ঢাকা ০৭:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

অ্যাওয়ার্ড নিলেন ড. ইউনূস, দাঁড়িয়ে সম্মান জানালেন ৪০০ অতিথি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শান্তিতে নোবেলজয়ী ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস মর্যাদাপূর্ণ ‘হিলারি রোডহ্যাম ক্লিনটন অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন তার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যাস্টন হলরুমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রায় ২৫টি দেশের রাষ্ট্রদূত, উদ্যোক্তা, শিক্ষক ও গবেষকসহ চারশতাধিক অতিথি উপস্থিত ছিলেন। ড. ইউনূসের নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত অতিথিরা দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় ধরে করতালি দিয়ে তাকে সম্মান জানান। চলতি বছর ড. ইউনূস ছাড়াও আরও তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে হিলারি ক্লিনটন গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন যে, ড. ইউনূস তার কাজ শুধু বাংলাদেশের নারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিয়েছেন। পুরস্কার গ্রহণের পর বক্তৃতায় ড. ইউনূস তার কাজের ৫০ বছর পূর্তির কথা উল্লেখ করে বলেন যে, এই আয়োজন বাংলাদেশে একটি বড় বার্তা পৌঁছে দেবে এবং গ্রামীণ পরিবারকে অনুপ্রাণিত করবে। তিনি দারিদ্র্য বিমোচন ও নারীর ক্ষমতায়নে ক্ষুদ্রঋণের ভূমিকা তুলে ধরে জানান যে, এর মাধ্যমে নারীরা আত্মবিশ্বাসী হয়ে নিজেদের ব্যাংক নিজেরাই পরিচালনা করছেন। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি বলেন যে, এটি তরুণদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে তৈরি করছে, অথচ শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো মানুষকে সৃজনশীল ও উদ্যোগী করে গড়ে তোলা। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ‘গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়’ চালুর আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন যে, এটি শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হতে সহায়তা করবে। এই অর্জন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ড. ইউনূসের দীর্ঘদিনের অবদান ও সামাজিক ব্যবসার ধারণাকে আরও বেশি স্বীকৃতি ও মর্যাদার আসনে ভূষিত করেছে।

জনপ্রিয়

জয়রথে মোহামেডান, ছুটছে কিংসও

অ্যাওয়ার্ড নিলেন ড. ইউনূস, দাঁড়িয়ে সম্মান জানালেন ৪০০ অতিথি

প্রকাশিত ০৩:২২:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শান্তিতে নোবেলজয়ী ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস মর্যাদাপূর্ণ ‘হিলারি রোডহ্যাম ক্লিনটন অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন তার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যাস্টন হলরুমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রায় ২৫টি দেশের রাষ্ট্রদূত, উদ্যোক্তা, শিক্ষক ও গবেষকসহ চারশতাধিক অতিথি উপস্থিত ছিলেন। ড. ইউনূসের নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত অতিথিরা দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় ধরে করতালি দিয়ে তাকে সম্মান জানান। চলতি বছর ড. ইউনূস ছাড়াও আরও তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে হিলারি ক্লিনটন গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন যে, ড. ইউনূস তার কাজ শুধু বাংলাদেশের নারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিয়েছেন। পুরস্কার গ্রহণের পর বক্তৃতায় ড. ইউনূস তার কাজের ৫০ বছর পূর্তির কথা উল্লেখ করে বলেন যে, এই আয়োজন বাংলাদেশে একটি বড় বার্তা পৌঁছে দেবে এবং গ্রামীণ পরিবারকে অনুপ্রাণিত করবে। তিনি দারিদ্র্য বিমোচন ও নারীর ক্ষমতায়নে ক্ষুদ্রঋণের ভূমিকা তুলে ধরে জানান যে, এর মাধ্যমে নারীরা আত্মবিশ্বাসী হয়ে নিজেদের ব্যাংক নিজেরাই পরিচালনা করছেন। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি বলেন যে, এটি তরুণদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে তৈরি করছে, অথচ শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো মানুষকে সৃজনশীল ও উদ্যোগী করে গড়ে তোলা। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ‘গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়’ চালুর আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন যে, এটি শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হতে সহায়তা করবে। এই অর্জন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ড. ইউনূসের দীর্ঘদিনের অবদান ও সামাজিক ব্যবসার ধারণাকে আরও বেশি স্বীকৃতি ও মর্যাদার আসনে ভূষিত করেছে।