরামর্শ দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তার মতে, অতীতে বাংলা সিনেমা অনেক বেশি সাহিত্যনির্ভর ছিল। সিনেমাটিতে মাধবীর মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন সঙ্গীতা দাস। তার ভাষ্যমতে, দুই প্রজন্মের মধ্যকার এই অদৃশ্য দূরত্ব কীভাবে কমে আসে, সেটাই ছবির মূল আকর্ষণ।

সিনেমায় মাধবী মুখোপাধ্যায়ের প্রতিবেশীর গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন আরেক গুণী অভিনেতা দীপঙ্কর দে। বয়সের শেষ পর্বে এই দুই প্রবীণ মানুষের পারস্পরিক নির্ভরতা ও বন্ধুত্বের উষ্ণতা গল্পের অন্যতম আকর্ষণীয় দিক। এদিকে দীর্ঘদিন পর পরিচালনায় ফিরে শ্যামল বসু জানিয়েছেন যে সম্পর্কের সূক্ষ্ম টানাপড়েন ও আবেগকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই প্রজেক্টে। তবে নির্মাতাদের পক্ষ থেকে এখনও ছবিটির মুক্তির কোনো তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।