ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

৬১৫ পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় কোস্ট গার্ড

জাতীয় ডেস্ক: দেশের উপকূলীয় এবং নদীসংলগ্ন এলাকার মোট ছয়শ পনেরটি পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের প্রায় দেড় হাজার সদস্য। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকার মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দিরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান বাহিনীটির মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মঈনুল হাসান। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে বৃহত্তর চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল এবং ঢাকা অঞ্চলের নদীতীরবর্তী জনপদে এই নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব সম্পন্ন করতে কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে সব ধরনের গোয়েন্দা নজরদারি ও তৎপরতা অব্যাহত রাখা হয়েছে।

মহাসমারোহে শুরু হওয়া এই দুর্গোৎসবে আচার-অনুষ্ঠান সফল করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশ্বাস অনুযায়ী মহালয়া, বোধন ও সন্ধিপূজার মাধ্যমে এই উৎসবের মূল পর্বগুলো সম্পন্ন হয়। আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠ দিনে মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে বিজয়া দশমীতে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। তবে এই বছর সপ্তমী তিথি শনি ও রবিবার দুই দিন ব্যাপী বিস্তৃত থাকায় উৎসবের আনন্দকাল ছয় দিনে গড়িয়েছে। শুক্রবার ষোড়শ উপচারে দেবী দুর্গাকে মর্ত্যে আবাহনের মাধ্যমে শুরু হয়েছে মূল আনুষ্ঠানিকতা।

পূজা উদ্‌যাপন ও প্রতিমা বিসর্জনের সময় সম্ভাব্য যেকোনো নৌদুর্ঘটনা এড়াতে কোস্ট গার্ডের বিশেষ ডুবুরি দলকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় যে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাহিনীর নিবেদিত হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি যেকোনো ধরনের গুজব ও অপপ্রচার থেকে সবাইকে সচেতন ও দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন কোস্ট গার্ড প্রধান। যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আগামী বুধবার দর্পণ বিসর্জন এবং প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে এই সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।

জনপ্রিয়

জয়রথে মোহামেডান, ছুটছে কিংসও

৬১৫ পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় কোস্ট গার্ড

প্রকাশিত ০১:২২:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: দেশের উপকূলীয় এবং নদীসংলগ্ন এলাকার মোট ছয়শ পনেরটি পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের প্রায় দেড় হাজার সদস্য। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকার মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দিরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান বাহিনীটির মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মঈনুল হাসান। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে বৃহত্তর চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল এবং ঢাকা অঞ্চলের নদীতীরবর্তী জনপদে এই নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব সম্পন্ন করতে কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে সব ধরনের গোয়েন্দা নজরদারি ও তৎপরতা অব্যাহত রাখা হয়েছে।

মহাসমারোহে শুরু হওয়া এই দুর্গোৎসবে আচার-অনুষ্ঠান সফল করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশ্বাস অনুযায়ী মহালয়া, বোধন ও সন্ধিপূজার মাধ্যমে এই উৎসবের মূল পর্বগুলো সম্পন্ন হয়। আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠ দিনে মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে বিজয়া দশমীতে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। তবে এই বছর সপ্তমী তিথি শনি ও রবিবার দুই দিন ব্যাপী বিস্তৃত থাকায় উৎসবের আনন্দকাল ছয় দিনে গড়িয়েছে। শুক্রবার ষোড়শ উপচারে দেবী দুর্গাকে মর্ত্যে আবাহনের মাধ্যমে শুরু হয়েছে মূল আনুষ্ঠানিকতা।

পূজা উদ্‌যাপন ও প্রতিমা বিসর্জনের সময় সম্ভাব্য যেকোনো নৌদুর্ঘটনা এড়াতে কোস্ট গার্ডের বিশেষ ডুবুরি দলকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় যে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাহিনীর নিবেদিত হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি যেকোনো ধরনের গুজব ও অপপ্রচার থেকে সবাইকে সচেতন ও দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন কোস্ট গার্ড প্রধান। যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আগামী বুধবার দর্পণ বিসর্জন এবং প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে এই সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।